নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য গণছুটিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আগামীকাল রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে।
আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের সহদপ্তর সম্পাদক অঞ্জু রানী মালাকার।
তিনি অভিযোগ করেন, বারবার কমিটি গঠন ও আলোচনার পরও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় সমস্যার সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বরং আন্দোলনে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতি, বদলি, বরখাস্তসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে হয়রানি করছে। এতে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
অঞ্জু রানী মালাকার বলেন, অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত ও বরখাস্ত করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনর্বহাল করতে হবে এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
চার দফা দাবি
১. আরইবি-পিবিএস একীভূতকরণ অথবা অন্যান্য বিতরণ সংস্থার মতো কোম্পানি গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, সব চুক্তিভিত্তিক ও অনিয়মিত কর্মীদের (মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক ও পৌষ্য বিলিং সহকারী) নিয়মিতকরণ, মামলা প্রত্যাহার করে চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল, সংযুক্ত ও সাময়িক বরখাস্তকৃতদের স্বপদে ফেরত আনা এবং অন্যায়ভাবে বদলিকৃতদের পদায়নে বিদ্যুৎ বিভাগের কমিটির প্রতিবেদন বাস্তবায়ন।
২. ১৭ আগস্ট ২০২৫ থেকে অদ্যাবধি যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী হয়রানিমূলকভাবে চাকরিচ্যুত, বরখাস্ত বা সংযুক্ত হয়েছেন তাঁদের বরখাস্তাদেশ বাতিল করে আগের কর্মস্থলে পদায়ন।
৩. জরুরি সেবায় নিয়োজিত লাইনক্রুদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ এবং শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচির সময় যোগদান করতে না পারা পাঁচজন লাইনক্রুকে আগের কর্মস্থলে ফেরত আনা।
৪. পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য গণছুটিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আগামীকাল রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে।
আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের সহদপ্তর সম্পাদক অঞ্জু রানী মালাকার।
তিনি অভিযোগ করেন, বারবার কমিটি গঠন ও আলোচনার পরও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় সমস্যার সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বরং আন্দোলনে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতি, বদলি, বরখাস্তসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে হয়রানি করছে। এতে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
অঞ্জু রানী মালাকার বলেন, অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত ও বরখাস্ত করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনর্বহাল করতে হবে এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
চার দফা দাবি
১. আরইবি-পিবিএস একীভূতকরণ অথবা অন্যান্য বিতরণ সংস্থার মতো কোম্পানি গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, সব চুক্তিভিত্তিক ও অনিয়মিত কর্মীদের (মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক ও পৌষ্য বিলিং সহকারী) নিয়মিতকরণ, মামলা প্রত্যাহার করে চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল, সংযুক্ত ও সাময়িক বরখাস্তকৃতদের স্বপদে ফেরত আনা এবং অন্যায়ভাবে বদলিকৃতদের পদায়নে বিদ্যুৎ বিভাগের কমিটির প্রতিবেদন বাস্তবায়ন।
২. ১৭ আগস্ট ২০২৫ থেকে অদ্যাবধি যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী হয়রানিমূলকভাবে চাকরিচ্যুত, বরখাস্ত বা সংযুক্ত হয়েছেন তাঁদের বরখাস্তাদেশ বাতিল করে আগের কর্মস্থলে পদায়ন।
৩. জরুরি সেবায় নিয়োজিত লাইনক্রুদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ এবং শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচির সময় যোগদান করতে না পারা পাঁচজন লাইনক্রুকে আগের কর্মস্থলে ফেরত আনা।
৪. পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।

ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
২২ মিনিট আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শেরপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে ওই রায় এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
১ ঘণ্টা আগে