নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) গাইবান্ধা জেলার দাওয়াহ শাখার প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এন্টি টেররিজম ইউনিটের মিডিয়া কর্মকর্তা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আসলাম খান।
মোহাম্মদ আসলাম খান জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার হওয়া জেএমবিপ্রধানের নাম মো. আফজাল হোসেন ওরফে লিমন (৩৮)। গতকাল বুধবার রাতে নরসিংদীর মাধবদী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। তিনি সাত বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁর বাড়ি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান বলেন, পরোয়ানাভুক্ত আসামি আফজাল হোসেন ওরফে লিমনের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানায় ২০১৬ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গোপনে বৈঠক করার সময় গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে আসামি আফজাল হোসেন লিমন কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি দীর্ঘ সাত বছর যাবৎ নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন। তিনি জঙ্গিবাদের বিস্তার এবং অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
এটিইউর মিডিয়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম খান আরও জানান, আফজাল ২০১৪ সাল থেকে গাইবান্ধা জেলার জেএমবির দাওয়াহ শাখার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি জেএমবির রংপুর বিভাগের সামরিক শাখার প্রধান জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিব গান্ধী এবং দাওয়াহ শাখার প্রধান সাদ ওরফে রতনের একান্ত সহযোগী ছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি চট্টগ্রামে গিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলেন। এন্টি টেররিজম ইউনিট তাঁর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছিল।
আফজাল হোসেন ওরফে লিমনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) গাইবান্ধা জেলার দাওয়াহ শাখার প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এন্টি টেররিজম ইউনিটের মিডিয়া কর্মকর্তা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আসলাম খান।
মোহাম্মদ আসলাম খান জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার হওয়া জেএমবিপ্রধানের নাম মো. আফজাল হোসেন ওরফে লিমন (৩৮)। গতকাল বুধবার রাতে নরসিংদীর মাধবদী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। তিনি সাত বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁর বাড়ি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান বলেন, পরোয়ানাভুক্ত আসামি আফজাল হোসেন ওরফে লিমনের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানায় ২০১৬ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গোপনে বৈঠক করার সময় গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে আসামি আফজাল হোসেন লিমন কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি দীর্ঘ সাত বছর যাবৎ নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন। তিনি জঙ্গিবাদের বিস্তার এবং অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
এটিইউর মিডিয়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম খান আরও জানান, আফজাল ২০১৪ সাল থেকে গাইবান্ধা জেলার জেএমবির দাওয়াহ শাখার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি জেএমবির রংপুর বিভাগের সামরিক শাখার প্রধান জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিব গান্ধী এবং দাওয়াহ শাখার প্রধান সাদ ওরফে রতনের একান্ত সহযোগী ছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি চট্টগ্রামে গিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলেন। এন্টি টেররিজম ইউনিট তাঁর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছিল।
আফজাল হোসেন ওরফে লিমনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাতনামা যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নারানখালী ব্রিজের নিচে ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে নাঈমের প্রাইভেটকারটির। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা নঈমকে প্রাইভেটকার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পুকুর খননে বাধা দেওয়ায় আহমেদ জুবায়ের (২৩) নামের এক তরুণকে হত্যার ঘটনায় বিপ্লব হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ওয়াপদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই সুমন চন্দ্র শেখ আরও বলেন, ওই যুবকের মাথাসহ শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর বলা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে