আয়নাল হোসেন, ঢাকা

এক মাস ধরে ট্রেড লাইসেন্স করার চেষ্টা করছেন পুরান ঢাকার বাবুবাজারের বিল্লাহ শাহ মেডিসিন মার্কেটের ওষুধ ব্যবসায়ী রাজু হোসেন। কিন্তু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে তাঁকে জানানো হয়, ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স করা যাবে না। অন্যদিকে ড্রাগ লাইসেন্স করতে গেলে সেখান থেকে বলা হয়, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্স দেওয়া হবে না।
শুধু রাজু হোসেন বা মহিউদ্দিন নন, লাইসেন্স নিয়ে এ ধরনের জটিলতায় আছেন আরও অনেক ফার্মেসি ব্যবসায়ী। ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় ড্রাগ লাইসেন্স পাচ্ছেন না তাঁরা।
বিষয়টি নিয়ে বিল্লাহ শাহ মেডিসিন মার্কেটের সভাপতি খুরশেদ আলম বলেন, আগে ট্রেড লাইসেন্স সহজেই পাওয়া যেত। সম্প্রতি সিটি করপোরেশন বলছে, ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা যাবে না। অন্যদিকে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আবার ড্রাগ লাইসেন্স করতে পারছেন না তাঁরা। এদিকে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর প্রায় সময় পুরান ঢাকায় অভিযান চালাচ্ছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন ড্রাগ লাইসেন্স করতে হলে দোকানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। এটি ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্সের জন্য আবেদনও করা যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একজন সহকারী পরিচালক বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্সের আবেদনের সুযোগ নেই।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্স না দিলেও সিটি করপোরেশন বলছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা যাবে না মর্মে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের নেতৃত্বে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ছাড়পত্র ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া যাচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তে জানানো হয়, সিটি করপোরেশন কর্তৃক ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের কয়েকটি বিষয়ে অন্যান্য সংস্থার ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। সেসব ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে ছাড়পত্র পাওয়ার পর ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ছাড়পত্র প্রদানের সময় ট্রেড লাইসেন্স না চেয়েই নিয়মনীতির আলোকে ছাড়পত্র প্রদানের বিষয়টি নিষ্পন্ন করবে।
বাংলাদেশ ওষুধ ব্যবসায়ী সম্মিলিত পরিষদের সদস্যসচিব জাকির হোসেন রনি বলেন, ট্রেড লাইসেন্স করতে না পেরে অনেক ব্যবসায়ী আতঙ্কে রয়েছেন। আন্তমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিষয়টি ব্যবসায়ীদের জানানো হয়নি। এতে তাঁরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অঞ্চল-৪-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হায়দার আলী বলেন, ‘ডিম আগে, না মুরগি আগে’ এই অবস্থা হয়েছে ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্সের ক্ষেত্রে। তবে শিগগিরই বিষয়টির সুরাহা হবে বলে জানান তিনি।

এক মাস ধরে ট্রেড লাইসেন্স করার চেষ্টা করছেন পুরান ঢাকার বাবুবাজারের বিল্লাহ শাহ মেডিসিন মার্কেটের ওষুধ ব্যবসায়ী রাজু হোসেন। কিন্তু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে তাঁকে জানানো হয়, ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স করা যাবে না। অন্যদিকে ড্রাগ লাইসেন্স করতে গেলে সেখান থেকে বলা হয়, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্স দেওয়া হবে না।
শুধু রাজু হোসেন বা মহিউদ্দিন নন, লাইসেন্স নিয়ে এ ধরনের জটিলতায় আছেন আরও অনেক ফার্মেসি ব্যবসায়ী। ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় ড্রাগ লাইসেন্স পাচ্ছেন না তাঁরা।
বিষয়টি নিয়ে বিল্লাহ শাহ মেডিসিন মার্কেটের সভাপতি খুরশেদ আলম বলেন, আগে ট্রেড লাইসেন্স সহজেই পাওয়া যেত। সম্প্রতি সিটি করপোরেশন বলছে, ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা যাবে না। অন্যদিকে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আবার ড্রাগ লাইসেন্স করতে পারছেন না তাঁরা। এদিকে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর প্রায় সময় পুরান ঢাকায় অভিযান চালাচ্ছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন ড্রাগ লাইসেন্স করতে হলে দোকানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। এটি ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্সের জন্য আবেদনও করা যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একজন সহকারী পরিচালক বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্সের আবেদনের সুযোগ নেই।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্স না দিলেও সিটি করপোরেশন বলছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা যাবে না মর্মে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের নেতৃত্বে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ছাড়পত্র ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া যাচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তে জানানো হয়, সিটি করপোরেশন কর্তৃক ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের কয়েকটি বিষয়ে অন্যান্য সংস্থার ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। সেসব ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে ছাড়পত্র পাওয়ার পর ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ছাড়পত্র প্রদানের সময় ট্রেড লাইসেন্স না চেয়েই নিয়মনীতির আলোকে ছাড়পত্র প্রদানের বিষয়টি নিষ্পন্ন করবে।
বাংলাদেশ ওষুধ ব্যবসায়ী সম্মিলিত পরিষদের সদস্যসচিব জাকির হোসেন রনি বলেন, ট্রেড লাইসেন্স করতে না পেরে অনেক ব্যবসায়ী আতঙ্কে রয়েছেন। আন্তমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিষয়টি ব্যবসায়ীদের জানানো হয়নি। এতে তাঁরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অঞ্চল-৪-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হায়দার আলী বলেন, ‘ডিম আগে, না মুরগি আগে’ এই অবস্থা হয়েছে ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্সের ক্ষেত্রে। তবে শিগগিরই বিষয়টির সুরাহা হবে বলে জানান তিনি।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৮ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে