
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার পর রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারের সামনে থেকে এই মিছিল শুরু হয়। শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশের মধ্য দিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে দলটির নেতা-কর্মীরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন। এনসিপির যুব শাখা জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অথর্ব, ব্যর্থ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করছি। অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। তাঁর মুখে মিষ্টি মিষ্টি কথা আমরা শুনতে চাই না। তিনি তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি কোন যোগ্যতায়, কোন মুখে এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন, সেটা তাঁকে ব্যাখ্যা করতে হবে।’
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, দেশের প্রশাসনে, মিডিয়ায়, ব্যবসা-বাণিজ্যে, বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগের দোসর এবং সহযোগীরা রয়েছে। তারা এদের (হাদির মতো নেতাদের) হত্যার মত উৎপাদন করছে। আর যদি কোনো এ রকম হত্যার চেষ্টা করা হয়, তাহলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সম্পত্তি জাতীয়ভাবে বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আরিফ সোহেল বলেন, হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে দেয়, বাংলাদেশে এখনো জুলাইয়ের শত্রুরা, সংস্কারের শত্রুরা, ন্যায়বিচারের শত্রুরা সজাগ আছে। দেশে আবারও ওয়ান-ইলেভেন তৈরির পাঁয়তারা চলছে। আধিপত্যবাদবিরোধী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বিক্ষোভ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, জাতীয় যুবশক্তির সদস্যসচিব ডা. জাহিদুল ইসলাম, জাতীয় শ্রমিকশক্তির সদস্যসচিব ঋআজ মোর্শেদ প্রমুখ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে