নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মতিঝিল থানা এলাকায় ১৪ বছর আগের নাশকতার এক মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ ১১ জনকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এই রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন মোবারক হোসেন, হাসান আল মামুন, আবু তাহের মেজবাহ, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ইব্রাহিম, সাইফুল ইসলাম, মো. জরিপ, আবুল কাশেম, আশরাফুজ্জামান ও মো. রেদুয়ান।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী জনি খন্দকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামিদের দুটি ধারায় এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বেআইনি সমাবেশের জন্য প্রত্যেককে ছয় মাস ও গাড়ি পোড়ানোর দায়ে প্রত্যেককে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রত্যেককে উভয় ধারায় ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। মামলায় আদালত সাতজনকে বেকসুর খালাস দেন।
রায় ঘোষণার সময় যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারুল ইসলামকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাঁকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। পলাতক থাকায় সাজাপ্রাপ্ত ১০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর বিকেল ৫টার সময় সরকারবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মালিবাগ এলাকায় মিছিল সমাবেশ করেন। তাঁরা মতিঝিল থানার মালিবাগ সোহাগ পরিবহনের বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশে রাস্তায় অবৈধ সমাবেশ, গাড়ি ভাঙচুর ও গাড়ি পোড়ান। এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করেন।
এসব অভিযোগে মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে ওই দিনই মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ৩০ জুন মতিঝিল থানার এসআই মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান জামায়াতের ১৮ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলা চলাকালে চারজন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মতিঝিল থানা এলাকায় ১৪ বছর আগের নাশকতার এক মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ ১১ জনকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এই রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন মোবারক হোসেন, হাসান আল মামুন, আবু তাহের মেজবাহ, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ইব্রাহিম, সাইফুল ইসলাম, মো. জরিপ, আবুল কাশেম, আশরাফুজ্জামান ও মো. রেদুয়ান।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী জনি খন্দকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামিদের দুটি ধারায় এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বেআইনি সমাবেশের জন্য প্রত্যেককে ছয় মাস ও গাড়ি পোড়ানোর দায়ে প্রত্যেককে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রত্যেককে উভয় ধারায় ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। মামলায় আদালত সাতজনকে বেকসুর খালাস দেন।
রায় ঘোষণার সময় যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারুল ইসলামকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাঁকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। পলাতক থাকায় সাজাপ্রাপ্ত ১০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর বিকেল ৫টার সময় সরকারবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মালিবাগ এলাকায় মিছিল সমাবেশ করেন। তাঁরা মতিঝিল থানার মালিবাগ সোহাগ পরিবহনের বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশে রাস্তায় অবৈধ সমাবেশ, গাড়ি ভাঙচুর ও গাড়ি পোড়ান। এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করেন।
এসব অভিযোগে মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে ওই দিনই মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ৩০ জুন মতিঝিল থানার এসআই মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান জামায়াতের ১৮ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলা চলাকালে চারজন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রীকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের চরম লঙ্ঘন।
৬ মিনিট আগে
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় খোকন চন্দ্র দাসকে হত্যার ঘটনায় বরিশাল র্যাব-৮ ও কিশোরগঞ্জ র্যাব-১৪ যৌথ অভিযান চালিয়ে কিশোরগঞ্জ থেকে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে মাদারীপুর র্যাব ক্যাম্পে এই ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করেন বরিশাল র্যাব-৮-এর কমান্ডার অধিনায়ক মুহাম্মদ শাহাদত হোসেন।
১২ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরায় উড়ালসড়কে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তৌফিকুর রহমান (১৮) নামের এক পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন মো. মারুফ (২১) নামের আরেক যুবক। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উত্তরার আব্দুল্লাহপুরের বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) উড়ালসড়কে শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে...
২৬ মিনিট আগে
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অন্য ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। এ ছাড়া ৯ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
৪৪ মিনিট আগে