নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নিজেদের গ্রেডের বৈষম্য দূর করে অন্যান্য পেশার পদের মতো গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টররা। আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে কর্মরত ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টররা এ দাবি জানান।
এ ছাড়া তাদের ওপর বিভিন্ন প্রকার হুমকি, লাঞ্ছনা, মিথ্যাচার ও বৈষম্যের প্রতিবাদ জানান তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পলিটেকনিক নন-গ্রেডেড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাপনটিএ) মহাসচিব সুমন তালুকদার তাঁদের সঙ্গে হওয়া বৈষম্য তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘সব মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরে কর্মরত সব পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টর পদটি। ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টর পদটি বাংলাদেশ সরকারের গেজেট, অর্গানোগ্রাম, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আদেশ ও বিভিন্ন অফিস আদেশ অনুযায়ী এই পদটি শিক্ষক পদ।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টর পদটি ব্লক নয় উল্লেখ করে বলা হয়, ‘অন্যান্য শিক্ষক পদের ক্ষেত্রে নিয়োগবিধিতে ৫০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ পদোন্নতির বিধান রাখা হলেও একমাত্র ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টর শিক্ষক পদটি বঞ্চিত রাখা হয়েছে, যা অধিদপ্তরের সব শিক্ষক পদের সঙ্গে সম্পূর্ণ বৈষম্যমূলক।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টরদের সব তথ্য-উপাত্ত উল্লেখ করে বারবার মহাপরিচালক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর আবেদন দিলেও তাদের হয়রানিমূলক বদলিসহ, বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে।
বৈষম্য দূর করতে ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টররা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। এর ফলে বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ক্র্যাফট ইন্সট্রাক্টরদের বের করে দেওয়া, নেমপ্লেট ভাঙা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করে অশ্লীল মন্তব্যসহ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে হত্যার পরিকল্পনা করছে বলেও দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

নিজেদের গ্রেডের বৈষম্য দূর করে অন্যান্য পেশার পদের মতো গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টররা। আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে কর্মরত ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টররা এ দাবি জানান।
এ ছাড়া তাদের ওপর বিভিন্ন প্রকার হুমকি, লাঞ্ছনা, মিথ্যাচার ও বৈষম্যের প্রতিবাদ জানান তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পলিটেকনিক নন-গ্রেডেড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাপনটিএ) মহাসচিব সুমন তালুকদার তাঁদের সঙ্গে হওয়া বৈষম্য তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘সব মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরে কর্মরত সব পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টর পদটি। ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টর পদটি বাংলাদেশ সরকারের গেজেট, অর্গানোগ্রাম, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আদেশ ও বিভিন্ন অফিস আদেশ অনুযায়ী এই পদটি শিক্ষক পদ।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টর পদটি ব্লক নয় উল্লেখ করে বলা হয়, ‘অন্যান্য শিক্ষক পদের ক্ষেত্রে নিয়োগবিধিতে ৫০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ পদোন্নতির বিধান রাখা হলেও একমাত্র ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টর শিক্ষক পদটি বঞ্চিত রাখা হয়েছে, যা অধিদপ্তরের সব শিক্ষক পদের সঙ্গে সম্পূর্ণ বৈষম্যমূলক।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টরদের সব তথ্য-উপাত্ত উল্লেখ করে বারবার মহাপরিচালক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর আবেদন দিলেও তাদের হয়রানিমূলক বদলিসহ, বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে।
বৈষম্য দূর করতে ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টররা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। এর ফলে বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ক্র্যাফট ইন্সট্রাক্টরদের বের করে দেওয়া, নেমপ্লেট ভাঙা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করে অশ্লীল মন্তব্যসহ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে হত্যার পরিকল্পনা করছে বলেও দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে