গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে স্ত্রী ও সন্তানের গায়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ এবং ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। এদিকে গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের মুনিরকান্দি গ্রামের ওই ঘটনায় দগ্ধ দুজনকে গতকাল বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোছা. হেলেনা আক্তারের (৩৫) মামা মোশারফ শেখ বলেন, ১৪ বছর আগে একই উপজেলার মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের মো. ওসমান খানের সঙ্গে হেলেনার বিয়ে হয়। প্রথম বিয়ের কথা গোপন রেখে হেলেনাকে বিয়ে করেন ওসমান। তাঁদের সংসারে এক ছেলে সন্তান (১৩) রয়েছে। প্রথম স্ত্রী থাকা এবং স্বামী মাদকাসক্ত ও বখাটে হওয়ার কারণে বিয়ের তিন বছর পর বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। একমাত্র শিশুসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন হেলেনা। তবে সন্তানকে দেখতে মাঝেমধ্যে হেলেনার বাবার বাড়িতে আসতেন ওসমান।
মোশারফ শেখ আরও বলেন, একপর্যায়ে বিচ্ছেদের সাত বছর পর তাঁদের আবার বিয়ে হয়। সম্প্রতি ব্যবসা করতে হেলেনার কাছে টাকা চান ওসমান। সে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কলহের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে গত ৪ জুন রাতে ঘুমিয়ে থাকা স্ত্রী ও সন্তানের গায়ে জানালা দিয়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন ওসমান। পরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান তিনি। তাতে হেলেনা ও সন্তানের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। তাদের প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন রাতে তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুকসুদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে মুকসুদপুরের সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শওকত হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অ্যাসিড নিক্ষেপ ও ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় হেলেনার বাবা চুন্নু শেখ মুকসুদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে ওসমান পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে স্ত্রী ও সন্তানের গায়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ এবং ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। এদিকে গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের মুনিরকান্দি গ্রামের ওই ঘটনায় দগ্ধ দুজনকে গতকাল বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোছা. হেলেনা আক্তারের (৩৫) মামা মোশারফ শেখ বলেন, ১৪ বছর আগে একই উপজেলার মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের মো. ওসমান খানের সঙ্গে হেলেনার বিয়ে হয়। প্রথম বিয়ের কথা গোপন রেখে হেলেনাকে বিয়ে করেন ওসমান। তাঁদের সংসারে এক ছেলে সন্তান (১৩) রয়েছে। প্রথম স্ত্রী থাকা এবং স্বামী মাদকাসক্ত ও বখাটে হওয়ার কারণে বিয়ের তিন বছর পর বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। একমাত্র শিশুসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন হেলেনা। তবে সন্তানকে দেখতে মাঝেমধ্যে হেলেনার বাবার বাড়িতে আসতেন ওসমান।
মোশারফ শেখ আরও বলেন, একপর্যায়ে বিচ্ছেদের সাত বছর পর তাঁদের আবার বিয়ে হয়। সম্প্রতি ব্যবসা করতে হেলেনার কাছে টাকা চান ওসমান। সে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কলহের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে গত ৪ জুন রাতে ঘুমিয়ে থাকা স্ত্রী ও সন্তানের গায়ে জানালা দিয়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন ওসমান। পরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান তিনি। তাতে হেলেনা ও সন্তানের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। তাদের প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন রাতে তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুকসুদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে মুকসুদপুরের সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শওকত হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অ্যাসিড নিক্ষেপ ও ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় হেলেনার বাবা চুন্নু শেখ মুকসুদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে ওসমান পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকা জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানান কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ ফোরকান।
২৯ মিনিট আগে
জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, সম্প্রতি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। তারা দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে এই অগ্নিসংযোগ করে।
৪২ মিনিট আগে
মিঠামইনে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় অবহেলার অভিযোগে তিন চেয়ারম্যানকে সাময়িক বহিষ্কার করে প্রশাসক নিয়োগ করেছে জেলা প্রশাসক। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত আদেশে এ তথ্য জানা যায়।
১ ঘণ্টা আগে
ভোলা সদর উপজেলায় বন্ধন হেলথ কেয়ার অ্যান্ড ডায়াবেটিস সেন্টার নামের একটি ক্লিনিকে ভুল গ্রুপের রক্ত সঞ্চালন করায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মারা যাওয়া রোগীর নাম লামিয়া আক্তার। এ ঘটনায় তাঁর স্বজন ও এলাকাবাসী ক্লিনিকের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। নবজাতক সুস্থ আছে বলে জানা গেছে। ওই নারীর মৃত্যুর পরপরই জেলা
১ ঘণ্টা আগে