নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ৯ আসামিকে জামিন দেওয়ার ঘটনায় এবার আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন করেছেন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। সেই আবেদন হাইকোর্ট গ্রহণ করেছেন। সেই সঙ্গে তাঁকে সতর্ক করে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নয় আসামিকে জামিন দেওয়ার আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এর আগে প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আসামিদের জামিন দেওয়ায় উচ্চ আদালত ওই বিচারককে ভর্ৎসনা করেছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের বেঞ্চ তাঁর ক্ষমতার আবেদন গ্রহণ করে আদেশ দেন। এ সময় জেলা জজের উদ্দেশে হাইকোর্ট বলেন, ‘আপনি একজন সিনিয়র জুডিশিয়াল অফিসার। আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁরা কারাগারে গেল না, অথচ আপনি আসামিদের জামিন দিয়ে দিয়েছেন। কোনো বিষয়ে তাড়াহুড়ো করলে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। বিচার তাড়াহুড়োর বিষয় নয়। আইনি প্রক্রিয়া মেনে না চললে বিচারকের সঙ্গে সঙ্গে বিচার বিভাগও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এই বিষয়টি লক্ষ্য রেখেই আমাদের বিচার কাজ পরিচালনা করতে হবে।’
আদালতে জেলা ও দায়রা জজের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এএফ হাসান আরিফ। রিভিশন আবেদনকারীর পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন শুনানি করেন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
জানা যায়, জমির দখল নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আইনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে করা একটি মামলায় ৯ আসামি হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তবে হাইকোর্ট তাঁদের জামিন না দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী গত ২১ মে আসামিরা কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সার্টিফায়েড কপি ছাড়া একই দিন জেলা ও দায়রা জজের কাছে আসামিদের পক্ষ থেকে আবেদন করলে তাঁদের জামিন দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আসামিদের জামিন চ্যালেঞ্জ করে মামলার বাদী রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোদেস্তা বেগম (রিনা) হাইকোর্টে আবেদন করেন। শুনানি শেষে জামিন দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তলব করা হয় জেলা জজকে। তলবের পরিপ্রেক্ষিতে হাজির হলে তাঁকে ভর্ৎসনা করেন হাইকোর্ট।

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ৯ আসামিকে জামিন দেওয়ার ঘটনায় এবার আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন করেছেন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। সেই আবেদন হাইকোর্ট গ্রহণ করেছেন। সেই সঙ্গে তাঁকে সতর্ক করে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নয় আসামিকে জামিন দেওয়ার আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এর আগে প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আসামিদের জামিন দেওয়ায় উচ্চ আদালত ওই বিচারককে ভর্ৎসনা করেছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের বেঞ্চ তাঁর ক্ষমতার আবেদন গ্রহণ করে আদেশ দেন। এ সময় জেলা জজের উদ্দেশে হাইকোর্ট বলেন, ‘আপনি একজন সিনিয়র জুডিশিয়াল অফিসার। আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁরা কারাগারে গেল না, অথচ আপনি আসামিদের জামিন দিয়ে দিয়েছেন। কোনো বিষয়ে তাড়াহুড়ো করলে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। বিচার তাড়াহুড়োর বিষয় নয়। আইনি প্রক্রিয়া মেনে না চললে বিচারকের সঙ্গে সঙ্গে বিচার বিভাগও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এই বিষয়টি লক্ষ্য রেখেই আমাদের বিচার কাজ পরিচালনা করতে হবে।’
আদালতে জেলা ও দায়রা জজের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এএফ হাসান আরিফ। রিভিশন আবেদনকারীর পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন শুনানি করেন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
জানা যায়, জমির দখল নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আইনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে করা একটি মামলায় ৯ আসামি হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তবে হাইকোর্ট তাঁদের জামিন না দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী গত ২১ মে আসামিরা কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সার্টিফায়েড কপি ছাড়া একই দিন জেলা ও দায়রা জজের কাছে আসামিদের পক্ষ থেকে আবেদন করলে তাঁদের জামিন দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আসামিদের জামিন চ্যালেঞ্জ করে মামলার বাদী রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোদেস্তা বেগম (রিনা) হাইকোর্টে আবেদন করেন। শুনানি শেষে জামিন দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তলব করা হয় জেলা জজকে। তলবের পরিপ্রেক্ষিতে হাজির হলে তাঁকে ভর্ৎসনা করেন হাইকোর্ট।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
২২ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে