নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সনদ জালিয়াতির ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান আলী আকবর। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ দাবি করেন।
এর আগে দুপুর পৌনে ১২টায় ডিবি কার্যালয়ে আসেন তিনি। সনদ জালিয়াতির ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ডাকা হয়েছিল।
আলী আকবর সাংবাদিকদের বলেন, ‘সিস্টেম অ্যানালিস্ট প্রকৌশলী এ কে এম শামসুজ্জামান অবৈধভাবে যে সার্টিফিকেট দিয়েছেন, তাতে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল কি না, ডিবি জানতে চেয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে, আসল দোষীদের শাস্তির মুখোমুখি করা উচিত। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই লজ্জিত এবং দুঃখিত। এ বিষয়ে কোনো কিছুই জানি না।’
সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুজ্জামানের বিষয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ওয়েবসাইটে এমন কোনো কাগজ আছে কি না, সেটি খুঁজে দেখেছি। ওয়েবসাইটে তেমন কোনো কাগজপত্র পাইনি। এর বেশি আমি কিছু বলতে চাই না।’
আপনি দায়িত্বে থাকার পরও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, জানতে চাইলে কারিগরি বোর্ডের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি অপরাধীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভেতরে-ভেতরে (প্রাতিষ্ঠানিকভাবে) কাজ করার চেষ্টা করেছি। বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছি।’
এ প্রসঙ্গে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, হাজার হাজার সার্টিফিকেট বাণিজ্যের কারণে গ্রেপ্তার হন কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান আলী আকবর খানের স্ত্রী। এরপর চেয়ারম্যান পদ থেকে আলী আকবর খানকে ওএসডি করা হয়।
এর আগে ১ এপ্রিল কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদ জালিয়াতির অভিযোগে প্রথমে গ্রেপ্তার হন সিস্টেম অ্যানালিস্ট প্রকৌশলী এ কে এম শামসুজ্জামান। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে একে একে উঠে আসে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বোর্ডসংশ্লিষ্ট অনেক ছোট-বড় কর্মকর্তা এবং দেশের কয়েকটি কারিগরি স্কুল এবং কলেজের প্রধান আর অধ্যক্ষদের নাম।

সনদ জালিয়াতির ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান আলী আকবর। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ দাবি করেন।
এর আগে দুপুর পৌনে ১২টায় ডিবি কার্যালয়ে আসেন তিনি। সনদ জালিয়াতির ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ডাকা হয়েছিল।
আলী আকবর সাংবাদিকদের বলেন, ‘সিস্টেম অ্যানালিস্ট প্রকৌশলী এ কে এম শামসুজ্জামান অবৈধভাবে যে সার্টিফিকেট দিয়েছেন, তাতে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল কি না, ডিবি জানতে চেয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে, আসল দোষীদের শাস্তির মুখোমুখি করা উচিত। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই লজ্জিত এবং দুঃখিত। এ বিষয়ে কোনো কিছুই জানি না।’
সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুজ্জামানের বিষয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ওয়েবসাইটে এমন কোনো কাগজ আছে কি না, সেটি খুঁজে দেখেছি। ওয়েবসাইটে তেমন কোনো কাগজপত্র পাইনি। এর বেশি আমি কিছু বলতে চাই না।’
আপনি দায়িত্বে থাকার পরও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, জানতে চাইলে কারিগরি বোর্ডের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি অপরাধীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভেতরে-ভেতরে (প্রাতিষ্ঠানিকভাবে) কাজ করার চেষ্টা করেছি। বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছি।’
এ প্রসঙ্গে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, হাজার হাজার সার্টিফিকেট বাণিজ্যের কারণে গ্রেপ্তার হন কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান আলী আকবর খানের স্ত্রী। এরপর চেয়ারম্যান পদ থেকে আলী আকবর খানকে ওএসডি করা হয়।
এর আগে ১ এপ্রিল কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদ জালিয়াতির অভিযোগে প্রথমে গ্রেপ্তার হন সিস্টেম অ্যানালিস্ট প্রকৌশলী এ কে এম শামসুজ্জামান। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে একে একে উঠে আসে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বোর্ডসংশ্লিষ্ট অনেক ছোট-বড় কর্মকর্তা এবং দেশের কয়েকটি কারিগরি স্কুল এবং কলেজের প্রধান আর অধ্যক্ষদের নাম।

অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
১২ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও চারটি গুলিসহ মো. জহির মোল্লা (৪২) নামের এক ভুয়া সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের বসুনরসিংহদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
১ ঘণ্টা আগে