ঢামেক প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টিল মিলে বিস্ফোরণের ঘটনায় চিকিৎসাধীন ইলিয়াস আলী (৩৫) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁর মৃত্যু হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও পাঁচজন।
চিকিৎসকের বরাতে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি জানান, ইলিয়াসের শরীরে ৯৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
ইলিয়াসের বড় ভাই মো. আল-আমিন হোসেন জানান, তাঁদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইতনা উপজেলায়। স্ত্রী স্বর্ণা আক্তার ও এক মেয়েসহ নারায়ণগঞ্জের পাগলার মধ্য রসূলপুর থাকতেন ইলিয়াস। স্টিল মিলে বেশ কয়েক বছর ধরে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন তিনি।
এ ঘটনায় দগ্ধ অন্যরা হলেন মো. জুয়েল (২৫), গোলাম রব্বানি রাব্বি (৩৫), ইব্রাহিম (৩৫), নিয়ন (২০) ও আলমগীর (৩৩)।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার গাউছিয়া সাউঘাট এলাকার ‘আরআইসিএল স্টিল মিলে’ লোহা গলানোর ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে গলিতো তরল লোহা শ্রমিকদের ওপর ছিটকে পড়লে গুরুতর দগ্ধ হন ৭ জন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান শংকর (৪০) নামে একজন।
কারখানাটির সুপারভাইজার হারুন শফিকুল ইসলাম জানান, তাঁরা কারখানার ভাট্টিতে লোহা গলানোর কাজ করছিলেন। ভাট্টির আশপাশে ১৫-১৬ জন শ্রমিক ছিলেন। হঠাৎ করেই ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়ে গলিত লোহা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাঁরা দগ্ধ হন। দগ্ধদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা জানান, দগ্ধ বাকি পাঁচজনের সবার অবস্থায়ই আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে জুয়েলের শরীরের ৯৭ শতাংশ পুড়ে গেছে, রাব্বির ৯৫, ইব্রাহিমের ২৮, নিয়নের ৯৫ ও আলমগীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টিল মিলে বিস্ফোরণের ঘটনায় চিকিৎসাধীন ইলিয়াস আলী (৩৫) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁর মৃত্যু হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও পাঁচজন।
চিকিৎসকের বরাতে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি জানান, ইলিয়াসের শরীরে ৯৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
ইলিয়াসের বড় ভাই মো. আল-আমিন হোসেন জানান, তাঁদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইতনা উপজেলায়। স্ত্রী স্বর্ণা আক্তার ও এক মেয়েসহ নারায়ণগঞ্জের পাগলার মধ্য রসূলপুর থাকতেন ইলিয়াস। স্টিল মিলে বেশ কয়েক বছর ধরে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন তিনি।
এ ঘটনায় দগ্ধ অন্যরা হলেন মো. জুয়েল (২৫), গোলাম রব্বানি রাব্বি (৩৫), ইব্রাহিম (৩৫), নিয়ন (২০) ও আলমগীর (৩৩)।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার গাউছিয়া সাউঘাট এলাকার ‘আরআইসিএল স্টিল মিলে’ লোহা গলানোর ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে গলিতো তরল লোহা শ্রমিকদের ওপর ছিটকে পড়লে গুরুতর দগ্ধ হন ৭ জন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান শংকর (৪০) নামে একজন।
কারখানাটির সুপারভাইজার হারুন শফিকুল ইসলাম জানান, তাঁরা কারখানার ভাট্টিতে লোহা গলানোর কাজ করছিলেন। ভাট্টির আশপাশে ১৫-১৬ জন শ্রমিক ছিলেন। হঠাৎ করেই ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়ে গলিত লোহা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাঁরা দগ্ধ হন। দগ্ধদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা জানান, দগ্ধ বাকি পাঁচজনের সবার অবস্থায়ই আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে জুয়েলের শরীরের ৯৭ শতাংশ পুড়ে গেছে, রাব্বির ৯৫, ইব্রাহিমের ২৮, নিয়নের ৯৫ ও আলমগীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে