জাবি প্রতিনিধি

প্রশাসনিক পর্ষদসমূহে নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জাবিসাস) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় কালে এ বিষয়ে কথা বলেন উপাচার্য।
উপাচার্য নূরুল আলম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে গণতান্ত্রিক পরিবেশ জরুরি। এ জন্য ডিন, সিনেট, সিন্ডিকেট, অর্থ কমিটি, ছাত্র সংসদ (জাকসু) এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন নিয়মিত করতে হবে। এসব নির্বাচন আয়োজনে আমাদেরকে সময় দিতে হবে। উপযুক্ত পরিস্থিতিতে নির্বাচন করার জন্য আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকবে।’
সর্বশেষ ২০১৫ সালের অক্টোবরে সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন, ২০১৬ সালের এপ্রিলে ডিন নির্বাচন, একই বছরের জুন মাসে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সিন্ডিকেট সদস্য, অর্থ কমিটি ও শিক্ষা পর্ষদে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন এবং ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সিনেটের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাবিসাসের সভাপতি মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক আবির আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
উপাচার্য আরও বলেন, ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আশা থাকে তারা যেন সমাবর্তনের মাধ্যমে সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে পারে। আমি দ্রুততম সময়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে দল, মত নির্বিশেষে সকলের সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
অধ্যাপক নূরুল আলম বলেন, ‘নির্মাণাধীন ৬টি হলের ভেতর দুইটি হলের কাজ প্রায়ই শেষ। বাকিগুলোর কাজও শিগগিরই শেষ হবে। চেষ্টা করছি অতি দ্রুত এসব হলে নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হল নামকরণের প্রস্তাব দেওয়া হবে। আশা করি তিনি সশরীরে হল উদ্বোধন করতে আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসে আসবেন।’
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের কাজ দ্রুতই শুরু করার আশ্বাস দেন উপাচার্য। এই ধাপে ১০ তলাবিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, নতুন লাইব্রেরি ভবন ও স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।

প্রশাসনিক পর্ষদসমূহে নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জাবিসাস) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় কালে এ বিষয়ে কথা বলেন উপাচার্য।
উপাচার্য নূরুল আলম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে গণতান্ত্রিক পরিবেশ জরুরি। এ জন্য ডিন, সিনেট, সিন্ডিকেট, অর্থ কমিটি, ছাত্র সংসদ (জাকসু) এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন নিয়মিত করতে হবে। এসব নির্বাচন আয়োজনে আমাদেরকে সময় দিতে হবে। উপযুক্ত পরিস্থিতিতে নির্বাচন করার জন্য আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকবে।’
সর্বশেষ ২০১৫ সালের অক্টোবরে সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন, ২০১৬ সালের এপ্রিলে ডিন নির্বাচন, একই বছরের জুন মাসে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সিন্ডিকেট সদস্য, অর্থ কমিটি ও শিক্ষা পর্ষদে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন এবং ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সিনেটের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাবিসাসের সভাপতি মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক আবির আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
উপাচার্য আরও বলেন, ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আশা থাকে তারা যেন সমাবর্তনের মাধ্যমে সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে পারে। আমি দ্রুততম সময়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে দল, মত নির্বিশেষে সকলের সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
অধ্যাপক নূরুল আলম বলেন, ‘নির্মাণাধীন ৬টি হলের ভেতর দুইটি হলের কাজ প্রায়ই শেষ। বাকিগুলোর কাজও শিগগিরই শেষ হবে। চেষ্টা করছি অতি দ্রুত এসব হলে নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হল নামকরণের প্রস্তাব দেওয়া হবে। আশা করি তিনি সশরীরে হল উদ্বোধন করতে আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসে আসবেন।’
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের কাজ দ্রুতই শুরু করার আশ্বাস দেন উপাচার্য। এই ধাপে ১০ তলাবিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, নতুন লাইব্রেরি ভবন ও স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে