ফারুক ছিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন আবাসিক হল, কোয়ার্টার্সসহ ২৭০টির বেশি বাসায় বছরে ৩২ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল কেউ দেন না। জানা গেছে, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ১৪টি, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলে ৪০টি, জগন্নাথ হলে ৯৩টি, মাস্টারদা সূর্য সেন হলে ১২টি, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ৮টি, কবি জসীমউদ্দীন হলে ৮টি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ৯টি, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ১০টি, অমর একুশে হলে ৪৫টি, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র-টিএসসিতে ১৩টি, শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে ১৪টিসহ ২৭০টির বেশি বাসায় বিদ্যুতের মিটারই নেই। মিটার না থাকায় তাঁরা কেউ বিদ্যুতের বিল দেন না।
রেজিস্ট্রার ভবন সূত্রে জানা যায়, দুটি ফ্যান, চারটি লাইট ও একটি ফ্রিজ ব্যবহার করলে মাসে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল আসার কথা। সে হিসাবে বছরে ৩২ লাখ টাকার বিদ্যুৎ অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছেন না কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এদিকে ৯৩টি বাসায় অবৈধ বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষকে কয়েকবার চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী-বিদ্যুৎ (জোন-১)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সার্কেল-বিদ্যুৎ) মো. লুৎফর রহমান বলেন, হলের সঙ্গে সংযুক্ত যে বাসাগুলোতে বিদ্যুতের মিটার নেই, সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হল কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। দোকানের বিষয়টিও হল প্রশাসন দেখবে। তিনি জানান, বিদ্যুতের মিটারবিহীন বাসার তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়নি।
এ বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা বলেন, বিদ্যুতের মিটার বসানোর দায়িত্ব হল প্রশাসনের নয়, ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন বিষয়টি দেখবে, আর চিঠির বিষয়টি তাঁর মনে নেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালকের দপ্তর জানায়, অর্থ বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে পাঠানো পরিপত্রের আলোকে বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ অর্থের ২৫ শতাংশ সাশ্রয় করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট থেকে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদ্যুতের খরচ বাবদ বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩০ কোটি টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো আয় নেই। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়কে যে বরাদ্দ দেয়, তা খুবই অপ্রতুল। সে জায়গায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিদ্যুৎ বিল না দিয়ে অবৈধ সংযোগ চালানোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের বিদ্যুৎ শাখাকে বলা হয়েছে, বিষয়টি যেন নজরে রাখে এবং একটি তালিকা তৈরি করে। তালিকা তৈরি করা হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ভবন ছাড়াও হলের সঙ্গে সংযুক্ত ক্যানটিন ও দোকানের মালিকেরাও বিদ্যুৎ বিল দেন না। জানা যায়, হলগুলোতে ৩০টি ক্যানটিন, ১১০টির বেশি দোকান রয়েছে। দোকানগুলোতে জুস মেশিন, একাধিক লাইট ও ফ্যান ব্যবহার করা হয়। দোকানিরা বিশ্ববিদ্যালয়কে দোকান ভাড়া দিলেও বিদ্যুৎ বিল দেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইকবাল রউফ মামুন বলেন, ‘দোকানগুলোর বিদ্যুৎ ভাড়া দোকানমালিকেরা দেবেন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে, মিটারও দেওয়া হবে। আর বাসায় মিটার স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল যুক্তরাজ্যে থাকায় তাঁর সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলা যায়নি। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে বিদ্যুৎ বিল না দিয়ে বাসায় থাকেন, সেটি সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপনের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন আবাসিক হল, কোয়ার্টার্সসহ ২৭০টির বেশি বাসায় বছরে ৩২ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল কেউ দেন না। জানা গেছে, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ১৪টি, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলে ৪০টি, জগন্নাথ হলে ৯৩টি, মাস্টারদা সূর্য সেন হলে ১২টি, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ৮টি, কবি জসীমউদ্দীন হলে ৮টি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ৯টি, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ১০টি, অমর একুশে হলে ৪৫টি, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র-টিএসসিতে ১৩টি, শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে ১৪টিসহ ২৭০টির বেশি বাসায় বিদ্যুতের মিটারই নেই। মিটার না থাকায় তাঁরা কেউ বিদ্যুতের বিল দেন না।
রেজিস্ট্রার ভবন সূত্রে জানা যায়, দুটি ফ্যান, চারটি লাইট ও একটি ফ্রিজ ব্যবহার করলে মাসে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল আসার কথা। সে হিসাবে বছরে ৩২ লাখ টাকার বিদ্যুৎ অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছেন না কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এদিকে ৯৩টি বাসায় অবৈধ বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষকে কয়েকবার চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী-বিদ্যুৎ (জোন-১)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সার্কেল-বিদ্যুৎ) মো. লুৎফর রহমান বলেন, হলের সঙ্গে সংযুক্ত যে বাসাগুলোতে বিদ্যুতের মিটার নেই, সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হল কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। দোকানের বিষয়টিও হল প্রশাসন দেখবে। তিনি জানান, বিদ্যুতের মিটারবিহীন বাসার তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়নি।
এ বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা বলেন, বিদ্যুতের মিটার বসানোর দায়িত্ব হল প্রশাসনের নয়, ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন বিষয়টি দেখবে, আর চিঠির বিষয়টি তাঁর মনে নেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালকের দপ্তর জানায়, অর্থ বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে পাঠানো পরিপত্রের আলোকে বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ অর্থের ২৫ শতাংশ সাশ্রয় করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট থেকে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদ্যুতের খরচ বাবদ বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩০ কোটি টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো আয় নেই। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়কে যে বরাদ্দ দেয়, তা খুবই অপ্রতুল। সে জায়গায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিদ্যুৎ বিল না দিয়ে অবৈধ সংযোগ চালানোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের বিদ্যুৎ শাখাকে বলা হয়েছে, বিষয়টি যেন নজরে রাখে এবং একটি তালিকা তৈরি করে। তালিকা তৈরি করা হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ভবন ছাড়াও হলের সঙ্গে সংযুক্ত ক্যানটিন ও দোকানের মালিকেরাও বিদ্যুৎ বিল দেন না। জানা যায়, হলগুলোতে ৩০টি ক্যানটিন, ১১০টির বেশি দোকান রয়েছে। দোকানগুলোতে জুস মেশিন, একাধিক লাইট ও ফ্যান ব্যবহার করা হয়। দোকানিরা বিশ্ববিদ্যালয়কে দোকান ভাড়া দিলেও বিদ্যুৎ বিল দেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইকবাল রউফ মামুন বলেন, ‘দোকানগুলোর বিদ্যুৎ ভাড়া দোকানমালিকেরা দেবেন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে, মিটারও দেওয়া হবে। আর বাসায় মিটার স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল যুক্তরাজ্যে থাকায় তাঁর সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলা যায়নি। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে বিদ্যুৎ বিল না দিয়ে বাসায় থাকেন, সেটি সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপনের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৫ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৫ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে পাচারের অপেক্ষায় জড়ো করে রাখা হয়েছে অন্তত ৭ হাজার বার্মিজ গরু। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ গরু ঢুকিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র। আর গত পাঁচ দিনে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা।
৫ ঘণ্টা আগে