নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবাজারের গোডাউন এলাকা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের কয়েকজন বলছেন, বঙ্গবাজার কাঠ ও টিনের হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুনের পরপরই অনেক ব্যবসায়ী দোকানের মালামাল বের করে সামনের নিউ সেক্রেটারি সড়কে রাখেন। একদিকে আগুন, অন্যদিকে মালামাল বের করার কারণে সামনের রাস্তায় মালামাল স্তূপ করতে থাকেন ব্যবসায়ীরা। ঘণ্টাখানেক জ্বলার পর সকাল ৭টার দিকে বঙ্গবাজারের একাংশ ধসে পড়ে। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। রাস্তায় থাকা কাপড়ের স্তূপের মাধ্যমেই নিউ সেক্রেটারি রোডের অপর পাশে থাকা বঙ্গ ইসলামীয়া মার্কেট ও বঙ্গ হোমিও মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ইসলামীয়া মার্কেটের নিচতলায় ১১৩ নম্বর দোকান ছিল রবিন হোসেন বিল্লুর। আগুনের খবরে সকালেই ছুটে আসেন তিনি। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবাজারের রাস্তার অপর পাশের দুই মার্কেটে আগুন ছড়িয়েছে রাস্তায় মালামাল রাখার কারণে। বঙ্গবাজার থেকে বের করা মালামাল রাস্তায় রাখছিলেন ব্যবসায়ীরা। এক ঘণ্টা আগুন জ্বলার পরে মার্কেট যখন ধসে পড়ে, ঠিক তখনই আগুন আরও বড় হয়ে যায়। মাত্র দুই মিনিটে আগুন লাগে।’
এদিকে দুপুর ১২টার দিকে নতুন করে আবারও ইসলামীয়া মার্কেট ও এনেক্স মার্কেটে আগুন বাড়তে দেখা যায়।
এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে বঙ্গবাজারে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের অর্ধশত ইউনিট কাজ করছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো আগুনের কারণ জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার শাহজাহান শিকদার।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে জানা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। ইতিমধ্যে বিমানবাহিনীর সাহায্যকারী দল ও হেলিকপ্টার কাজ শুরু করেছে।
আরও খবর পড়ুন:

রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবাজারের গোডাউন এলাকা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের কয়েকজন বলছেন, বঙ্গবাজার কাঠ ও টিনের হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুনের পরপরই অনেক ব্যবসায়ী দোকানের মালামাল বের করে সামনের নিউ সেক্রেটারি সড়কে রাখেন। একদিকে আগুন, অন্যদিকে মালামাল বের করার কারণে সামনের রাস্তায় মালামাল স্তূপ করতে থাকেন ব্যবসায়ীরা। ঘণ্টাখানেক জ্বলার পর সকাল ৭টার দিকে বঙ্গবাজারের একাংশ ধসে পড়ে। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। রাস্তায় থাকা কাপড়ের স্তূপের মাধ্যমেই নিউ সেক্রেটারি রোডের অপর পাশে থাকা বঙ্গ ইসলামীয়া মার্কেট ও বঙ্গ হোমিও মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ইসলামীয়া মার্কেটের নিচতলায় ১১৩ নম্বর দোকান ছিল রবিন হোসেন বিল্লুর। আগুনের খবরে সকালেই ছুটে আসেন তিনি। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবাজারের রাস্তার অপর পাশের দুই মার্কেটে আগুন ছড়িয়েছে রাস্তায় মালামাল রাখার কারণে। বঙ্গবাজার থেকে বের করা মালামাল রাস্তায় রাখছিলেন ব্যবসায়ীরা। এক ঘণ্টা আগুন জ্বলার পরে মার্কেট যখন ধসে পড়ে, ঠিক তখনই আগুন আরও বড় হয়ে যায়। মাত্র দুই মিনিটে আগুন লাগে।’
এদিকে দুপুর ১২টার দিকে নতুন করে আবারও ইসলামীয়া মার্কেট ও এনেক্স মার্কেটে আগুন বাড়তে দেখা যায়।
এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে বঙ্গবাজারে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের অর্ধশত ইউনিট কাজ করছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো আগুনের কারণ জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার শাহজাহান শিকদার।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে জানা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। ইতিমধ্যে বিমানবাহিনীর সাহায্যকারী দল ও হেলিকপ্টার কাজ শুরু করেছে।
আরও খবর পড়ুন:

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে