আজকের পত্রিকা ডেস্ক

তিন দিনের পুলিশি রিমান্ড শেষে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে ইমরুল কায়েস ফয়সাল নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গত ৩০ অক্টোবর তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেলে নওগাঁ-১ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম।
শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করা হয়। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একই সঙ্গে আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারাবিধি অনুযায়ী সাবেক এই মন্ত্রীকে চিকিৎসা দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়। ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছেন বলে সাধন চন্দ্র মৌখিকভাবে স্বীকার করেছেন। তবে তিনি একেক সময় একেক ধরনের কথা বলছেন। আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা বললেও তিনি তা কৌশলে এড়িয়ে গেছেন এবং জবানবন্দি দিতে অনিচ্ছা পোষণ করেছেন। পাশাপাশি সাধন চন্দ্রের নাম ঠিকানা যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলেও আবেদনে উল্লেখ করেছে পুলিশ।
সেখানে আরও বলা হয়, আসামি এজাহারে বর্নিত সহিংস ঘটনার বিষয়ে এবং মামলার ভিকটিমকে হত্যার চেষ্টার ঘটনার বিষয়ে জানতেন। তিনি এই ঘটনায় পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পলাতক হওয়াসহ মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটবে। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে মামলার তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
গত ৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সাধন চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ। পরদিন ৪ অক্টোবর ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন আহমেদ রূপকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার আদালত।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট মোহাম্মদপুর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন ইমরুল কায়েস ফয়সাল। তিনি সুস্থ হওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

তিন দিনের পুলিশি রিমান্ড শেষে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে ইমরুল কায়েস ফয়সাল নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গত ৩০ অক্টোবর তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেলে নওগাঁ-১ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম।
শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করা হয়। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একই সঙ্গে আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারাবিধি অনুযায়ী সাবেক এই মন্ত্রীকে চিকিৎসা দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়। ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছেন বলে সাধন চন্দ্র মৌখিকভাবে স্বীকার করেছেন। তবে তিনি একেক সময় একেক ধরনের কথা বলছেন। আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা বললেও তিনি তা কৌশলে এড়িয়ে গেছেন এবং জবানবন্দি দিতে অনিচ্ছা পোষণ করেছেন। পাশাপাশি সাধন চন্দ্রের নাম ঠিকানা যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলেও আবেদনে উল্লেখ করেছে পুলিশ।
সেখানে আরও বলা হয়, আসামি এজাহারে বর্নিত সহিংস ঘটনার বিষয়ে এবং মামলার ভিকটিমকে হত্যার চেষ্টার ঘটনার বিষয়ে জানতেন। তিনি এই ঘটনায় পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পলাতক হওয়াসহ মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটবে। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে মামলার তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
গত ৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সাধন চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ। পরদিন ৪ অক্টোবর ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন আহমেদ রূপকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার আদালত।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট মোহাম্মদপুর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন ইমরুল কায়েস ফয়সাল। তিনি সুস্থ হওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
১ ঘণ্টা আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
১ ঘণ্টা আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
২ ঘণ্টা আগে