
এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলমের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে থাকা ৮১৩৩ কোটি ৫৬ লাখ ৭২ হাজার ৭১১ টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে সংস্থাটির উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক এ আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, সাইপ্রাস ও অন্যান্য দেশে এক বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখার অভিযানকালে অনেক সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাঁর শেয়ার রয়েছে। যার মূল্য ৮১৩৩ কোটি ৫৬ লাখ ৭২ হাজার ৭১১ টাকা। শেয়ারগুলো অবরুদ্ধের আদেশ না দেওয়া হলে অন্যত্র স্থানান্তরের আশঙ্কা রয়েছে।
গত ১৪ জানুয়ারি এস আলমের কর্ণধার সাইফুল আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ২০০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও ৮৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন একই আদালত।
এর আগে গত বছরের ৭ অক্টোবর সাইফুল আলম, তাঁর স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং তাঁর পরিবারের ১১ সদস্যের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আদালত।
গত ৩০ জানুয়ারি এস আলমের ৩৬৮ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়। পরে গত ১২ ফেব্রুয়ারি আরও পাঁচ হাজার কোটি টাকার শেয়ার ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়।

ঢাকা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রশাসনিক কাঠামোতে রদবদল করা হয়েছে। উপকমিশনার (ডিসি), অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এবং সহকারী কমিশনার (এসি) পদমর্যাদার সাতজন কর্মকর্তাকে ডিএমপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে বদলি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ...
৪ মিনিট আগে
দুপুরে গোসল সেরে নতুন পোশাক পরে বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সামনে বসেছিল সাড়ে পাঁচ বছরের শিশু বন্ধন চন্দ্র রায়। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন বাবা প্রশান্ত চন্দ্র রায়, আর পেছনে বসেছিলেন দাদা নির্মল চন্দ্র রায়। গন্তব্য ছিল তুলসীহাটের একটি বিয়েবাড়ি। কিন্তু সেই পথ আর শেষ করা হলো না তাঁদের।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
৬ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে