
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন। দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন আয়কর নথি জব্দের আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, হারুন অর রশিদ সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ১৭ কোটি ৫১ হাজার ১৭ হাজার ৮০৬ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রেখে দুদক আইনে অপরাধ করেছেন। এ অভিযোগে এরইমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, হারুন অর রশিদ নিয়মিত আয়কর দাতা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের জন্য তাঁর আয়কর নথি তথা প্রতিবছরের রিটার্ন দাখিল ও অন্যান্য কাগজপত্র সম্পূর্ণভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। আর এজন্য তাঁর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।
গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে এই পুলিশ কর্মকর্তা পলাতক রয়েছেন। এরপর কয়েক দফায় তাঁর ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

‘আমার মা সকালে কাজে গিয়ে দুপুরে ফিরেছিল। আমি মাকে বাড়িতে রেখে বিকেলে ভ্যান চালাতে গিয়েছিলাম। মা সুস্থ ছিল। আমার সঙ্গে কথা বলেছে। রাতে মনিরামপুর বাজারে থাকতেই ফোনে শুনি, আমার মা বেঁচে নেই। তড়িঘড়ি বাড়ি এসে দেখি, মায়ের লাশ বারান্দায় শোয়ানো। থুতনির নিচে কাটা দাগ, রক্ত বের হয়ে আছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে
৯ মিনিট আগে
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ করে শ্যামপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতেন। এঁদের মধ্যে মোহাম্মদ ফোরকানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে ইমরান শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।
১২ মিনিট আগে
অভিযানকালে শটগানের ১৭টি গুলি, চায়না রাইফেলের ৩টি গুলি, ৫ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ৬৮৩টি ইয়াবা, ২ দশমিক ০৪ গ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেটের গুঁড়া,৯টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গারদে বসে আজমেরী ওসমানের পক্ষে ১০ অনুসারীর ভিডিও বার্তা এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তারের পর আসামিদের হাতে মোবাইল ফোন কীভাবে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে...
১ ঘণ্টা আগে