Ajker Patrika

‘আমিও মরব, তোদেরও মারব’ বলে শরীরে আগুন দেওয়া ইমনের মৃত্যু

ঢামেক প্রতিবেদক
‘আমিও মরব, তোদেরও মারব’ বলে শরীরে আগুন দেওয়া ইমনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সূত্রাপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ পাঁচজনের একজন সৌদি আরবপ্রবাসী ইমন (২৫) মারা গেছেন। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ। তিনি বলেন, ইমনের শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

ডা. সুলতান মাহমুদ আরও জানান, সিদ্দিকের শরীরের ৩৫ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ, আরিফের ৮ শতাংশ ও তানিয়ার ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁরা ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন।

গতকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সূত্রাপুরের শ্যামবাজার চামাকাটুলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন সিদ্দিক ব্যাপারী (৬০), তাঁর ছেলে ইমন (২৬), ভাতিজা রাজিব (৩৮), ভাগনে আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) ও ভাগনি তানিয়া আক্তার (২০)।

আরিফুর রহমান ধলুর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, শ্যামবাজারের চামাকাটুলিতে তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি। দগ্ধ ব্যক্তিরা সবাই পাশাপাশি থাকেন। ইমন সৌদি আরবপ্রবাসী ছিলেন। রাজিব ন্যাশনাল হাসপাতালে মেকানিকের কাজ করেন, ধলু বিদ্যুতের মিস্ত্রি এবং তানিয়া পুরান ঢাকার উইমেন্স কলেজে অনার্সে পড়েন।

সোনিয়া আক্তার বলেন, শনিবার ইমনের বোন সুলতানা বাসার সামনে ময়লা পানি জমিয়ে রাখেন। তানিয়া তাঁকে পানি পরিষ্কার করতে বললে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সুলতানা তাঁর সৌদি আরবপ্রবাসী ভাই ইমনকে বিষয়টি জানান।

ইমন গত শুক্রবার দেশে ফিরেছিলেন। এ ঘটনার পর বিকেলে ইমন সবাইকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমিও মরব, তোদেরও মারব।’ এরপর তিনি নিজের গায়ে পেট্রল ঢালেন এবং অন্যদের শরীরে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে সবাই দগ্ধ হন। পরে তাঁদের বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত