রাজধানীর বংশালে সুইপার কলোনিতে সংঘর্ষের সময় ইট-পাটকেলের আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অন্তত ১৬ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল হোসেন (৫০), আগা সাদেক ইউনিট আওয়ামী লীগের সদস্য মো. নাঈম (৪০), মো, রুবেল (৩৮) ও রুবেল গাজী (৩৫)।
এ ছাড়া কলোনির বাসিন্দা সুবল লাল (৩৬), রুমন দাশ (৩৫), উদয় (২০), ঋষি কুমার (১৯), বিরুল দাস (২৪), বিমল দাস (৪০), করুন দাশ (৩৫), শিবলাল (৪০), প্রশান্ত (১৩), নিরঞ্জন দাস (৭৫), নিলয় দাস (১৮) ও দীপ্তদাস (১০), বিজন দাস (১৯) ও রাজু দাস (১৮) আহত হন।
৩৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল হোসেন জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার আওয়াল হোসেনসহ তাঁরা সুইপার কলোনিতে যান তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে। তাঁদেরকে কলোনি থেকে সরে যেতে বলেন। এসব বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের কথা বলার সময় সুইপাররা ভবনের ওপর থেকে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন।
আহত সুইপার উদয় কুমার অভিযোগ করে বলেন, `আমরা সকাল ১০টার দিকে উচ্ছেদের বিরোধিতা করে সংবাদ সম্মেলন করি। এটি শেষ হতে না হতেই ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ কাউন্সিলের লোকজন কলোনিতে ঢোকে। তবে কলোনির বাসিন্দারা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশকে ঢুকতে দিলেও কাউন্সিলরের লোকজনদের বাধা দেন।'
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, বিকেল পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। সবার অবস্থাই আশঙ্কামুক্ত।

কিশোরীকে মারধর ও মুখে বালিশ চাপা দিলে ভুক্তভোগী অচেতন হয়ে পরে। এ সময় অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এরপর একপর্যায়ে বিবস্ত্র অবস্থায় ভুক্তভোগীকে নিচতলায় পানির হাউসে ফেলে রাখেন।
২ মিনিট আগে
বরিশালে ভিক্ষুক সেজে এক বিধবা বৃদ্ধার ঘরে আশ্রয় নিয়ে স্বর্ণালংকার লুটের চেষ্টা এবং বাধা পেয়ে তাকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে জখমের অভিযোগে মা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গুরুতর আহত সাফিয়া বেগমকে ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার নন্দীগ্রামে গরুবাহী ভটভটি উল্টে বৃদ্ধসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বিকেলে নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা ভগবানবাজার স্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার জামতলা এলাকায় এক নারীর বাসা থেকে সোনা চুরির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফতুল্লা মডেল থানা-পুলিশের এসআই মো. খায়রুল বাশার ও সদর মডেল থানার কনস্টেবল মো. আফিকুল ইসলামকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে