নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামীবার থেকে সিটি করপোরেশনের সুনির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে শিগগিরই আইন ও গাইড লাইন করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য অপসারণ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংস্থাটি। সংবাদ সম্মেলনে মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, এবার ২৭০টি স্থান করে দেওয়া হয়েছিল কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য। কিন্তু কেই আসেননি এখানে। আগামী থেকে নির্দিষ্ট স্থান করে দেওয়া হবে। সেখানেই পশু জবাই করতে হবে। আগামী থেকে যত্রতত্র ভাবে যেখানে সেখানে পশু জবাই করা যাবে না। আর এর জন্য যেখানে যে আইন প্রয়োগ করা দরকার হবে, তা করা হবে বলেও জানান তিনি।
সিটি করপোরেশনের স্থানে পশু জবাই নিয়ে নগরবাসী অনাস্থা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, অনেকে ভরসা পান না। মাংস বদল হয়ে যাবে কি-না বা সঠিক পরিমাপে মাংস পাওয়া যাবে কি-না বা পশু জবাইয়ের পর মাংস নিয়ে কীভাবে বাড়ি যাবেন ইত্যাদি আশঙ্কা নগরবাসীর মধ্যে রয়েছে।
মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, সবার ইচ্ছা থাকে বাসার নিচে পশু জবাই দেবেন। একটু বাসায় যাবেন, আবার আসবেন। পরিবারের সবাই মিলে নিচে বসে মাংসর কাজ দেখবেন। ভবিষ্যতে সিটি করপোরেশনের এলাকাতে এ সকল ব্যবস্থা করা হবে। যাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসে মাংসর কাজ দেখতে পারা যায়। নগরবাসী যে কসাই দিয়ে বাসার নিচে কাজ করাতেন। সেই কসাই নিয়েই করপোরেশনের জায়গায় কাজ করান। এতে করে আপনার গরুর মাংসের মানসহ পরিমাপ সবই আপনি নিজেই নিশ্চিত হতে পারবেন। আর মাংস পরিবহনের জন্য পিকআপ ভ্যানের ব্যবস্থা রাখা হবে।
কোনো নাগরিক যদি নিজ বাসার সীমানার মধ্যে পশু জবাই দেয়, তার সুযোগ করপোরেশন দেবে কি-না? জানতে চাইলে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র বলেন, না এ সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। আমরা অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোর দৃষ্টান্ত ও অভিজ্ঞতা দেখব। তারা কীভাবে এর ব্যবস্থাপনা করে। এ নিয়ে নগরবাসীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।
তিনি জানান, আধুনিক পশু জবাইয়ের কেন্দ্র তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছেন। রাজধানীর বাজার এলাকাতে এর জন্য জায়গা খুঁজছে সিটি করপোরেশন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২০ সালে উত্তর সিটিতে প্রথম দিনে আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার পশু কোরবানি করা হয়েছিল। আর ২০২১ সালে ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৯০টি পশু কোরবানি করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের স্থানে ৪ হাজার ১৪১টি পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে।
এতে জানানো হয়, ঈদের প্রথম দিন রাত ৮টার মধ্যে উত্তর সিটির শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ৯০৮টি ট্রিপে ১১ হাজার ৯৩৫ টন বর্জ্য ল্যান্ডফিলে পরিবহন করা হয়েছে। বর্জ্য অপসারণ, ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক পরিচ্ছন্নতার কাজে ৪৯৩টি বিভিন্ন ধরনের যান ও যন্ত্রপাতি নিয়োজিত করা হয়েছিল। কোরবানির বর্জ্য অপসারণে উত্তর সিটি করপোরেশনের ২ হাজার ৬৬৭ জন নিজস্ব কর্মী এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় মোট ১১ হাজার ৫০৮ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী কোরবানির প্রথম দিন কাজ করে।

আগামীবার থেকে সিটি করপোরেশনের সুনির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে শিগগিরই আইন ও গাইড লাইন করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য অপসারণ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংস্থাটি। সংবাদ সম্মেলনে মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, এবার ২৭০টি স্থান করে দেওয়া হয়েছিল কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য। কিন্তু কেই আসেননি এখানে। আগামী থেকে নির্দিষ্ট স্থান করে দেওয়া হবে। সেখানেই পশু জবাই করতে হবে। আগামী থেকে যত্রতত্র ভাবে যেখানে সেখানে পশু জবাই করা যাবে না। আর এর জন্য যেখানে যে আইন প্রয়োগ করা দরকার হবে, তা করা হবে বলেও জানান তিনি।
সিটি করপোরেশনের স্থানে পশু জবাই নিয়ে নগরবাসী অনাস্থা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, অনেকে ভরসা পান না। মাংস বদল হয়ে যাবে কি-না বা সঠিক পরিমাপে মাংস পাওয়া যাবে কি-না বা পশু জবাইয়ের পর মাংস নিয়ে কীভাবে বাড়ি যাবেন ইত্যাদি আশঙ্কা নগরবাসীর মধ্যে রয়েছে।
মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, সবার ইচ্ছা থাকে বাসার নিচে পশু জবাই দেবেন। একটু বাসায় যাবেন, আবার আসবেন। পরিবারের সবাই মিলে নিচে বসে মাংসর কাজ দেখবেন। ভবিষ্যতে সিটি করপোরেশনের এলাকাতে এ সকল ব্যবস্থা করা হবে। যাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসে মাংসর কাজ দেখতে পারা যায়। নগরবাসী যে কসাই দিয়ে বাসার নিচে কাজ করাতেন। সেই কসাই নিয়েই করপোরেশনের জায়গায় কাজ করান। এতে করে আপনার গরুর মাংসের মানসহ পরিমাপ সবই আপনি নিজেই নিশ্চিত হতে পারবেন। আর মাংস পরিবহনের জন্য পিকআপ ভ্যানের ব্যবস্থা রাখা হবে।
কোনো নাগরিক যদি নিজ বাসার সীমানার মধ্যে পশু জবাই দেয়, তার সুযোগ করপোরেশন দেবে কি-না? জানতে চাইলে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র বলেন, না এ সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। আমরা অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোর দৃষ্টান্ত ও অভিজ্ঞতা দেখব। তারা কীভাবে এর ব্যবস্থাপনা করে। এ নিয়ে নগরবাসীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।
তিনি জানান, আধুনিক পশু জবাইয়ের কেন্দ্র তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছেন। রাজধানীর বাজার এলাকাতে এর জন্য জায়গা খুঁজছে সিটি করপোরেশন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২০ সালে উত্তর সিটিতে প্রথম দিনে আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার পশু কোরবানি করা হয়েছিল। আর ২০২১ সালে ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৯০টি পশু কোরবানি করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের স্থানে ৪ হাজার ১৪১টি পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে।
এতে জানানো হয়, ঈদের প্রথম দিন রাত ৮টার মধ্যে উত্তর সিটির শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ৯০৮টি ট্রিপে ১১ হাজার ৯৩৫ টন বর্জ্য ল্যান্ডফিলে পরিবহন করা হয়েছে। বর্জ্য অপসারণ, ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক পরিচ্ছন্নতার কাজে ৪৯৩টি বিভিন্ন ধরনের যান ও যন্ত্রপাতি নিয়োজিত করা হয়েছিল। কোরবানির বর্জ্য অপসারণে উত্তর সিটি করপোরেশনের ২ হাজার ৬৬৭ জন নিজস্ব কর্মী এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় মোট ১১ হাজার ৫০৮ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী কোরবানির প্রথম দিন কাজ করে।

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
৪ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
২৮ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে