প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জে হরতাল চলাকালে হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন মিলে আলেম ওলামা পরিষদের ব্যানারে দুই ঘন্টাব্যাপী তাণ্ডব চালিয়েছে। ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের অফিস। এ সময় অফিসে থাকা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিসহ প্রয়াত নেতা কর্মীদের ছবিতে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা।
রোববার সকাল থেকেই হরতালকারীরা অবস্থান নেয় জেলা শহরের শহীদী মসজিদ ও নূর মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায়। এ সময় শহরে গাড়ী চলাচল বন্ধ করে দেয় তারা।
বেলা ১২ টার পরপরই হরতাল সমর্থনকারী মাদরাসা ছাত্র লাঠি-সোটা হাতে মিছিল নিয়ে এসে জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। ভাংচুর শেষে অফিসের ভেতরে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা।
পরে পুলিশ এবং আওয়ামী লীগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছলে সংঘর্ষ বাঁধে। কিছুক্ষণের মধ্যেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় শহরের পুরনো থানা, গৌরাঙ্গ বাজারসহ পুরো স্টেশন রোড।
এ সময় পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। আটক করা হয় কয়েকজনকে হরতাল সমর্থনকারীকে। অন্তত দুই ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে পুলিশের।
জেলা আলেম ওলামা পরিষদের সভাপতি শফিকুর রহমান জালালাবাদী আজকের পত্রিকাকে জানান, আমি আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুর করতে নির্দেশ দেইনি। তবে তাদের লোকজন কার নির্দেশে এ তাণ্ডব চালিয়েছে, এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত। আওয়ামীলীগ অফিস ভাংচুরের বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়াও হবে।
জেলা প্রশাসক মো. শামীম আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, হেফাজতসহ হরতাল সমর্থনকারীদের এমন তাণ্ডবের বিষয়টি কিশোরগঞ্জে অপ্রত্যাশিত। এসব বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
কিশোরগঞ্জে হরতাল চলাকালে হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন মিলে আলেম ওলামা পরিষদের ব্যানারে দুই ঘন্টাব্যাপী তাণ্ডব চালিয়েছে। ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের অফিস। এ সময় অফিসে থাকা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিসহ প্রয়াত নেতা কর্মীদের ছবিতে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা।
রোববার সকাল থেকেই হরতালকারীরা অবস্থান নেয় জেলা শহরের শহীদী মসজিদ ও নূর মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায়। এ সময় শহরে গাড়ী চলাচল বন্ধ করে দেয় তারা।
বেলা ১২ টার পরপরই হরতাল সমর্থনকারী মাদরাসা ছাত্র লাঠি-সোটা হাতে মিছিল নিয়ে এসে জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। ভাংচুর শেষে অফিসের ভেতরে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা।
পরে পুলিশ এবং আওয়ামী লীগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছলে সংঘর্ষ বাঁধে। কিছুক্ষণের মধ্যেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় শহরের পুরনো থানা, গৌরাঙ্গ বাজারসহ পুরো স্টেশন রোড।
এ সময় পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। আটক করা হয় কয়েকজনকে হরতাল সমর্থনকারীকে। অন্তত দুই ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে পুলিশের।
জেলা আলেম ওলামা পরিষদের সভাপতি শফিকুর রহমান জালালাবাদী আজকের পত্রিকাকে জানান, আমি আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুর করতে নির্দেশ দেইনি। তবে তাদের লোকজন কার নির্দেশে এ তাণ্ডব চালিয়েছে, এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত। আওয়ামীলীগ অফিস ভাংচুরের বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়াও হবে।
জেলা প্রশাসক মো. শামীম আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, হেফাজতসহ হরতাল সমর্থনকারীদের এমন তাণ্ডবের বিষয়টি কিশোরগঞ্জে অপ্রত্যাশিত। এসব বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
৩৫ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
৩৭ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
৩৯ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে