নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো কার্যালয় (দক্ষিণ) অঞ্চল অভিযান চালিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা মূল্যের মাদক ক্রিস্টাল মেথ বা আইস জব্দ করেছে। এ সময় ইয়াবা ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপপরিচালক মো. মাসুদ হোসেন এ তথ্য জানান।
মাসুদ হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটনের রামপুরা, ভাটারা থানা, খিলগাঁও থানা ও সবুজবাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই মাদক উদ্ধার করা হয়। প্রথমে রামপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. শিপন নামের একজনকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রযুক্তির সাহায্যে যাচাই করে ভাটারা থানার জোয়ার সাহারা এলাকা থেকে ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ২ গ্রাম আইসসহ (ক্রিস্টাল মেথ) তরঙ্গ যোসেফ কস্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে টেকনাফভিত্তিক একটি আইস (ক্রিস্টাল মেথ) সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া যায়। সিন্ডিকেটের মূল হোতাকে গ্রেপ্তারের জন্য ভাটারা, খিলগাঁও ও সবুজবাগ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে প্রাপ্ত সব তথ্য যাচাই করে খিলগাঁও থানার ৪৬৮, পূর্ব গোড়ান ‘কাবার ছায়া’ নামের ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে ৪০৫ গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ), ২২০০ পিস ইয়াবা এবং একটি পিস্তলসহ (৭.৬২ বোর) মাসওয়া আকবর খান সায়েমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সায়েম জানিয়েছেন, টেকনাফের ফয়েজ নামের এক মাদক চোরাকারবারির কাছ থেকে তিনি নিজেই আইস মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা টেকনাফকেন্দ্রিক মাদক চোরাকারবারি চক্রের সক্রিয় সদস্য। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত আছে।’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো কার্যালয় (দক্ষিণ) অঞ্চল অভিযান চালিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা মূল্যের মাদক ক্রিস্টাল মেথ বা আইস জব্দ করেছে। এ সময় ইয়াবা ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপপরিচালক মো. মাসুদ হোসেন এ তথ্য জানান।
মাসুদ হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটনের রামপুরা, ভাটারা থানা, খিলগাঁও থানা ও সবুজবাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই মাদক উদ্ধার করা হয়। প্রথমে রামপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. শিপন নামের একজনকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রযুক্তির সাহায্যে যাচাই করে ভাটারা থানার জোয়ার সাহারা এলাকা থেকে ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ২ গ্রাম আইসসহ (ক্রিস্টাল মেথ) তরঙ্গ যোসেফ কস্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে টেকনাফভিত্তিক একটি আইস (ক্রিস্টাল মেথ) সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া যায়। সিন্ডিকেটের মূল হোতাকে গ্রেপ্তারের জন্য ভাটারা, খিলগাঁও ও সবুজবাগ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে প্রাপ্ত সব তথ্য যাচাই করে খিলগাঁও থানার ৪৬৮, পূর্ব গোড়ান ‘কাবার ছায়া’ নামের ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে ৪০৫ গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ), ২২০০ পিস ইয়াবা এবং একটি পিস্তলসহ (৭.৬২ বোর) মাসওয়া আকবর খান সায়েমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সায়েম জানিয়েছেন, টেকনাফের ফয়েজ নামের এক মাদক চোরাকারবারির কাছ থেকে তিনি নিজেই আইস মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা টেকনাফকেন্দ্রিক মাদক চোরাকারবারি চক্রের সক্রিয় সদস্য। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত আছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে