নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের ঢাকা অঞ্চলের দাওয়াতি শাখার প্রধান মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী ওরফে আবু মাসরুরসহ ছয় সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলী হায়দার তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো অন্যরা হলেন শেখ আশিকুর রহমান ওরফে আবু আফিফা (৪৯), সাদী মো. জূলকার নাইন (৩৫), মো. কামরুল হাসান সাব্বির (৪০), মো. মাসুম রানা ওরফে মাসুম বিল্লাহ (২৬) ও ডা. সাঈদ মোহাম্মেদ রিজভী (৩৫)।
বিকালে রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী ওরফে আবু মাসরুরসহ পাঁচজনকে দুদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরদিন ডা. সাঈদ মোহাম্মেদকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর উত্তরা, বনানী, বনশ্রী ও যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি ল্যাপটপ, ৬টি মোবাইল ফোন, উগ্রবাদে সহায়ক পুস্তিকা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত ডায়েরি ও নোট বই উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় বনানী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।

শিশুটি বিষয়টি অন্য শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে মারধর ও কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখান বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বাবা-মাকে জানালে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
২৪ মিনিট আগে
বহরমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া গ্রামের দলিল উদ্দিন মাস্টারের গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে মিশুক গাড়িতে তোলার সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। তাঁরা ওই ব্যক্তিদের পরিচয় ও গরুটির মালিকানা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁদের মধ্যে একজন দৌড়ে পালিয়ে যান।
২৮ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বড়দেশী গ্রামের একটি আঞ্চলিক সড়কে এক বৃদ্ধ রিকশাচালক রিকশা মেরামত করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার এসে তাঁকে ও তাঁর রিকশাকে ধাক্কা দেয়। পরে গাড়ি থেকে কয়েকজন যুবক নেমে ওই রিকশাচালককে মারধর শুরু করেন।
৩৭ মিনিট আগে
ভোলার চরফ্যাশনের জেলেদের জালে নদী ও সাগরে একসময় ধরা পড়ত প্রচুর মাছ। মাছ বিক্রি করেই চলত হাজারো জেলে পরিবারের সংসার। তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। নদী ও সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় মাছ না পাওয়ায় কমেছে জেলেদের আয়। অথচ ট্রলার, জাল, জ্বালানি, খাবার ও সংসারের খরচ ঠিকই বহন করতে হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে