দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দশমিনায় ট্রলির চাপায় এক নারীসহ দুজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দশমিনা-রনগোপালদী সড়কের কাপুরিয়াকাচারি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তানজিলা (২৮) উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আরোজবেগী গ্রামের জিয়া প্যাদার স্ত্রী। দুর্ঘটনায় ট্রলিচালকও নিহত হন। চালক রাকিব খান (২০) উপজেলার দশমিনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মান্নান খানের ছেলে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলিম জানান, ঘটনার বিষয় শুনে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তানজিলা নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। আর ট্রলিচালক রাকিবকে বরিশালে নেওয়ার পথে মারা যান। রাকিবের লাশ থানায় আনা হচ্ছে। পরবর্তী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তানজিলা (২৮), তাঁর দুই ছেলে আবদুল্লাহ (৪) এবং আবু বকরকে (২) ডাক্তার দেখিয়ে দশমিনা থেকে রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। কাপুরিয়াকাচারি এলাকায় এলে ট্রলির সামনের চাকা পাংচার হয়ে সেটি ওই রিকশাকে ধাক্কা দিয়ে পাশের কুয়ায় পড়ে যায়। এতে রিকশায় থাকা তানজিলা ট্রলির নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে শিশু আবদুল্লাহর বাঁ হাত ভেঙে যায় এবং আবু বকরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। রিকশাচালকেরও বাঁ পা ভেঙে যায়। আবদুল্লাহ, আবুবকর ও রিকশাচালককে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আর ট্রলিচালক রাকিবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে বরিশাল যাওয়ার পথে বাউফল উপজেলার বগা নামক স্থানে মারা যান রাকিব।
প্রত্যক্ষদর্শী টিটু প্যাদা বলেন, ‘না আছে ট্রলির লাইসেন্স, না আছে ড্রাইভারের লাইসেন্স। ট্রলি যখন রাস্তায় চলে, তখন মনে করে রাস্তা তাদের কেনা। দশমিনায় এ রকম বহু লোক ট্রলির চাপায় মারা যাওয়া এবং পঙ্গু হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা প্রশাসনের কাছে এগুলো বন্ধের দাবি জানাই।’

পটুয়াখালীর দশমিনায় ট্রলির চাপায় এক নারীসহ দুজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দশমিনা-রনগোপালদী সড়কের কাপুরিয়াকাচারি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তানজিলা (২৮) উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আরোজবেগী গ্রামের জিয়া প্যাদার স্ত্রী। দুর্ঘটনায় ট্রলিচালকও নিহত হন। চালক রাকিব খান (২০) উপজেলার দশমিনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মান্নান খানের ছেলে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলিম জানান, ঘটনার বিষয় শুনে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তানজিলা নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। আর ট্রলিচালক রাকিবকে বরিশালে নেওয়ার পথে মারা যান। রাকিবের লাশ থানায় আনা হচ্ছে। পরবর্তী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তানজিলা (২৮), তাঁর দুই ছেলে আবদুল্লাহ (৪) এবং আবু বকরকে (২) ডাক্তার দেখিয়ে দশমিনা থেকে রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। কাপুরিয়াকাচারি এলাকায় এলে ট্রলির সামনের চাকা পাংচার হয়ে সেটি ওই রিকশাকে ধাক্কা দিয়ে পাশের কুয়ায় পড়ে যায়। এতে রিকশায় থাকা তানজিলা ট্রলির নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে শিশু আবদুল্লাহর বাঁ হাত ভেঙে যায় এবং আবু বকরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। রিকশাচালকেরও বাঁ পা ভেঙে যায়। আবদুল্লাহ, আবুবকর ও রিকশাচালককে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আর ট্রলিচালক রাকিবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে বরিশাল যাওয়ার পথে বাউফল উপজেলার বগা নামক স্থানে মারা যান রাকিব।
প্রত্যক্ষদর্শী টিটু প্যাদা বলেন, ‘না আছে ট্রলির লাইসেন্স, না আছে ড্রাইভারের লাইসেন্স। ট্রলি যখন রাস্তায় চলে, তখন মনে করে রাস্তা তাদের কেনা। দশমিনায় এ রকম বহু লোক ট্রলির চাপায় মারা যাওয়া এবং পঙ্গু হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা প্রশাসনের কাছে এগুলো বন্ধের দাবি জানাই।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে