
রাজধানীর ডেমরায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে র্যালি করেছে পুলিশ ও এলাকাবাসী। পুলিশের এ র্যালির প্রথম সাড়িতে ছিলেন আবার কিশোর গ্যাং লিডার মিজানুর রহমান মিজান। তিনি ৫০ লাখ টাকা ছিনতাইয়েরও আসামি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবিটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল হোসাইনের নির্দেশনা ও অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ডেমরা জোন ও ক্রাইম) মাসুদুর রহমান মনিরের নেতৃত্বে কোনাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আয়োজনে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিনের কার্যক্রমের বিভিন্ন ছবি ডেমরা থানা প্রশাসন এবং কিশোর গ্যাং লিডার মিজানুর রহমান মিজানের ফেসবুক পেজে আপলোড করে। ছবিতে ঢাকা ওয়ারী জোনের পুলিশের ঊর্ধ্বতন সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে সামনের সারিতে ব্যানার হাতে পুলিশের কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ র্যালিতে অংশগ্রহণ করেছে।
জানা গেছে, গ্যাং লিডার কিশোরদের ব্যবহার করে ডিএসসিসির ৬৫ নং ওয়ার্ডে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। এ ছাড়া কয়েক দিন পূর্বে মনিরুজ্জামান মনির মাস্টারের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাঁর অফিসে থাকা ৫০ লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে ডেমরা থানায়।
ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মশিউর রহমান মোল্লা সজলের নাম ব্যবহার করে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বলেন, মিজান রাতারাতি টাকার মুখ দেখে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস করে না। তাঁর অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং লিডার মিজানুর রহমান মিজানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আসলে নেতাদের সঙ্গে অনেক ধরনের লোক র্যালির সামনে চলে আসে। এ সময় আমরা তো কাউকে মানা করতে পারি না। এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আমরা চিনি না। সামনের দিকে এসব বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

রাজধানীর ডেমরায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে র্যালি করেছে পুলিশ ও এলাকাবাসী। পুলিশের এ র্যালির প্রথম সাড়িতে ছিলেন আবার কিশোর গ্যাং লিডার মিজানুর রহমান মিজান। তিনি ৫০ লাখ টাকা ছিনতাইয়েরও আসামি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবিটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল হোসাইনের নির্দেশনা ও অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ডেমরা জোন ও ক্রাইম) মাসুদুর রহমান মনিরের নেতৃত্বে কোনাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আয়োজনে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিনের কার্যক্রমের বিভিন্ন ছবি ডেমরা থানা প্রশাসন এবং কিশোর গ্যাং লিডার মিজানুর রহমান মিজানের ফেসবুক পেজে আপলোড করে। ছবিতে ঢাকা ওয়ারী জোনের পুলিশের ঊর্ধ্বতন সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে সামনের সারিতে ব্যানার হাতে পুলিশের কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ র্যালিতে অংশগ্রহণ করেছে।
জানা গেছে, গ্যাং লিডার কিশোরদের ব্যবহার করে ডিএসসিসির ৬৫ নং ওয়ার্ডে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। এ ছাড়া কয়েক দিন পূর্বে মনিরুজ্জামান মনির মাস্টারের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাঁর অফিসে থাকা ৫০ লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে ডেমরা থানায়।
ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মশিউর রহমান মোল্লা সজলের নাম ব্যবহার করে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বলেন, মিজান রাতারাতি টাকার মুখ দেখে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস করে না। তাঁর অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং লিডার মিজানুর রহমান মিজানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আসলে নেতাদের সঙ্গে অনেক ধরনের লোক র্যালির সামনে চলে আসে। এ সময় আমরা তো কাউকে মানা করতে পারি না। এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আমরা চিনি না। সামনের দিকে এসব বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
৫ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
৭ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
৯ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
৪৩ মিনিট আগে