
রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র।
নিকুঞ্জ-১-এর লেক ড্রাইভ সড়কের এ ঘটনা সম্পর্কে ভুক্তভোগী মুনতাসির রহমান তাহমিদের (১৩) বাবা মুকুল হোসেন মৃদা জানান, বিকেলে হাঁটার সময় পেছন দিক থেকে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাঁর ছেলের কাছে আসে। একপর্যায়ে তারা তার নাকে টিস্যু পেপারের মতো কিছু একটা চেপে ধরে। মুহূর্তের মধ্যে তাহমিদ অচেতন হয়ে পড়ে। প্রায় ৪০ মিনিট পর সে নিজেকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে। এরপর আশপাশের লোকজনের সহায়তায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে তাহমিদ।
এ বিষয়ে খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি জেনেছি। তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে