মাদারীপুর প্রতিনিধি

রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে আগুনে পুড়ে জিহাদ শিকদার (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ভবনের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর কর্মচারী ছিলেন। সংসারের হাল ধরতেই লেখাপড়ার মাঝপথেই ঢাকায় গিয়েছিলেন তিনি।
আজ শুক্রবার দুপুরে তাঁর মরদেহ নিজ বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনির কয়ারিয়া ইউনিয়নের আলিমাবাদে এসে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে ভিড় করছেন এলাকাবাসী।
জিহাদ শিকদার একই গ্রামের জাকির শিকদারের ছেলে। তিনি কালকিনির সাহেববারপুর কবি নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে মানবিক বিভাগে দ্বাদশ শ্রেণিতে লেখাপড়া করতেন। কিন্তু অভাবের কারণে সংসারের হাল ধরতে কাজের সন্ধানে ঢাকা যান। প্রায় তিন বছর আগে জিহাদ ঢাকার বেইলি রোডের কাচ্চি ভাইয়ের রেস্তোরাঁয় কাজ শুরু করেন। তখন থেকে তাঁর আয়ে চলত পুরো সংসার।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জাকির শিকদারের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে মেয়ের বিয়ে হয়েছে।
জিহাদের ছোট ভাই রিয়াদ শিকদার বলেন, ‘আমার ভাই সংসারের হাল ধরতে কাজের জন্য ঢাকা যান। তাঁর টাকায় আমি ও আমার মা-বাবাসহ পুরো সংসারের খরচ জোগাড় হতো। এখন আমাদের কী হবে। এই মৃত্যু আমরা কীভাবে সইব।’
প্রতিবেশী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জিহাদ খুবই ভালো ছিল। এই অল্প বয়সেই পরিবারের হাল ধরতে তাকে ঢাকায় যেতে হয়েছিল। তার দেওয়া টাকাতেই পরিবার চলত। আগুনে জিহাদের পরিবারের সব স্বপ্ন, আশা শেষ হয়ে গেল।’
কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ বলেন, ‘জিহাদের মৃত্যুতে সমবেদনা জানানোর ভাষা নেই। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। তাঁর পরিবার থেকে কোনো সহযোগিতা চাওয়া হলে, তা দেওয়া হবে।’

রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে আগুনে পুড়ে জিহাদ শিকদার (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ভবনের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর কর্মচারী ছিলেন। সংসারের হাল ধরতেই লেখাপড়ার মাঝপথেই ঢাকায় গিয়েছিলেন তিনি।
আজ শুক্রবার দুপুরে তাঁর মরদেহ নিজ বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনির কয়ারিয়া ইউনিয়নের আলিমাবাদে এসে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে ভিড় করছেন এলাকাবাসী।
জিহাদ শিকদার একই গ্রামের জাকির শিকদারের ছেলে। তিনি কালকিনির সাহেববারপুর কবি নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে মানবিক বিভাগে দ্বাদশ শ্রেণিতে লেখাপড়া করতেন। কিন্তু অভাবের কারণে সংসারের হাল ধরতে কাজের সন্ধানে ঢাকা যান। প্রায় তিন বছর আগে জিহাদ ঢাকার বেইলি রোডের কাচ্চি ভাইয়ের রেস্তোরাঁয় কাজ শুরু করেন। তখন থেকে তাঁর আয়ে চলত পুরো সংসার।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জাকির শিকদারের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে মেয়ের বিয়ে হয়েছে।
জিহাদের ছোট ভাই রিয়াদ শিকদার বলেন, ‘আমার ভাই সংসারের হাল ধরতে কাজের জন্য ঢাকা যান। তাঁর টাকায় আমি ও আমার মা-বাবাসহ পুরো সংসারের খরচ জোগাড় হতো। এখন আমাদের কী হবে। এই মৃত্যু আমরা কীভাবে সইব।’
প্রতিবেশী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জিহাদ খুবই ভালো ছিল। এই অল্প বয়সেই পরিবারের হাল ধরতে তাকে ঢাকায় যেতে হয়েছিল। তার দেওয়া টাকাতেই পরিবার চলত। আগুনে জিহাদের পরিবারের সব স্বপ্ন, আশা শেষ হয়ে গেল।’
কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ বলেন, ‘জিহাদের মৃত্যুতে সমবেদনা জানানোর ভাষা নেই। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। তাঁর পরিবার থেকে কোনো সহযোগিতা চাওয়া হলে, তা দেওয়া হবে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে