নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কাজ শেষে মধ্যরাতে বাসায় ফেরার সময় নির্দিষ্ট রুটের বাইরের বাসে ওঠার ক্ষেত্রে ঢাকাবাসীকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ‘রাতে অনেক সময় নির্দিষ্ট রুটের বাস না পেয়ে অন্য লাইনের বাসে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ। এমন বাসে ওঠার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।’
আজ শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে বাসে যাত্রী তুলে নির্যাতন ও হত্যার ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের বিষয় জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন ডিবি প্রধান।
গোয়েন্দাপ্রধান বলেন, ‘ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ অভিযান চালিয়ে অভিনব কায়দায় বাসে যাত্রী তুলে ডাকাতির ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত দলের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৩ মার্চ) সাভার থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।’
গ্রেপ্তার আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্যরা হলেন ফখরুল কবির শান্ত (২৯), মো. মনির হোসেন (৩০), মো. ইমরান (২২), মো. মুজাহিদ ওরফে বাবু (২৮), মো. রাজিব ওরফে আসিফ (২১) ও মো. সানি (২৬)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রসহ তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হারুন বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি রিসাত পরিবহনের একটি বাস যাত্রীসহ খুলনার সোনাডাঙ্গা থেকে ঢাকায় আসে। তাঁরা গাজীপুর, সাভার, নবীনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাত্রী নামায়। কিন্তু পর্যাপ্ত যাত্রী না পেয়ে রাজধানীর দারুসসালাম থানার গাবতলী পর্বত সিনেমার সামনে রেখে বাসের চালক-হেলপার-সুপারভাইজার পেছনের ছিটে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাড়ি পার্কিং করার কারণ জানতে চেয়ে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল গাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। পরে শান্তর নেতৃত্বে তাঁর সহযোগী সুমন-মনির বাসের চালক-সহকারী-সুপারভাইজারকে নির্যাতন করে বাসের পেছনে নিয়ে ফেলে রাখে। তাঁদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।’
ডিবির প্রধান বলেন, ‘ডাকাতদের দলনেতা শান্ত গাড়িটি চালিয়ে কিছু দূর এসে ডাকাত দলের অন্য সদস্য ইমরানকে গাড়ি চালাতে বলে। পরে ডাকাত দলের কয়েকজন নিজেরাই যাত্রী-সহকারী-সুপারভাইজার সেজে গাবতলী-আসাদগেট-নিউমার্কেট-আজিমপুর-যাত্রাবাড়ী-কাচপুর হয়ে একই পথে ফেরত এসে আমিনবাজার-সাভার-চন্দ্রার বিভিন্ন স্থান থেকে একজন একজন করে যাত্রী তুলে মারধর করে তাঁদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়।’
‘পরে তাদের চোখ ও পিছমোড়া করে হাত বেঁধে বাসের পেছনে ফেলে রাখে। ডাকাতদল সারা রাত ধরে ডাকাতি করে ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার দিকে আহত যাত্রীসহ বাসটি সাভার থানার কবিরপুরে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায়।’
হারুন অর রশীদ আরও বলেন, ‘এরই পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিম ছায়াতদন্ত শুরু করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, মামলার বাদীসহ অন্য ভিকটিমের বক্তব্য পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতের দলটিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে রাজধানীর মিরপুর-গাবতলী, সাভারের গেন্ডা-রাজপুরে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
গ্রেপ্তার হওয়াদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবির এই কর্মকর্তা জানান, তারা আন্তজেলা ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরস্পরের যোগসাজশে যাত্রী সেজে বাসে উঠে বাসের চালক-সহকারীকে জিম্মি করে বাসের মধ্যে ডাকাতি করে। নিজেরাই যাত্রী-সহকারী-সুপারভাইজার সেজে বিভিন্ন স্থান থেকে একজন একজন করে লোক তুলে মারধর করে তাদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়।’
তাদের বিরুদ্ধে দারুসসালাম থানায় একটি ডাকাতির মামলা করা হয়েছে। এর আগে ডিএমপিসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি, অস্ত্র-মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘এই ডাকাত দলের সদস্যরা একে অন্যকে চিনত না। তারা বিভিন্ন দল থেকে এসেছে। আমরা এমন তিন-চারটি ডাকাত দলের নাম পেয়েছি। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
রাজধানী ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকা ও মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসে নিয়মিত ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গাবতলীর এ ঘটনায় মামলা হয়েছে বলেই ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ ব্যবস্থা নিতে পেরেছে। তাই এমন কোনো ঘটনা ঘটলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে অবশ্যই জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কাজ শেষে মধ্যরাতে বাসায় ফেরার সময় নির্দিষ্ট রুটের বাইরের বাসে ওঠার ক্ষেত্রে ঢাকাবাসীকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ‘রাতে অনেক সময় নির্দিষ্ট রুটের বাস না পেয়ে অন্য লাইনের বাসে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ। এমন বাসে ওঠার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।’
