নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রামচন্দ্রপুর খাল দখল করে গড়ে ওঠা সাদিক অ্যাগ্রো খামারের একাংশ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাতমসজিদ হাউজিংয়ে অবস্থিত এই খামারে অভিযান চালানো হয়। সম্প্রতি কোটি টাকার ‘উচ্চবংশীয়’ গরু এবং ‘১৫ লাখ টাকার’ ছাগল নিয়ে আলোচনায় আসে খামারটি।
অভিযান পরিচালনার সময় সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান হোসেনকে পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উচ্ছেদের খবরে বুধবার রাতেই খামারের বেশির ভাগ গরু অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কয়েকটি গরু খামারে দেখা গেলেও কোটি টাকার সেই ‘উচ্চবংশীয়’ ব্রাহমা গরুটি দেখা যায়নি। তবে খামারের একটি খাঁচায় ১৫ লাখ টাকা দাম হাঁকানো ব্রিটল জাতের ছাগলটি রয়েছে।
খামারের কর্মী স্বপন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ব্রাহমা জাতের গরুটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কোথায় সরানো হয়েছে, সেটি তাঁরা জানেন না। সরেজমিন দেখা গেছে, খালের একাংশে গড়ে তোলা সাদিক অ্যাগ্রোর উত্তর পাশে কিছু অংশ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে সাদিক অ্যাগ্রোর একাধিক কর্মী বলেন, এ জায়গা সাদিক অ্যাগ্রোর সম্পত্তি না। মালিক এটি ভাড়া নিয়েছেন।
উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোতাকাব্বির আহমেদ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান।
মোতাকাব্বির আহমেদ বলেন, আজকের অভিযান কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়। রামচন্দ্রপুর খালসহ অন্যান্য খালের ওপর যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে, সেগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে। ডিএনসিসির ধারাবাহিক অভিযানের অংশ এটি। এক মাস আগেই সাদিক অ্যাগ্রোকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। কিন্তু সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।
সাদিক অ্যাগ্রোর জায়গার মালিক দাবি করে আব্দুল আলিম নামের একজন এসেছে জানিয়ে মোতাকাব্বির আহমেদ বলেন, ‘তিনি চার শতাংশ জমির দলিল দেখিয়েছেন। কিন্তু খামারের দখলে রয়েছে এক বিঘার ওপরে জায়গা। তাই আমরা অবৈধ স্থাপনা ভেঙেছি।’
উচ্ছেদের খবরে সাদিক অ্যাগ্রোর আশপাশের অবৈধ দখলদারেরা তাঁদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মাহে আলম, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ প্রমুখ।
ইমরান হোসেন খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে খাল দখল ছাড়াও অনেক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকায় ‘উচ্চবংশের নামে অভিজাত প্রতারণা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিষিদ্ধ ব্রাহমা গরু আমদানি করেছিলেন ইমরান নিজেই। জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ায় সরকার গরুগুলো জব্দ করে। সাভারে প্রাণিসম্পদের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে জব্দ থাকা এসব গরু পরে নামমাত্র মূল্যে নিলামে কিনে নেন ইমরান। শর্ত ছিল, গরুগুলো জবাই করে রমজানে সুলভ মূল্যে মাংস বিক্রি করবেন। মাংস তিনি ঠিকই বিক্রি করেছেন, তবে অন্য গরুর। কৌশলে ব্রাহমা জাতের গরুগুলো নিজের কাছে রেখে দেন চতুর এই ব্যবসায়ী। এই গরু থেকে কয়েক লাখ টাকার সিমেন বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে।

রামচন্দ্রপুর খাল দখল করে গড়ে ওঠা সাদিক অ্যাগ্রো খামারের একাংশ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাতমসজিদ হাউজিংয়ে অবস্থিত এই খামারে অভিযান চালানো হয়। সম্প্রতি কোটি টাকার ‘উচ্চবংশীয়’ গরু এবং ‘১৫ লাখ টাকার’ ছাগল নিয়ে আলোচনায় আসে খামারটি।
অভিযান পরিচালনার সময় সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান হোসেনকে পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উচ্ছেদের খবরে বুধবার রাতেই খামারের বেশির ভাগ গরু অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কয়েকটি গরু খামারে দেখা গেলেও কোটি টাকার সেই ‘উচ্চবংশীয়’ ব্রাহমা গরুটি দেখা যায়নি। তবে খামারের একটি খাঁচায় ১৫ লাখ টাকা দাম হাঁকানো ব্রিটল জাতের ছাগলটি রয়েছে।
খামারের কর্মী স্বপন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ব্রাহমা জাতের গরুটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কোথায় সরানো হয়েছে, সেটি তাঁরা জানেন না। সরেজমিন দেখা গেছে, খালের একাংশে গড়ে তোলা সাদিক অ্যাগ্রোর উত্তর পাশে কিছু অংশ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে সাদিক অ্যাগ্রোর একাধিক কর্মী বলেন, এ জায়গা সাদিক অ্যাগ্রোর সম্পত্তি না। মালিক এটি ভাড়া নিয়েছেন।
উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোতাকাব্বির আহমেদ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান।
মোতাকাব্বির আহমেদ বলেন, আজকের অভিযান কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়। রামচন্দ্রপুর খালসহ অন্যান্য খালের ওপর যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে, সেগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে। ডিএনসিসির ধারাবাহিক অভিযানের অংশ এটি। এক মাস আগেই সাদিক অ্যাগ্রোকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। কিন্তু সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।
সাদিক অ্যাগ্রোর জায়গার মালিক দাবি করে আব্দুল আলিম নামের একজন এসেছে জানিয়ে মোতাকাব্বির আহমেদ বলেন, ‘তিনি চার শতাংশ জমির দলিল দেখিয়েছেন। কিন্তু খামারের দখলে রয়েছে এক বিঘার ওপরে জায়গা। তাই আমরা অবৈধ স্থাপনা ভেঙেছি।’
উচ্ছেদের খবরে সাদিক অ্যাগ্রোর আশপাশের অবৈধ দখলদারেরা তাঁদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মাহে আলম, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ প্রমুখ।
ইমরান হোসেন খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে খাল দখল ছাড়াও অনেক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকায় ‘উচ্চবংশের নামে অভিজাত প্রতারণা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিষিদ্ধ ব্রাহমা গরু আমদানি করেছিলেন ইমরান নিজেই। জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ায় সরকার গরুগুলো জব্দ করে। সাভারে প্রাণিসম্পদের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে জব্দ থাকা এসব গরু পরে নামমাত্র মূল্যে নিলামে কিনে নেন ইমরান। শর্ত ছিল, গরুগুলো জবাই করে রমজানে সুলভ মূল্যে মাংস বিক্রি করবেন। মাংস তিনি ঠিকই বিক্রি করেছেন, তবে অন্য গরুর। কৌশলে ব্রাহমা জাতের গরুগুলো নিজের কাছে রেখে দেন চতুর এই ব্যবসায়ী। এই গরু থেকে কয়েক লাখ টাকার সিমেন বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে।

পৌষ সংক্রান্তি ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ‘মাছের মেলা’ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত থেকে সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরে শতবর্ষী এই মেলা বসেছে। চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।
৩ মিনিট আগে
মাদারীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় দুই নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদারীপুরের তাঁতিবাড়ি এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৭ মিনিট আগে
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে তালুকদার ও খান পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
৩৮ মিনিট আগে
গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে