নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা, এই যে আন্তরিকতা, এই লাভের গুড় পিঁপড়ায় খেয়ে ফেলে। সেটি হচ্ছে ডিজি কিংবা মন্ত্রণালয়কেন্দ্রিক বদলি-বাণিজ্যের তদবির আর ট্রেনিংয়ের একটা সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেটটা ভাঙা দরকার।’
আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বিল–২০২৪’ এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
পঙ্কজ নাথ বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক শিক্ষাকে একেবারেই তৃণমূল পর্যায়ে শিশুদের যোগ্য করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী সাধ্যের সবটুকু ঢেলে দিয়েছেন। তিনি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করেছেন, যেই গ্রামে বিদ্যালয় নেই, সেটি খুঁজে বের করে আমাদের চরাঞ্চলে স্কুল দিয়েছেন, প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছেন। সন্তানকে স্কুলে পাঠানো মায়ের মোবাইল অ্যাকাউন্টে নীরবে গোপনে মাসে দেড় শ টাকা চলে যায়, সেটিও প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। শিক্ষার প্রতি তার যে অনুরাগ, তার বহিঃপ্রকাশ এটি।’
পঙ্কজ নাথ বলেন, ‘অনলাইনে বদলির আবেদনের কথা বললেও ম্যানুয়ালি যে বদলিগুলো হচ্ছে, সেই ডিজি ও মন্ত্রণালয় কেন্দ্রিক তদবিরটা বন্ধ করতে হবে। ঢাকায় এসে তদবির করে বদলি হয়ে যায়, এই বদলির আরজিটা বন্ধ করতে না পারলে লাভের গুড় পিঁপড় খাবে। প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা ধ্বংস করে ফেলেছে এই দুর্নীতিবাজরা আর শিক্ষকেরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি গ্রামের মানুষ; আমার চরে কেউ থাকতে চান না। এক বছরের বেশি রাখতেই পারি না। সেই বদলিটা যেন যত্রতত্র না হয়।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, দক্ষ ও পরিশ্রমী শিক্ষকদের প্রণোদনা দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটা উপজেলায় একটি করে আবাসিক প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা, এই যে আন্তরিকতা, এই লাভের গুড় পিঁপড়ায় খেয়ে ফেলে। সেটি হচ্ছে ডিজি কিংবা মন্ত্রণালয়কেন্দ্রিক বদলি-বাণিজ্যের তদবির আর ট্রেনিংয়ের একটা সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেটটা ভাঙা দরকার।’
আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বিল–২০২৪’ এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
পঙ্কজ নাথ বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক শিক্ষাকে একেবারেই তৃণমূল পর্যায়ে শিশুদের যোগ্য করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী সাধ্যের সবটুকু ঢেলে দিয়েছেন। তিনি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করেছেন, যেই গ্রামে বিদ্যালয় নেই, সেটি খুঁজে বের করে আমাদের চরাঞ্চলে স্কুল দিয়েছেন, প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছেন। সন্তানকে স্কুলে পাঠানো মায়ের মোবাইল অ্যাকাউন্টে নীরবে গোপনে মাসে দেড় শ টাকা চলে যায়, সেটিও প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। শিক্ষার প্রতি তার যে অনুরাগ, তার বহিঃপ্রকাশ এটি।’
পঙ্কজ নাথ বলেন, ‘অনলাইনে বদলির আবেদনের কথা বললেও ম্যানুয়ালি যে বদলিগুলো হচ্ছে, সেই ডিজি ও মন্ত্রণালয় কেন্দ্রিক তদবিরটা বন্ধ করতে হবে। ঢাকায় এসে তদবির করে বদলি হয়ে যায়, এই বদলির আরজিটা বন্ধ করতে না পারলে লাভের গুড় পিঁপড় খাবে। প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা ধ্বংস করে ফেলেছে এই দুর্নীতিবাজরা আর শিক্ষকেরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি গ্রামের মানুষ; আমার চরে কেউ থাকতে চান না। এক বছরের বেশি রাখতেই পারি না। সেই বদলিটা যেন যত্রতত্র না হয়।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, দক্ষ ও পরিশ্রমী শিক্ষকদের প্রণোদনা দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটা উপজেলায় একটি করে আবাসিক প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে