নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বঙ্গবন্ধু হলসংলগ্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মোতাহার হোসেন ভবন থেকে ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাবি ছাত্রদল। আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) বেলা ১টার দিকে কর্মসূচি পালন করেছে তারা। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এদিকে ফজলুল হক মুসলিম হলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন রুমের সামনে লাগানো জুলাই আন্দোলনের শহীদদের নামসংবলিত ফলক সরিয়ে ফেলার অভিযোগ তোলে তারা।
গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মোতাহার হোসেন ভবনের (আইন ভবন) পাশের একটি গাছের নিচে অবিস্ফোরিত সাতটি ককটেল দেখতে পান নিরাপত্তাপ্রহরীরা। পরে ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিম ও শাহবাগ থানাকে জানানো হয়। পরে ককটেল নিষ্ক্রিয় করার জন্য বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে জানানো হলে ককটেলগুলো নিয়ে যায় তারা।
একই দিন ভোরে হাইকোর্ট মাজার গেট ও রাস্তার বিপরীত পাশ থেকে দুটি ককটেল ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। এ সময় একটি ককটেল মাজার গেটের সামনে বিস্ফোরিত হয়, অন্যটি হাইকোর্টের সামনের ওপর পাশের সড়কে অবিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে থাকে। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেখানে পৌঁছায়।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো দেশের অভ্যন্তরে মানুষের বিপক্ষে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অভ্যুত্থানের ১০ মাস পার হলেও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এখনো বিভিন্ন হলে হলে অবস্থান করে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করে যাচ্ছে।
নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘হলে হলে এখনো যেসব ছাত্র নিপীড়নকারী সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে, আমরা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বিভিন্ন সময় নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মাণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আসছি, কিন্তু প্রশাসন তা আমলে নেয়নি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বঙ্গবন্ধু হলসংলগ্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মোতাহার হোসেন ভবন থেকে ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাবি ছাত্রদল। আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) বেলা ১টার দিকে কর্মসূচি পালন করেছে তারা। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এদিকে ফজলুল হক মুসলিম হলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন রুমের সামনে লাগানো জুলাই আন্দোলনের শহীদদের নামসংবলিত ফলক সরিয়ে ফেলার অভিযোগ তোলে তারা।
গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মোতাহার হোসেন ভবনের (আইন ভবন) পাশের একটি গাছের নিচে অবিস্ফোরিত সাতটি ককটেল দেখতে পান নিরাপত্তাপ্রহরীরা। পরে ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিম ও শাহবাগ থানাকে জানানো হয়। পরে ককটেল নিষ্ক্রিয় করার জন্য বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে জানানো হলে ককটেলগুলো নিয়ে যায় তারা।
একই দিন ভোরে হাইকোর্ট মাজার গেট ও রাস্তার বিপরীত পাশ থেকে দুটি ককটেল ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। এ সময় একটি ককটেল মাজার গেটের সামনে বিস্ফোরিত হয়, অন্যটি হাইকোর্টের সামনের ওপর পাশের সড়কে অবিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে থাকে। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেখানে পৌঁছায়।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো দেশের অভ্যন্তরে মানুষের বিপক্ষে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অভ্যুত্থানের ১০ মাস পার হলেও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এখনো বিভিন্ন হলে হলে অবস্থান করে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করে যাচ্ছে।
নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘হলে হলে এখনো যেসব ছাত্র নিপীড়নকারী সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে, আমরা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বিভিন্ন সময় নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মাণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আসছি, কিন্তু প্রশাসন তা আমলে নেয়নি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে