নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্যের বাসা থেকে চাঁদা আদায়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার জানে আলম অপু ওই টাকা থেকে নিজের অংশ দিয়ে কিনেছেন ৩ লাখ টাকার বেশি মূল্যের একটি মোটরসাইকেল। গ্রেপ্তারের পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকার একটি বাসা থেকে মোটরসাইকেলটি জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পুলিশের দাবি, চাঁদার টাকা ভাগ করে নেওয়ার পর অপু ওই মোটরসাইকেলটি কেনেন। ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের এফজেড-এক্স মডেলের মোটরসাইকেলটির বাজারমূল্য তিন লাখ টাকার বেশি।
অপুকে গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর গোপীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবির একটি দল। সেদিন বিকেলে মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
তালেবুর রহমান বলেন, গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন অপু ও তাঁর সহযোগীরা। ১৭ জুলাই ওই বাসায় গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শাম্মীর স্বামীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা আদায় করে তারা। বাকি ৪০ লাখ টাকা নিতে ১৯ জুলাই আবারও বাসায় গেলে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। এরপর ২৬ জুলাই আবারও দলবল নিয়ে গেলে ভুক্তভোগীরা পুলিশে খবর দেন।
সেই ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করলেও অপু পালিয়ে যায়। অবশেষে তাঁকে গোপীবাগ থেকে পাঠাও মোটরসাইকেলে করে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করে ডিবি। অপু এ ঘটনায় হওয়া মামলার ২ নম্বর আসামি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের পর অপুকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজির টাকায় কেনা মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।
চাঁদাবাজির পুরো ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে অপু ও রিয়াদকে টাকা নেওয়ার সময় দেখা যায়। ডিবি বলছে, ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রাজধানীর গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্যের বাসা থেকে চাঁদা আদায়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার জানে আলম অপু ওই টাকা থেকে নিজের অংশ দিয়ে কিনেছেন ৩ লাখ টাকার বেশি মূল্যের একটি মোটরসাইকেল। গ্রেপ্তারের পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকার একটি বাসা থেকে মোটরসাইকেলটি জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পুলিশের দাবি, চাঁদার টাকা ভাগ করে নেওয়ার পর অপু ওই মোটরসাইকেলটি কেনেন। ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের এফজেড-এক্স মডেলের মোটরসাইকেলটির বাজারমূল্য তিন লাখ টাকার বেশি।
অপুকে গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর গোপীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবির একটি দল। সেদিন বিকেলে মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
তালেবুর রহমান বলেন, গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন অপু ও তাঁর সহযোগীরা। ১৭ জুলাই ওই বাসায় গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শাম্মীর স্বামীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা আদায় করে তারা। বাকি ৪০ লাখ টাকা নিতে ১৯ জুলাই আবারও বাসায় গেলে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। এরপর ২৬ জুলাই আবারও দলবল নিয়ে গেলে ভুক্তভোগীরা পুলিশে খবর দেন।
সেই ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করলেও অপু পালিয়ে যায়। অবশেষে তাঁকে গোপীবাগ থেকে পাঠাও মোটরসাইকেলে করে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করে ডিবি। অপু এ ঘটনায় হওয়া মামলার ২ নম্বর আসামি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের পর অপুকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজির টাকায় কেনা মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।
চাঁদাবাজির পুরো ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে অপু ও রিয়াদকে টাকা নেওয়ার সময় দেখা যায়। ডিবি বলছে, ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪৩ মিনিট আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে