
একটি জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি হয় মূলত তার প্রাথমিক শিক্ষার মজবুত কাঠামোর ওপর। কাগজ-কলমে বাংলাদেশে শিক্ষার হার আগের চেয়ে বাড়লেও শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ঠিকই রয়ে গেছে। আর এই সংকটের পেছনে রয়েছে এক নির্মম সত্য।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ, কাগজপত্র ও ডকুমেন্টস যাচাইয়ে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, ‘প্রশিক্ষণ না দিয়ে আমরা কাউকে ক্লাসরুমে ঢোকাব না। এই সিদ্ধান্তের কারণে সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে মিছিলও করেছেন। কিন্তু আমরা আমাদের অবস্থানে অনড় রয়েছি।’

এটি একটি পাইলট কর্মসূচি, যা জুলাই থেকে শুরু হবে। প্রথমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বাস্তবায়ন করা হবে। ধাপে ধাপে সারা দেশের আটটি বিভাগে সম্প্রসারণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো হবে। পরে মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ি প্রতিষ্ঠানও এর আওতায় আসবে...