রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর পাংশায় বৃষ্টির সঙ্গে বিশাল একটি শিল পড়েছে। আজ শনিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরের পাশে চান্দুর মোড় এলাকায় বৃষ্টির সময় শিলাটি পড়ে বলে জানান স্থানীয়রা। মুহূর্তের মধ্যে সেই শিলার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী মুদি দোকানদার হালিম বিশ্বাস বলেন, ‘বিকেলে ঝড়-বৃষ্টির সাথে শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ আমার দোকানের পাশে বিশাল বড় একটি শিল পড়ে। বৃষ্টি কমার পর হাতে নিয়ে অনুমান করি ওজন হবে পাঁচ কেজি।’
পথচারী অশোক কুমার শীল বলেন, ‘ঝড়বৃষ্টি থামার পর এখানে এসে শুনি বড় একটি শিল পড়েছে। শিলটি দেখার পরও বিশ্বাস করতে পারছি না এত বড় শিল পড়তে পারে!’
স্থানীয় সাংবাদিক মো. আল-আমিন হোসেন বলেন, ‘এত বড় শিল আমি জীবনেও দেখি নাই। আজই প্রথম দেখলাম। বৃষ্টি শেষে প্রেসক্লাব থেকে হইচই শুনতে পাই। এসে দেখি হালিম বিশ্বাস বড় একটি শিল হাতে ধরে দাঁড়িয়ে আছে।’
আল-আমিন হোসেন আরও বলেন, ‘শিলটি পড়ে ভেঙে যাওয়ার পরও তিন চার কেজি ওজন হবে। এক নজর শিলটি দেখার জন্য স্থানীয়রা ভিড় করছে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি আমি শোনার পর আমাদের কয়েকজনকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তাঁরা এলেই বোঝা যাবে ঘটনাটি।’
রতন কুমার ঘোষ আরও বলেন, ‘শিলাটির ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেখেছি। তবে শিলার আকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এটা শিলা না। দেখতে মনে হচ্ছে বরফ কলে তৈরি বরফের মতো। এরপরও আমাদের প্রতিনিধি দল আসলেই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া যাবে।’
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, ‘পাঁচ কেজি ওজনের শিলা পড়েছে এমন খবর আমিও পেয়েছি। তবে এটার সত্যতা এখনো পাইনি।’
উল্লেখ্য, শিলা আকারে বড় হলেও সাধারণত ওজন অত বেশি হয় না। নথিবদ্ধ ইতিহাসে বিশ্বে সবচেয়ে বড় শিলাটি পড়েছিল বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে জেলায়। ১৯৮৬ সালের কোনো একদিন ভয়াবহ শিলাবৃষ্টির মধ্যে ওই শিলাটি পড়েছিল, এর ওজন ছিল ১ দশমিক ০২ কেজি।

রাজবাড়ীর পাংশায় বৃষ্টির সঙ্গে বিশাল একটি শিল পড়েছে। আজ শনিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরের পাশে চান্দুর মোড় এলাকায় বৃষ্টির সময় শিলাটি পড়ে বলে জানান স্থানীয়রা। মুহূর্তের মধ্যে সেই শিলার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী মুদি দোকানদার হালিম বিশ্বাস বলেন, ‘বিকেলে ঝড়-বৃষ্টির সাথে শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ আমার দোকানের পাশে বিশাল বড় একটি শিল পড়ে। বৃষ্টি কমার পর হাতে নিয়ে অনুমান করি ওজন হবে পাঁচ কেজি।’
পথচারী অশোক কুমার শীল বলেন, ‘ঝড়বৃষ্টি থামার পর এখানে এসে শুনি বড় একটি শিল পড়েছে। শিলটি দেখার পরও বিশ্বাস করতে পারছি না এত বড় শিল পড়তে পারে!’
স্থানীয় সাংবাদিক মো. আল-আমিন হোসেন বলেন, ‘এত বড় শিল আমি জীবনেও দেখি নাই। আজই প্রথম দেখলাম। বৃষ্টি শেষে প্রেসক্লাব থেকে হইচই শুনতে পাই। এসে দেখি হালিম বিশ্বাস বড় একটি শিল হাতে ধরে দাঁড়িয়ে আছে।’
আল-আমিন হোসেন আরও বলেন, ‘শিলটি পড়ে ভেঙে যাওয়ার পরও তিন চার কেজি ওজন হবে। এক নজর শিলটি দেখার জন্য স্থানীয়রা ভিড় করছে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি আমি শোনার পর আমাদের কয়েকজনকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তাঁরা এলেই বোঝা যাবে ঘটনাটি।’
রতন কুমার ঘোষ আরও বলেন, ‘শিলাটির ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেখেছি। তবে শিলার আকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এটা শিলা না। দেখতে মনে হচ্ছে বরফ কলে তৈরি বরফের মতো। এরপরও আমাদের প্রতিনিধি দল আসলেই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া যাবে।’
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, ‘পাঁচ কেজি ওজনের শিলা পড়েছে এমন খবর আমিও পেয়েছি। তবে এটার সত্যতা এখনো পাইনি।’
উল্লেখ্য, শিলা আকারে বড় হলেও সাধারণত ওজন অত বেশি হয় না। নথিবদ্ধ ইতিহাসে বিশ্বে সবচেয়ে বড় শিলাটি পড়েছিল বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে জেলায়। ১৯৮৬ সালের কোনো একদিন ভয়াবহ শিলাবৃষ্টির মধ্যে ওই শিলাটি পড়েছিল, এর ওজন ছিল ১ দশমিক ০২ কেজি।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
৩ ঘণ্টা আগে