আজ শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে বাসে যাত্রী তুলে নির্যাতন ও হত্যার ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের বিষয় জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন ডিবি প্রধান।
গোয়েন্দাপ্রধান বলেন, ‘ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ অভিযান চালিয়ে অভিনব কায়দায় বাসে যাত্রী তুলে ডাকাতির ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত দলের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৩ মার্চ) সাভার থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।’
গ্রেপ্তার আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্যরা হলেন ফখরুল কবির শান্ত (২৯), মো. মনির হোসেন (৩০), মো. ইমরান (২২), মো. মুজাহিদ ওরফে বাবু (২৮), মো. রাজিব ওরফে আসিফ (২১) ও মো. সানি (২৬)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রসহ তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হারুন বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি রিসাত পরিবহনের একটি বাস যাত্রীসহ খুলনার সোনাডাঙ্গা থেকে ঢাকায় আসে। তাঁরা গাজীপুর, সাভার, নবীনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাত্রী নামায়। কিন্তু পর্যাপ্ত যাত্রী না পেয়ে রাজধানীর দারুসসালাম থানার গাবতলী পর্বত সিনেমার সামনে রেখে বাসের চালক-হেলপার-সুপারভাইজার পেছনের ছিটে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাড়ি পার্কিং করার কারণ জানতে চেয়ে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল গাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। পরে শান্তর নেতৃত্বে তাঁর সহযোগী সুমন-মনির বাসের চালক-সহকারী-সুপারভাইজারকে নির্যাতন করে বাসের পেছনে নিয়ে ফেলে রাখে। তাঁদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।’
ডিবির প্রধান বলেন, ‘ডাকাতদের দলনেতা শান্ত গাড়িটি চালিয়ে কিছু দূর এসে ডাকাত দলের অন্য সদস্য ইমরানকে গাড়ি চালাতে বলে। পরে ডাকাত দলের কয়েকজন নিজেরাই যাত্রী-সহকারী-সুপারভাইজার সেজে গাবতলী-আসাদগেট-নিউমার্কেট-আজিমপুর-যাত্রাবাড়ী-কাচপুর হয়ে একই পথে ফেরত এসে আমিনবাজার-সাভার-চন্দ্রার বিভিন্ন স্থান থেকে একজন একজন করে যাত্রী তুলে মারধর করে তাঁদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়।’
‘পরে তাদের চোখ ও পিছমোড়া করে হাত বেঁধে বাসের পেছনে ফেলে রাখে। ডাকাতদল সারা রাত ধরে ডাকাতি করে ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার দিকে আহত যাত্রীসহ বাসটি সাভার থানার কবিরপুরে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায়।’
হারুন অর রশীদ আরও বলেন, ‘এরই পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিম ছায়াতদন্ত শুরু করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, মামলার বাদীসহ অন্য ভিকটিমের বক্তব্য পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতের দলটিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে রাজধানীর মিরপুর-গাবতলী, সাভারের গেন্ডা-রাজপুরে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
গ্রেপ্তার হওয়াদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবির এই কর্মকর্তা জানান, তারা আন্তজেলা ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরস্পরের যোগসাজশে যাত্রী সেজে বাসে উঠে বাসের চালক-সহকারীকে জিম্মি করে বাসের মধ্যে ডাকাতি করে। নিজেরাই যাত্রী-সহকারী-সুপারভাইজার সেজে বিভিন্ন স্থান থেকে একজন একজন করে লোক তুলে মারধর করে তাদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়।’
তাদের বিরুদ্ধে দারুসসালাম থানায় একটি ডাকাতির মামলা করা হয়েছে। এর আগে ডিএমপিসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি, অস্ত্র-মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘এই ডাকাত দলের সদস্যরা একে অন্যকে চিনত না। তারা বিভিন্ন দল থেকে এসেছে। আমরা এমন তিন-চারটি ডাকাত দলের নাম পেয়েছি। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
রাজধানী ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকা ও মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসে নিয়মিত ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গাবতলীর এ ঘটনায় মামলা হয়েছে বলেই ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ ব্যবস্থা নিতে পেরেছে। তাই এমন কোনো ঘটনা ঘটলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে অবশ্যই জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৭ ঘণ্টা আগে