নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টিএনজেড গ্রুপের অ্যাপারেলস ইকো লিমিটেডের গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে দাবি করে শ্রম উপদেষ্টা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সঠিক নয়। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সামনে টিএনজেড গ্রুপের শ্রমিক-কর্মচারীবৃন্দের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকনেতারা এ মন্তব্য করেন। শ্রমিকেরা বলেন, উপদেষ্টার এই বক্তব্য মিথ্যা তথ্যে ভরপুর। সামান্য টাকা পরিশোধ করে শ্রমিকদের মধ্যে বিভেদ তৈরির চক্রান্ত করা হয়েছে।
শ্রমিক-কর্মচারীদের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টিএনজেড গ্রুপ শ্রমিকনেতা শহীদুল ইসলাম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন টিএনজেড অ্যাপারেলস ইকো প্লাস লিমিটেডের শিউলি, আল আমীন, শাহীন আলম ও টিএনজেড অ্যাপারেলস লিমিটেডের সীমা প্রমুখ।
বেতন-বোনাস আদায়ে গতকাল বিকেল ৪টায় বিজয়নগরে খালি বাসন হাতে ‘ভুখা মিছিল’ করা হয়। এ কর্মসূচি থেকে দাবি আদায়ে আজ শনিবার রাজধানীতে গণমিছিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘শ্রম উপদেষ্টা গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে দেশবাসীকে জানিয়েছেন, মালিকের গাড়ি বিক্রি করে অ্যাপারেলস ইকো প্লাস লিমিটেডের শ্রমিকদের সব টাকা পরিশোধ করা হয়েছে—এটি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। শ্রম ভবনের নিচে আমরা পাঁচ দিন ধরে তিনটি কারখানার শ্রমিকেরা বেতন-বোনাসের দাবিতে আন্দোলন করছি। অথচ উপদেষ্টা একটি কারখানার নাম উল্লেখ করলেন।’ তিনি দেশবাসীকে জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে মালিকের গাড়ি বিক্রি করে আমাদের পাওনা দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, গাড়ির দাম কত? শ্রমিকের পাওনা কত?’
শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘অ্যাপারেলস ইকো প্লাস কারখানার চার মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে শুধু জানুয়ারি মাসের ৮০ শতাংশ টাকা দিয়ে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে—সব দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা শ্রম উপদেষ্টার কাছে জানতে চাই, টিএনজেড গ্রুপের তিন কারখানার মধ্যে বাকি দুটি কারখানার নাম কেন গোপন করা হলো? গাড়ি বিক্রির টাকা দিয়ে ৩ হাজার শ্রমিকের তিন মাসের বেতন এবং বোনাস কীভাবে দিলেন?’
শ্রমিকদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, টিএনজেড অ্যাপারেলস লি. (২১০০ শ্রমিক): ফেব্রুয়ারি-মার্চ বেতনসহ ঈদ বোনাস বাবদ ৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বকেয়া। অ্যাপারেলস ইকো প্লাস (৮২৬ শ্রমিক): মোট ৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পাওনা, যার মধ্যে মাত্র ১ কোটি ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। অ্যাপারেলস আর্ট লিমিটেড (২৪০ শ্রমিক): ডিসেম্বর-মার্চ মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস বাবদ ২ কোটি ৪ লাখ টাকা বকেয়া।
শ্রমিকদের কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অধিকার ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা। তাঁরা হলেন, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, গার্মেন্টস ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি মন্টু ঘোষ, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য ইকবাল কবির, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু এবং সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ, গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সত্যজিৎ বিশ্বাস, গার্মেন্টস-টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শামীম ইমাম প্রমুখ।

টিএনজেড গ্রুপের অ্যাপারেলস ইকো লিমিটেডের গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে দাবি করে শ্রম উপদেষ্টা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সঠিক নয়। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সামনে টিএনজেড গ্রুপের শ্রমিক-কর্মচারীবৃন্দের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকনেতারা এ মন্তব্য করেন। শ্রমিকেরা বলেন, উপদেষ্টার এই বক্তব্য মিথ্যা তথ্যে ভরপুর। সামান্য টাকা পরিশোধ করে শ্রমিকদের মধ্যে বিভেদ তৈরির চক্রান্ত করা হয়েছে।
শ্রমিক-কর্মচারীদের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টিএনজেড গ্রুপ শ্রমিকনেতা শহীদুল ইসলাম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন টিএনজেড অ্যাপারেলস ইকো প্লাস লিমিটেডের শিউলি, আল আমীন, শাহীন আলম ও টিএনজেড অ্যাপারেলস লিমিটেডের সীমা প্রমুখ।
বেতন-বোনাস আদায়ে গতকাল বিকেল ৪টায় বিজয়নগরে খালি বাসন হাতে ‘ভুখা মিছিল’ করা হয়। এ কর্মসূচি থেকে দাবি আদায়ে আজ শনিবার রাজধানীতে গণমিছিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘শ্রম উপদেষ্টা গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে দেশবাসীকে জানিয়েছেন, মালিকের গাড়ি বিক্রি করে অ্যাপারেলস ইকো প্লাস লিমিটেডের শ্রমিকদের সব টাকা পরিশোধ করা হয়েছে—এটি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। শ্রম ভবনের নিচে আমরা পাঁচ দিন ধরে তিনটি কারখানার শ্রমিকেরা বেতন-বোনাসের দাবিতে আন্দোলন করছি। অথচ উপদেষ্টা একটি কারখানার নাম উল্লেখ করলেন।’ তিনি দেশবাসীকে জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে মালিকের গাড়ি বিক্রি করে আমাদের পাওনা দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, গাড়ির দাম কত? শ্রমিকের পাওনা কত?’
শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘অ্যাপারেলস ইকো প্লাস কারখানার চার মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে শুধু জানুয়ারি মাসের ৮০ শতাংশ টাকা দিয়ে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে—সব দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা শ্রম উপদেষ্টার কাছে জানতে চাই, টিএনজেড গ্রুপের তিন কারখানার মধ্যে বাকি দুটি কারখানার নাম কেন গোপন করা হলো? গাড়ি বিক্রির টাকা দিয়ে ৩ হাজার শ্রমিকের তিন মাসের বেতন এবং বোনাস কীভাবে দিলেন?’
শ্রমিকদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, টিএনজেড অ্যাপারেলস লি. (২১০০ শ্রমিক): ফেব্রুয়ারি-মার্চ বেতনসহ ঈদ বোনাস বাবদ ৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বকেয়া। অ্যাপারেলস ইকো প্লাস (৮২৬ শ্রমিক): মোট ৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পাওনা, যার মধ্যে মাত্র ১ কোটি ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। অ্যাপারেলস আর্ট লিমিটেড (২৪০ শ্রমিক): ডিসেম্বর-মার্চ মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস বাবদ ২ কোটি ৪ লাখ টাকা বকেয়া।
শ্রমিকদের কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অধিকার ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা। তাঁরা হলেন, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, গার্মেন্টস ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি মন্টু ঘোষ, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য ইকবাল কবির, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু এবং সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ, গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সত্যজিৎ বিশ্বাস, গার্মেন্টস-টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শামীম ইমাম প্রমুখ।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
৩৮ মিনিট আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
২ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
২ ঘণ্টা আগে