নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামী ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপিকে গণমিছিল করার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তবে তাদের রুট সংক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।
ডিএমপির পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া গণমিছিল বিজয়নগর পানির ট্যাংক হয়ে পল্টন মোড় থেকে প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন কাকরাইল হয়ে ফের নয়াপল্টনে শেষ করতে বলা হয়েছে। তবে এলাকাভিত্তিক কোনো মিছিল হলে তাতে সংঘর্ষের আশঙ্কা করেছে পুলিশ। কারণ ওই দিন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও মাঠে থাকবেন। তাই নয়াপল্টনে এসে গণমিছিল করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। এলাকায় এলাকায় বিএনপি মিছিল করলে বিশৃঙ্খলা হতে পারে।
গণমিছিলের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, রাজনৈতিক দলের যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ সহায়তা করবে। তবে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, বিএনপির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গণমিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাদের কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি। তবে বলা হয়েছে, কর্মসূচি যেন শান্তিপূর্ণ হয়, কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে। গণমিছিলের রাস্তাও তাঁদের সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে যান। বৈঠক শেষে ঘণ্টাখানেক পরে তাঁরা ডিএমপি কার্যালয় থেকে বের হন।
এদিকে ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৩০ ডিসেম্বরের গণমিছিলের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ডিএমপি কমিশনার ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সেই কর্মসূচি যেন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে করা যায়, সে জন্য গণমিছিলের যে রুট, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিষয়টি ডিএমপিকে অবহিত করা হয়েছে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপিকে গণমিছিল করার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তবে তাদের রুট সংক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।
ডিএমপির পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া গণমিছিল বিজয়নগর পানির ট্যাংক হয়ে পল্টন মোড় থেকে প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন কাকরাইল হয়ে ফের নয়াপল্টনে শেষ করতে বলা হয়েছে। তবে এলাকাভিত্তিক কোনো মিছিল হলে তাতে সংঘর্ষের আশঙ্কা করেছে পুলিশ। কারণ ওই দিন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও মাঠে থাকবেন। তাই নয়াপল্টনে এসে গণমিছিল করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। এলাকায় এলাকায় বিএনপি মিছিল করলে বিশৃঙ্খলা হতে পারে।
গণমিছিলের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, রাজনৈতিক দলের যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ সহায়তা করবে। তবে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, বিএনপির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গণমিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাদের কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি। তবে বলা হয়েছে, কর্মসূচি যেন শান্তিপূর্ণ হয়, কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে। গণমিছিলের রাস্তাও তাঁদের সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে যান। বৈঠক শেষে ঘণ্টাখানেক পরে তাঁরা ডিএমপি কার্যালয় থেকে বের হন।
এদিকে ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৩০ ডিসেম্বরের গণমিছিলের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ডিএমপি কমিশনার ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সেই কর্মসূচি যেন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে করা যায়, সে জন্য গণমিছিলের যে রুট, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিষয়টি ডিএমপিকে অবহিত করা হয়েছে।

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
২ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
২ ঘণ্টা আগে