নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় এবং ট্র্যাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেছে আন্দোলনকারীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দেওয়ার পর উত্তেজিত হয়ে এই হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘বিকেল ৫টায় আন্দোলনকারীরা হঠাৎ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পুলিশ বক্স ও আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা টেবিল, চেয়ার, আলমারি, এসি, ফ্যান ভাঙচুর করে। একই সময়ে পুলিশ বক্সের ভেতরে চেয়ার টেবিল ভাঙচুর ও জানালার কাচ ভেঙে ফেলে।’
রেস্তোরাঁ কর্মচারী আসাদ বলেন, ‘বিকেলে চাষাঢ়া থেকে পুলিশ টিয়ার শেল ও গুলি করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিচ্ছিল। তাদের চাষাঢ়া থেকে হটাতে হটাতে ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় নিয়ে আসে। এ সময় আন্দোলনকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগ অফিস ও পুলিশ বক্সে হামলা চালায়। কিন্তু দুইটি অফিসের ভেতরে কেউ ছিল না। প্রায় ১৫ মিনিট ভাঙচুর করে তারা চলে যায়।’
এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে চাষাঢ়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে চলে উভয় পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। বিকেল ৬টার পর আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দিয়ে আশপাশের গলিতে অবস্থান নিয়েছে। তবে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা এখনো চাষাঢ়া গোলচত্বর এলাকায় পাহারা দিচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় এবং ট্র্যাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেছে আন্দোলনকারীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দেওয়ার পর উত্তেজিত হয়ে এই হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘বিকেল ৫টায় আন্দোলনকারীরা হঠাৎ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পুলিশ বক্স ও আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা টেবিল, চেয়ার, আলমারি, এসি, ফ্যান ভাঙচুর করে। একই সময়ে পুলিশ বক্সের ভেতরে চেয়ার টেবিল ভাঙচুর ও জানালার কাচ ভেঙে ফেলে।’
রেস্তোরাঁ কর্মচারী আসাদ বলেন, ‘বিকেলে চাষাঢ়া থেকে পুলিশ টিয়ার শেল ও গুলি করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিচ্ছিল। তাদের চাষাঢ়া থেকে হটাতে হটাতে ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় নিয়ে আসে। এ সময় আন্দোলনকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগ অফিস ও পুলিশ বক্সে হামলা চালায়। কিন্তু দুইটি অফিসের ভেতরে কেউ ছিল না। প্রায় ১৫ মিনিট ভাঙচুর করে তারা চলে যায়।’
এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে চাষাঢ়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে চলে উভয় পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। বিকেল ৬টার পর আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দিয়ে আশপাশের গলিতে অবস্থান নিয়েছে। তবে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা এখনো চাষাঢ়া গোলচত্বর এলাকায় পাহারা দিচ্ছে।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
৪ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১০ মিনিট আগে
গত ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
১৫ মিনিট আগে
ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবিতে নিয়োগ পেয়েছেন। আজ বুধবার বিজিবির ১০৪ তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনীতে শপথ নেন তিনি।
১৮ মিনিট আগে