সৌগত বসু, গাজীপুর থেকে

পান-বিড়ি-সিগারেট বিক্রেতা রুস্তুম আলী তাঁর ক্রেতার সঙ্গে ইভিএম নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। কীভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দেবেন তাই নিয়ে দুজনের শলাপরামর্শ চলছিল। একপর্যায়ে ক্রেতা রুস্তুম আলীকে বলেন, ‘তোমার ১০ আঙুলের ছাপ আছে। ওই খান থেকেই ভোট নিয়ে নিবে।’ কিন্তু রুস্তুম আলীর কাছে বিষয়টি একেবারেই নতুন। এর আগে কখনো ইভিএমে ভোট না দেওয়া কিছুতেই তাঁর মাথায় কোনো ধারণা আসছে না।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৮৬ ভোটারের জন্য গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার করবে নির্বাচন কমিশন। ৪৮০টি কেন্দ্রের জন্য মোট ৫ হাজার ২৪৬ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এ জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এটি গাজীপুর সিটি নির্বাচনের তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচনের ভোট। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়েছে গতকাল (মঙ্গলবার) রাত ১২টার পর থেকে। তবে ভোটারদের মধ্যে বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও অশিক্ষিত মানুষের মধ্যে ইভিএম নিয়ে আগ্রহ রয়েছে প্রচুর। নিয়মিত চায়ের আড্ডা বা রাস্তার পাশে দোকানে গল্পে ইভিএমে কীভাবে ভোট দেবে, তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা।
রুস্তুম আলী আজকের পত্রিকাকে জানান, তিনি ২০১৩ সালে ভোট দিয়েছেন। ২০১৮ সালেও ভোট দেওয়া রুস্তুম এত দিন শুধু ব্যালট পেপার সম্পর্কে জানেন। এবার ইভিএমে ভোট হবে। তবে কীভাবে ইভিএমে ভোট দিতে হবে তা জানা নেই তাঁর।
দোকানে পান কিনতে আসা ক্রেতা তাঁর পূর্বপরিচিত। তাই তাঁর কাছ থেকে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি জেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন রুস্তুম। ক্রেতা তাঁকে জানান, ইভিএমে ভোট দেওয়া সহজ। আঙুলের ছাপ দিলেই ভোট হয়। আলাদা করে গুনতে হয় না। নষ্ট হলে আবার নতুন মেশিন দিয়ে দেবে। তবে রুস্তুম কিছুই জানেন না।
শেষ পর্যন্ত রুস্তুম আলীকে বলা হলো ভোট দিতে গেলে ওখানে দায়িত্বে যারা আছেন, তাঁরা তাঁকে শিখিয়ে দেবেন।
রুস্তুম জানান, তাঁর পরিবারের পাঁচজন সদস্য ভোটার। কোনোবারই ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন না তাঁরা। পঞ্চাশোর্ধ্ব রুস্তুমের আশা এবারও ভালোভাবে ভোট দিতে পারবেন। একবার ইভিএমে ভোট দিলে পরের বার আর সমস্যা হবে না তাঁর।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রতিটা কেন্দ্রে প্রয়োজনের দেড়গুণ ইভিএম থাকবে। যেকোনো সময় সমস্যা হলে সেটা সরবরাহ করা হবে।
আগামীকাল নির্বাচনে মেয়র পদে আটজন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৪৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৭৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৯৭টি ভোটকক্ষে ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হবে।

পান-বিড়ি-সিগারেট বিক্রেতা রুস্তুম আলী তাঁর ক্রেতার সঙ্গে ইভিএম নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। কীভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দেবেন তাই নিয়ে দুজনের শলাপরামর্শ চলছিল। একপর্যায়ে ক্রেতা রুস্তুম আলীকে বলেন, ‘তোমার ১০ আঙুলের ছাপ আছে। ওই খান থেকেই ভোট নিয়ে নিবে।’ কিন্তু রুস্তুম আলীর কাছে বিষয়টি একেবারেই নতুন। এর আগে কখনো ইভিএমে ভোট না দেওয়া কিছুতেই তাঁর মাথায় কোনো ধারণা আসছে না।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৮৬ ভোটারের জন্য গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার করবে নির্বাচন কমিশন। ৪৮০টি কেন্দ্রের জন্য মোট ৫ হাজার ২৪৬ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এ জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এটি গাজীপুর সিটি নির্বাচনের তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচনের ভোট। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়েছে গতকাল (মঙ্গলবার) রাত ১২টার পর থেকে। তবে ভোটারদের মধ্যে বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও অশিক্ষিত মানুষের মধ্যে ইভিএম নিয়ে আগ্রহ রয়েছে প্রচুর। নিয়মিত চায়ের আড্ডা বা রাস্তার পাশে দোকানে গল্পে ইভিএমে কীভাবে ভোট দেবে, তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা।
রুস্তুম আলী আজকের পত্রিকাকে জানান, তিনি ২০১৩ সালে ভোট দিয়েছেন। ২০১৮ সালেও ভোট দেওয়া রুস্তুম এত দিন শুধু ব্যালট পেপার সম্পর্কে জানেন। এবার ইভিএমে ভোট হবে। তবে কীভাবে ইভিএমে ভোট দিতে হবে তা জানা নেই তাঁর।
দোকানে পান কিনতে আসা ক্রেতা তাঁর পূর্বপরিচিত। তাই তাঁর কাছ থেকে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি জেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন রুস্তুম। ক্রেতা তাঁকে জানান, ইভিএমে ভোট দেওয়া সহজ। আঙুলের ছাপ দিলেই ভোট হয়। আলাদা করে গুনতে হয় না। নষ্ট হলে আবার নতুন মেশিন দিয়ে দেবে। তবে রুস্তুম কিছুই জানেন না।
শেষ পর্যন্ত রুস্তুম আলীকে বলা হলো ভোট দিতে গেলে ওখানে দায়িত্বে যারা আছেন, তাঁরা তাঁকে শিখিয়ে দেবেন।
রুস্তুম জানান, তাঁর পরিবারের পাঁচজন সদস্য ভোটার। কোনোবারই ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন না তাঁরা। পঞ্চাশোর্ধ্ব রুস্তুমের আশা এবারও ভালোভাবে ভোট দিতে পারবেন। একবার ইভিএমে ভোট দিলে পরের বার আর সমস্যা হবে না তাঁর।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রতিটা কেন্দ্রে প্রয়োজনের দেড়গুণ ইভিএম থাকবে। যেকোনো সময় সমস্যা হলে সেটা সরবরাহ করা হবে।
আগামীকাল নির্বাচনে মেয়র পদে আটজন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৪৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৭৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৯৭টি ভোটকক্ষে ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে