নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লার দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আনোয়ারা বেগমকে জামিন দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান তাঁকে জামিন দেন।
আনোয়ারা বেগমের পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তাঁর পক্ষে ১১ জন আইনজীবী শুনানি করেন। তারা প্রত্যেকেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বলে জানা গেছে। আদালত আনোয়ারা বেগমের বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় জামিন দিয়েছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি শামসুজ্জামান দিপু জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত ২৯ মে আনোয়ারা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাঁকে জামিন না দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন সংগঠন ব্যাপক সমালোচনা করেন। এরপর চার দিন কারাগারে থাকার পর তিনি জামিন পেলেন।
গত ২৮ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে এই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা গুলিবিদ্ধ হওয়ায় ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক কর্মকর্তা ও সাবেক-বর্তমান ছাত্রলীগের ৯৪ জনসহ ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আদালতে মামলা করেন সুজন মোল্লা নিজে। পরে আদালতের নির্দেশে ২৫ ফেব্রুয়ারি সূত্রাপুর থানায় মামলাটি রুজু হয়।
মামলায় শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামি করা হয়েছে—সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক তথ্যমন্ত্রী আরাফাত এ রহমান ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসকে।
পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষককেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন—রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী ও ড. আনোয়ারা বেগম, জবি নীল দলের অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, সহকারী প্রক্টর নিউটন হাওলাদার, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মিলটন বিশ্বাস, ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল হোসেন, আইইআর বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফারুক আহমেদ, অগাস্টিন পিউরিফিকেশন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু সালেহ সেকেন্দার।
আসামি জবির পাঁচ কর্মকর্তা হলেন—বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি কাজী মনির, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আলতাফ হোসেন ও ইমরান হোসেন ইমন, ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোর কিপার পদে নিয়োজিত কর্মকর্তা টুটুল আহমেদ, জবি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও স্টোরকিপার সুমন হাসান সোহান।
আসামির তালিকায় সাবেক-বর্তমান ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, সহসভাপতি কামরুল হাসান, সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল, সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলামসহ প্রমুখ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই ঢাকা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিপরীত পাশে স্টার হোটেলের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। এ সময় আসামিরা পরিকল্পিতভাবে ওই আন্দোলনে গুলিবর্ষণ ও মারপিট করে। এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা চোখে গুলিবিদ্ধ হন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লার দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আনোয়ারা বেগমকে জামিন দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান তাঁকে জামিন দেন।
আনোয়ারা বেগমের পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তাঁর পক্ষে ১১ জন আইনজীবী শুনানি করেন। তারা প্রত্যেকেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বলে জানা গেছে। আদালত আনোয়ারা বেগমের বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় জামিন দিয়েছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি শামসুজ্জামান দিপু জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত ২৯ মে আনোয়ারা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাঁকে জামিন না দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন সংগঠন ব্যাপক সমালোচনা করেন। এরপর চার দিন কারাগারে থাকার পর তিনি জামিন পেলেন।
গত ২৮ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে এই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা গুলিবিদ্ধ হওয়ায় ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক কর্মকর্তা ও সাবেক-বর্তমান ছাত্রলীগের ৯৪ জনসহ ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আদালতে মামলা করেন সুজন মোল্লা নিজে। পরে আদালতের নির্দেশে ২৫ ফেব্রুয়ারি সূত্রাপুর থানায় মামলাটি রুজু হয়।
মামলায় শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামি করা হয়েছে—সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক তথ্যমন্ত্রী আরাফাত এ রহমান ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসকে।
পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষককেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন—রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী ও ড. আনোয়ারা বেগম, জবি নীল দলের অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, সহকারী প্রক্টর নিউটন হাওলাদার, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মিলটন বিশ্বাস, ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল হোসেন, আইইআর বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফারুক আহমেদ, অগাস্টিন পিউরিফিকেশন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু সালেহ সেকেন্দার।
আসামি জবির পাঁচ কর্মকর্তা হলেন—বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি কাজী মনির, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আলতাফ হোসেন ও ইমরান হোসেন ইমন, ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোর কিপার পদে নিয়োজিত কর্মকর্তা টুটুল আহমেদ, জবি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও স্টোরকিপার সুমন হাসান সোহান।
আসামির তালিকায় সাবেক-বর্তমান ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, সহসভাপতি কামরুল হাসান, সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল, সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলামসহ প্রমুখ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই ঢাকা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিপরীত পাশে স্টার হোটেলের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। এ সময় আসামিরা পরিকল্পিতভাবে ওই আন্দোলনে গুলিবর্ষণ ও মারপিট করে। এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা চোখে গুলিবিদ্ধ হন।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে