নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডে ‘সড়ক বিভাজক’ নির্মাণের জন্য পুরোনো গাছগুলো কেটে ফেলছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। নগরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে এসব পুরোনো গাছ কাটার প্রতিবাদে পরিবেশ কর্মী, সমাজকর্মী, এলাকাবাসী ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মী ও ধানমন্ডি থানা ছাত্র ইউনিয়নের নেতা–কর্মীরা মানববন্ধন করেছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার সময় ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের সামনে ‘সাত মসজিদ সড়কে গাছ রক্ষা আন্দোলন’ এর ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয় ৷ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার ও পরিবেশ কর্মী সুলতানা কামাল। তিনি বলেন, ‘নগরের পরিবেশ রক্ষার জন্য এই গাছগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন মানেই গাছ কাটতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আমাদের রোড ডিভাইডার দরকার এটা মানি। কিন্তু আমাদের এই সব গাছও দরকার। বসবাস উপযোগী নগরের জন্য এসব গাছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই মানববন্ধন থেকে আমরা ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়রের কাছে আহ্বান জানাই, এই গাছগুলো বাঁচিয়ে যেন রোড ডিভাইডার নির্মাণের কাজ করা হয়।’
শহর থেকে গাছগাছালি উধাও হয়ে যাওয়ায় নানা রকম রোগ ব্যাধিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখ করেন মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির। তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ মানুষ এখন ফুসফুস সমস্যাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এর পেছনে আমাদের নির্বিচারে পরিবেশ ধ্বংস করার মানসিকতা দায়ী। যে গাছগুলো কাটা হচ্ছে সেগুলো অনেক পুরোনো গাছ এই সড়কের। আমরা নির্বিচারে এসব গাছ কাটার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গাছগুলো বাঁচিয়ে কীভাবে উন্নয়নকাজ করা যায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা সেই দাবি জানাই।’
রাত দশটায় এই মানববন্ধন শেষ করার আগে আয়োজকদের পক্ষ থেকে লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। গাছ কাটা বন্ধ না হলে কাল থেকে প্রতিদিন লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচির পালন করা হবে বলে জানান তারা ৷
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ কর্মী সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি কর্মী অরূপ রাহী, এলাকাবাসী ও ধানমন্ডি থানা ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের নেতা–কর্মীরা।

রাজধানীর ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডে ‘সড়ক বিভাজক’ নির্মাণের জন্য পুরোনো গাছগুলো কেটে ফেলছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। নগরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে এসব পুরোনো গাছ কাটার প্রতিবাদে পরিবেশ কর্মী, সমাজকর্মী, এলাকাবাসী ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মী ও ধানমন্ডি থানা ছাত্র ইউনিয়নের নেতা–কর্মীরা মানববন্ধন করেছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার সময় ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের সামনে ‘সাত মসজিদ সড়কে গাছ রক্ষা আন্দোলন’ এর ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয় ৷ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার ও পরিবেশ কর্মী সুলতানা কামাল। তিনি বলেন, ‘নগরের পরিবেশ রক্ষার জন্য এই গাছগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন মানেই গাছ কাটতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আমাদের রোড ডিভাইডার দরকার এটা মানি। কিন্তু আমাদের এই সব গাছও দরকার। বসবাস উপযোগী নগরের জন্য এসব গাছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই মানববন্ধন থেকে আমরা ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়রের কাছে আহ্বান জানাই, এই গাছগুলো বাঁচিয়ে যেন রোড ডিভাইডার নির্মাণের কাজ করা হয়।’
শহর থেকে গাছগাছালি উধাও হয়ে যাওয়ায় নানা রকম রোগ ব্যাধিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখ করেন মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির। তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ মানুষ এখন ফুসফুস সমস্যাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এর পেছনে আমাদের নির্বিচারে পরিবেশ ধ্বংস করার মানসিকতা দায়ী। যে গাছগুলো কাটা হচ্ছে সেগুলো অনেক পুরোনো গাছ এই সড়কের। আমরা নির্বিচারে এসব গাছ কাটার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গাছগুলো বাঁচিয়ে কীভাবে উন্নয়নকাজ করা যায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা সেই দাবি জানাই।’
রাত দশটায় এই মানববন্ধন শেষ করার আগে আয়োজকদের পক্ষ থেকে লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। গাছ কাটা বন্ধ না হলে কাল থেকে প্রতিদিন লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচির পালন করা হবে বলে জানান তারা ৷
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ কর্মী সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি কর্মী অরূপ রাহী, এলাকাবাসী ও ধানমন্ডি থানা ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের নেতা–কর্মীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে