টঙ্গিবাড়ী ও সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলন নিয়ে গোলাগুলিতে দুজন নিহতের ঘটনার পরদিন আবারও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা পিংকি আক্তার (১৯) আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আধারা ইউনিয়নের কালিরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত নারী মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি সন্তানও প্রসব করেছেন। মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আহত নারীর মা নূরজাহান বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার মেঘনা নদীতে গোলাগুলিতে দুজন নিহতের ঘটনার জেরে আজ সকালে কিবরিয়া পক্ষে আমার ছেলে রাজু সরকারের বাড়িতে হামলা চালায় কানা জহিরের ভাই শাহিন ব্যাপারী ও তার লোকজন। এ সময় গুলিতে আমার ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে আহত হয়। আজকে তাকে ডেলিভারির জন্য হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল।’
পিংকি আক্তার বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সাথে ওদের ঝগড়া। আজকে ওকে দৌড়ায়ে পেছন পেছন আসে শাহিন ও তার লোকজন। এ সময় আমাকে দরজার সামনে পেয়ে গুলি করে দেয়।’
গুলির অভিযোগ অস্বীকার করে জহির ইসলাম ওরফে কানা জহির বলেন, ‘কিবরিয়া মিজির কাছ থেকে বালু ব্যবসার টাকা এনে এলাকায় ভাগ-বাঁটোয়ারা করছিল পিংকির বাবা শাহজাহান সরকার। এ নিয়ে এলাকায় বিতর্কের সৃষ্টি হলে নিজেরাই গুলির নাটক সাজিয়েছে।’
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শৈবাল বসাক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ডান পাশে কোমরের নিচে গুলি ঢুকে অপর পাশ থেকে বের হয়ে গেছে। এ কারণে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।
জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে চেষ্টা চলছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ওসি মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় পিংকির স্বামী মো. সম্রাট বাদী হয়ে কানা জহির ও তার ভাইসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও সাত-আটজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিদের ধরতে চেষ্টা চলছে। পিংকির সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ডেলিভারি করানো হয়। মা ও নবজাতক ভালো আছে।’
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে মেঘনা নদীতে মুন্সিগঞ্জ-চাঁদপুর সীমান্তে বালু উত্তোলন নিয়ে কিবরিয়া মিজি ও কানা জহির গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এতে নিহত হন সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের ভাষানচর এলাকার কামাল ফকিরের পুত্র রাসেল ফকির (৩৩) ও চাঁদপুরের মতলব থানার তুহিন (২৯)।

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলন নিয়ে গোলাগুলিতে দুজন নিহতের ঘটনার পরদিন আবারও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা পিংকি আক্তার (১৯) আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আধারা ইউনিয়নের কালিরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত নারী মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি সন্তানও প্রসব করেছেন। মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আহত নারীর মা নূরজাহান বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার মেঘনা নদীতে গোলাগুলিতে দুজন নিহতের ঘটনার জেরে আজ সকালে কিবরিয়া পক্ষে আমার ছেলে রাজু সরকারের বাড়িতে হামলা চালায় কানা জহিরের ভাই শাহিন ব্যাপারী ও তার লোকজন। এ সময় গুলিতে আমার ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে আহত হয়। আজকে তাকে ডেলিভারির জন্য হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল।’
পিংকি আক্তার বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সাথে ওদের ঝগড়া। আজকে ওকে দৌড়ায়ে পেছন পেছন আসে শাহিন ও তার লোকজন। এ সময় আমাকে দরজার সামনে পেয়ে গুলি করে দেয়।’
গুলির অভিযোগ অস্বীকার করে জহির ইসলাম ওরফে কানা জহির বলেন, ‘কিবরিয়া মিজির কাছ থেকে বালু ব্যবসার টাকা এনে এলাকায় ভাগ-বাঁটোয়ারা করছিল পিংকির বাবা শাহজাহান সরকার। এ নিয়ে এলাকায় বিতর্কের সৃষ্টি হলে নিজেরাই গুলির নাটক সাজিয়েছে।’
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শৈবাল বসাক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ডান পাশে কোমরের নিচে গুলি ঢুকে অপর পাশ থেকে বের হয়ে গেছে। এ কারণে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।
জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে চেষ্টা চলছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ওসি মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় পিংকির স্বামী মো. সম্রাট বাদী হয়ে কানা জহির ও তার ভাইসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও সাত-আটজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিদের ধরতে চেষ্টা চলছে। পিংকির সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ডেলিভারি করানো হয়। মা ও নবজাতক ভালো আছে।’
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে মেঘনা নদীতে মুন্সিগঞ্জ-চাঁদপুর সীমান্তে বালু উত্তোলন নিয়ে কিবরিয়া মিজি ও কানা জহির গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এতে নিহত হন সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের ভাষানচর এলাকার কামাল ফকিরের পুত্র রাসেল ফকির (৩৩) ও চাঁদপুরের মতলব থানার তুহিন (২৯)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে