নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

ধারণক্ষমতার চার গুণ বন্দী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে। তবে আসন সংকুলান নিয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে দাবি কারা কর্তৃপক্ষের। জামিনে বেরিয়ে আসা আসামিদের ভাষ্য, বন্দীরা ঘুমানো, গোসলসহ বিভিন্ন কাজে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন।
জেলা কারা সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ কারাগারে নারী-পুরুষসহ মোট বন্দীর ধারণক্ষমতা ৫৪০ জন। এর মধ্যে নারীদের জন্য ৩০ ও পুরুষদের জন্য ৫১০ জনের ধারণক্ষমতা রাখা হয়েছে ওয়ার্ডগুলোতে। কিন্তু বর্তমানে ২ হাজার ২২৫ জন বন্দী রয়েছেন কারাগারে। তাঁদের মধ্যে নারী ৮৯ জন ও পুরুষ ২ হাজার ১৩৬ জন। এ ছাড়া হাসপাতাল বেড আছে ২০টি।
আজ মঙ্গলবার রাতে কারাগারের ডেপুটি জেলার সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। বাড়তি বন্দীদের স্থান সংকুলান কীভাবে হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের তেমন সমস্যা হচ্ছে না। সম্প্রতি কারাগারে ৬ তলা একটি বন্দী ব্যারাক ও ৬ তলা সেল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সেই কারণে বন্দীদের সেভাবে কষ্ট হচ্ছে না। যাঁরা বন্দী আছেন, তাঁরা ভালোভাবেই থাকতে পারছেন।’
তবে বন্দীদের বিষয়ে জানান কারাবাস করে আসা মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কারাগারে ধারণক্ষমতার বেশি বন্দী থাকায় কী পরিমাণ যে কষ্ট হচ্ছে, তা বলার বাইরে। আমি রাজনৈতিক মামলায় দুই মাস আগে কারাগারে ছিলাম। সে সময় দেখেছি, বন্দীরা এক কাত হয়ে ঘুমায়। ইলিশ ফাইলের মতো (ইলিশ মাছ যেভাবে সংরক্ষণ করা হয়)। এখন তো আরও বন্দী বেড়েছে। তাঁদের অবস্থা শোচনীয়। বন্দীদের জন্য সরকারি খাবার খুব কষ্ট করে খেতে হয়। আর ক্যানটিনের খাবারের দাম কয়েক গুণ বেশি। এগুলো সাধারণ বন্দীদের পক্ষে কিনে খাওয়া সম্ভব না।’
সাগর আরও বলেন, ‘বন্দীদের জন্য সরকারিভাবে সাবান, কম্বল দেওয়ার নিয়ম আছে। কিন্তু সেগুলোও পাওয়া যায় না। ওয়ার্ড ও সেলগুলোতে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় সিট-বাণিজ্য চলে। রাজনৈতিক মামলার আসামি হলে এই বাণিজ্য আরও বেড়ে যায়। মোটকথা, মানবাধিকার বলতে কিছুই থাকে না।’
সম্প্রতি জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘২৮ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ১৫টি মামলায় মোট ২৫৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।’ তাঁর সেই ব্রিফিংয়ের পর আরও বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন পুলিশের হাতে। যাঁরা সবাই নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী।
২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার চালু হয়। কারাগারটি মোট ১৩ একর জায়গার ওপর নির্মিত। এর মধ্যে ৮ একর জায়গা কারা অভ্যন্তরে ও ৫ একর কারাগারের বাইরে।

ধারণক্ষমতার চার গুণ বন্দী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে। তবে আসন সংকুলান নিয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে দাবি কারা কর্তৃপক্ষের। জামিনে বেরিয়ে আসা আসামিদের ভাষ্য, বন্দীরা ঘুমানো, গোসলসহ বিভিন্ন কাজে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন।
জেলা কারা সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ কারাগারে নারী-পুরুষসহ মোট বন্দীর ধারণক্ষমতা ৫৪০ জন। এর মধ্যে নারীদের জন্য ৩০ ও পুরুষদের জন্য ৫১০ জনের ধারণক্ষমতা রাখা হয়েছে ওয়ার্ডগুলোতে। কিন্তু বর্তমানে ২ হাজার ২২৫ জন বন্দী রয়েছেন কারাগারে। তাঁদের মধ্যে নারী ৮৯ জন ও পুরুষ ২ হাজার ১৩৬ জন। এ ছাড়া হাসপাতাল বেড আছে ২০টি।
আজ মঙ্গলবার রাতে কারাগারের ডেপুটি জেলার সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। বাড়তি বন্দীদের স্থান সংকুলান কীভাবে হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের তেমন সমস্যা হচ্ছে না। সম্প্রতি কারাগারে ৬ তলা একটি বন্দী ব্যারাক ও ৬ তলা সেল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সেই কারণে বন্দীদের সেভাবে কষ্ট হচ্ছে না। যাঁরা বন্দী আছেন, তাঁরা ভালোভাবেই থাকতে পারছেন।’
তবে বন্দীদের বিষয়ে জানান কারাবাস করে আসা মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কারাগারে ধারণক্ষমতার বেশি বন্দী থাকায় কী পরিমাণ যে কষ্ট হচ্ছে, তা বলার বাইরে। আমি রাজনৈতিক মামলায় দুই মাস আগে কারাগারে ছিলাম। সে সময় দেখেছি, বন্দীরা এক কাত হয়ে ঘুমায়। ইলিশ ফাইলের মতো (ইলিশ মাছ যেভাবে সংরক্ষণ করা হয়)। এখন তো আরও বন্দী বেড়েছে। তাঁদের অবস্থা শোচনীয়। বন্দীদের জন্য সরকারি খাবার খুব কষ্ট করে খেতে হয়। আর ক্যানটিনের খাবারের দাম কয়েক গুণ বেশি। এগুলো সাধারণ বন্দীদের পক্ষে কিনে খাওয়া সম্ভব না।’
সাগর আরও বলেন, ‘বন্দীদের জন্য সরকারিভাবে সাবান, কম্বল দেওয়ার নিয়ম আছে। কিন্তু সেগুলোও পাওয়া যায় না। ওয়ার্ড ও সেলগুলোতে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় সিট-বাণিজ্য চলে। রাজনৈতিক মামলার আসামি হলে এই বাণিজ্য আরও বেড়ে যায়। মোটকথা, মানবাধিকার বলতে কিছুই থাকে না।’
সম্প্রতি জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘২৮ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ১৫টি মামলায় মোট ২৫৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।’ তাঁর সেই ব্রিফিংয়ের পর আরও বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন পুলিশের হাতে। যাঁরা সবাই নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী।
২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার চালু হয়। কারাগারটি মোট ১৩ একর জায়গার ওপর নির্মিত। এর মধ্যে ৮ একর জায়গা কারা অভ্যন্তরে ও ৫ একর কারাগারের বাইরে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
২ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৩ ঘণ্টা আগে