নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংস্থাটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান এ আবেদন জমা দেন। এর এক দিন আগে আছাদুজ্জামান মিয়ার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে আরও একটি অভিযোগ জমা পড়ে দুদকে।
আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান আবেদনের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
দুদক চেয়ারম্যান বরাবর সালাহ উদ্দিন রিগ্যানের পাঠানো লিখিত আবেদনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান মিয়ার নামে থাকা সম্পদের বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে তা জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
১৬ জুন ‘মিয়া সাহেবের যত সম্পদ’ শিরোনামে একটি জাতীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর চার দিন পর ২০ জুন ‘এবার আলোচনায় আছাদুজ্জামান মিয়ার বিপুল সম্পদ’ শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রকাশিত এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে অভিযোগ অনুসন্ধানের আবেদন জানান আইনজীবী রিগ্যান। আবেদনে বলা হয়েছে, ‘অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে জাতীয় দৈনিকের পাতাজুড়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও অনুসন্ধানের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।’
তিনি ওই আবেদনে আরও উল্লেখ করেন, ‘জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ক্ষুণ্ন করে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেখানে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন, সেখানে দুদক নিষ্ক্রিয়। অতএব, এ বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।’
তিনি চিঠিতে আরও বলেন, ‘দুদক এই বিষয়ে অনুসন্ধানে উদ্যোগী না হলে আইনি নোটিশ পাঠানো হবে। তাতেও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করা হবে।’
দুদকের একটি সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের যে অভিযোগ ওঠেছে দুদক সেটি যাচাই–বাছাই কমিটির মাধ্যমে বিচার–বিশ্লেষণ করেছে। যাচাই–বাছাইয়ে আছাদুজ্জামান মিয়ার নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। আগামী সপ্তাহে কমিশনের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংস্থাটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান এ আবেদন জমা দেন। এর এক দিন আগে আছাদুজ্জামান মিয়ার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে আরও একটি অভিযোগ জমা পড়ে দুদকে।
আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান আবেদনের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
দুদক চেয়ারম্যান বরাবর সালাহ উদ্দিন রিগ্যানের পাঠানো লিখিত আবেদনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান মিয়ার নামে থাকা সম্পদের বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে তা জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
১৬ জুন ‘মিয়া সাহেবের যত সম্পদ’ শিরোনামে একটি জাতীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর চার দিন পর ২০ জুন ‘এবার আলোচনায় আছাদুজ্জামান মিয়ার বিপুল সম্পদ’ শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রকাশিত এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে অভিযোগ অনুসন্ধানের আবেদন জানান আইনজীবী রিগ্যান। আবেদনে বলা হয়েছে, ‘অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে জাতীয় দৈনিকের পাতাজুড়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও অনুসন্ধানের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।’
তিনি ওই আবেদনে আরও উল্লেখ করেন, ‘জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ক্ষুণ্ন করে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেখানে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন, সেখানে দুদক নিষ্ক্রিয়। অতএব, এ বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।’
তিনি চিঠিতে আরও বলেন, ‘দুদক এই বিষয়ে অনুসন্ধানে উদ্যোগী না হলে আইনি নোটিশ পাঠানো হবে। তাতেও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করা হবে।’
দুদকের একটি সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের যে অভিযোগ ওঠেছে দুদক সেটি যাচাই–বাছাই কমিটির মাধ্যমে বিচার–বিশ্লেষণ করেছে। যাচাই–বাছাইয়ে আছাদুজ্জামান মিয়ার নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। আগামী সপ্তাহে কমিশনের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১ ঘণ্টা আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে