নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭১ কিলোমিটার ‘বিজয় পদযাত্রা’ করেছে হাঁটাহাঁটি-দ্য ওয়াক নামের একটি সংগঠন। আজ বৃহস্পতিবার বিজয়ের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে বিজয় পদযাত্রা শুরু করে সংগঠনটি।
সংগঠনটির ‘বিজয় পদযাত্রা’ কর্মসূচির আহ্বায়ক জাকারিয়া আল মাহমুদ বলেন, ‘জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে রাজধানীর কাকরাইল, মগবাজার, মহাখালী, উত্তরা, গাজীপুর চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে শ্রীপুর পার হয়ে ভালুকা পর্যন্ত ৭১ কিলোমিটার হাঁটার কর্মসূচি পালন করছি।’ পদযাত্রায় একজন নারী ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, পেশাজীবী মিলে ১৬ জন অ্যাথলেট অংশগ্রহণ করেন।
জাকারিয়া আরও বলেন, ‘হাঁটার পথে করোনা মহামারি পরিস্থিতির বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে পথচারীদের মধ্যে ৭১০টি মাস্ক বিতরণ করব এবং সুস্থ ও নিরাপদ থাকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রচেষ্টা চালাব।’ ৭১ কিলোমিটার পদযাত্রা শেষে ভালুকার স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেড বাস স্টপেজে ৭১টি মোমবাতি জ্বালিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করা হবে বলে জানান তিনি।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে ৭১ কিলোমিটার পদযাত্রা করা হচ্ছে জানিয়ে জাকারিয়া আল মাহমুদ বলেন, ‘এটি করতে প্রায় ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা লাগবে। পুরো পথটাই আমরা হেঁটে যাব। আমরা মূলত অ্যাথলেট। আমরা ম্যারাথন করি, হাঁটি, ট্র্যাকিং করি। তাই বিজয় দিবস উপলক্ষে এই কর্মসূচি নিয়েছি। এবারের বিজয় দিবসটা একটু বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। স্বাধীনতার ৫০ বছর, একই সঙ্গে জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ চলছে।’
পদযাত্রার উদ্দেশ্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি এখনো সক্রিয়। দেশে অনেক রকমের অস্থিরতা আছে। সেগুলোর মধ্যেও আমাদের প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ প্রজন্ম নিজেদের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। তাদের আরও উৎসাহিত করতেই এই উদ্যোগ।’
ব্যতিক্রমী এই আয়োজন সম্পর্কে জাকারিয়া আল মাহমুদ আরও বলেন, ‘একাত্তরের এই সময়টাতে চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধারা ঢাকায় ফিরছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সেই যাত্রাটা উপলব্ধি করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করা এবং মানুষের মাঝে তা প্রসারিত করতেই এই উদ্যোগ। অনুভূতিটা অনুভব করে পুরো পথটা হাঁটা এবং পথের দুপাশে যাঁরা দেখবেন তাঁদের মধ্যেও কিছুটা ভাবনার উদ্রেক করতেই এই আয়োজন।’

স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭১ কিলোমিটার ‘বিজয় পদযাত্রা’ করেছে হাঁটাহাঁটি-দ্য ওয়াক নামের একটি সংগঠন। আজ বৃহস্পতিবার বিজয়ের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে বিজয় পদযাত্রা শুরু করে সংগঠনটি।
সংগঠনটির ‘বিজয় পদযাত্রা’ কর্মসূচির আহ্বায়ক জাকারিয়া আল মাহমুদ বলেন, ‘জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে রাজধানীর কাকরাইল, মগবাজার, মহাখালী, উত্তরা, গাজীপুর চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে শ্রীপুর পার হয়ে ভালুকা পর্যন্ত ৭১ কিলোমিটার হাঁটার কর্মসূচি পালন করছি।’ পদযাত্রায় একজন নারী ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, পেশাজীবী মিলে ১৬ জন অ্যাথলেট অংশগ্রহণ করেন।
জাকারিয়া আরও বলেন, ‘হাঁটার পথে করোনা মহামারি পরিস্থিতির বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে পথচারীদের মধ্যে ৭১০টি মাস্ক বিতরণ করব এবং সুস্থ ও নিরাপদ থাকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রচেষ্টা চালাব।’ ৭১ কিলোমিটার পদযাত্রা শেষে ভালুকার স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেড বাস স্টপেজে ৭১টি মোমবাতি জ্বালিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করা হবে বলে জানান তিনি।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে ৭১ কিলোমিটার পদযাত্রা করা হচ্ছে জানিয়ে জাকারিয়া আল মাহমুদ বলেন, ‘এটি করতে প্রায় ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা লাগবে। পুরো পথটাই আমরা হেঁটে যাব। আমরা মূলত অ্যাথলেট। আমরা ম্যারাথন করি, হাঁটি, ট্র্যাকিং করি। তাই বিজয় দিবস উপলক্ষে এই কর্মসূচি নিয়েছি। এবারের বিজয় দিবসটা একটু বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। স্বাধীনতার ৫০ বছর, একই সঙ্গে জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ চলছে।’
পদযাত্রার উদ্দেশ্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি এখনো সক্রিয়। দেশে অনেক রকমের অস্থিরতা আছে। সেগুলোর মধ্যেও আমাদের প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ প্রজন্ম নিজেদের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। তাদের আরও উৎসাহিত করতেই এই উদ্যোগ।’
ব্যতিক্রমী এই আয়োজন সম্পর্কে জাকারিয়া আল মাহমুদ আরও বলেন, ‘একাত্তরের এই সময়টাতে চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধারা ঢাকায় ফিরছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সেই যাত্রাটা উপলব্ধি করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করা এবং মানুষের মাঝে তা প্রসারিত করতেই এই উদ্যোগ। অনুভূতিটা অনুভব করে পুরো পথটা হাঁটা এবং পথের দুপাশে যাঁরা দেখবেন তাঁদের মধ্যেও কিছুটা ভাবনার উদ্রেক করতেই এই আয়োজন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে