নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

উইঘুর মুসলমানদের ওপর চালানো গণহত্যা ও নির্যাতনের কারণে চীনের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোট। এ ছাড়া চীনা পণ্য বর্জনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে দলটি।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজ মঙ্গলবার ‘উইঘুর মুসলিমদের গণহত্যার’ প্রতিবাদে আয়োজিত সেমিনার ও আলোচনা সভায় এ দাবি তুলে ধরা হয়। সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোট ও সমমনা ইসলামি দলের নেতারা এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোটের মহাসচিব খাইরুল আহসান। তিনি পূর্ব তুর্কিস্তানের স্বাধীনতার দাবির প্রতি উইঘুরদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আমরা আহ্বান জানাব চীন সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করুন এবং ব্যারেন বিদ্রোহে গণহত্যার সঙ্গে জড়িত চীনা সেনাবাহিনীর সদস্যদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের ব্যবস্থা করুন।’
সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আবু জাফর কাসেমী বলেন, ‘চীন উইঘুর মুসলিমদের ওপর যে নির্যাতন করছে, এতে কারও কোনো মাথা ব্যথা নেই। আজ সারা বিশ্বের মুসলিম শাসকেরা, যাদের আমরা মুসলমানদের সাহায্যকারী এবং অভিভাবক মনে করি তারাও চীনের অর্থ ও সামরিক প্রভাবে উইঘুর মুসলিম নিধনের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না।’
আবু জাফর কাসেমী বলেন, ‘উইঘুর মুসলিমদের নিধন করতে চীন যে বর্বর নির্যাতন করছে, তার প্রতিবাদে বেইজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। আমরা সরকারকে অনুরোধ করব, উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতনের প্রতিবাদে চীনের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করুন।’
সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের সহসভাপতি মাওলানা আবুল কাসেম কাসেমী, নেজামে ইসলাম পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা হারিসুল হক, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব আজম খান প্রমুখ।

উইঘুর মুসলমানদের ওপর চালানো গণহত্যা ও নির্যাতনের কারণে চীনের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোট। এ ছাড়া চীনা পণ্য বর্জনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে দলটি।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজ মঙ্গলবার ‘উইঘুর মুসলিমদের গণহত্যার’ প্রতিবাদে আয়োজিত সেমিনার ও আলোচনা সভায় এ দাবি তুলে ধরা হয়। সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোট ও সমমনা ইসলামি দলের নেতারা এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোটের মহাসচিব খাইরুল আহসান। তিনি পূর্ব তুর্কিস্তানের স্বাধীনতার দাবির প্রতি উইঘুরদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আমরা আহ্বান জানাব চীন সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করুন এবং ব্যারেন বিদ্রোহে গণহত্যার সঙ্গে জড়িত চীনা সেনাবাহিনীর সদস্যদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের ব্যবস্থা করুন।’
সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আবু জাফর কাসেমী বলেন, ‘চীন উইঘুর মুসলিমদের ওপর যে নির্যাতন করছে, এতে কারও কোনো মাথা ব্যথা নেই। আজ সারা বিশ্বের মুসলিম শাসকেরা, যাদের আমরা মুসলমানদের সাহায্যকারী এবং অভিভাবক মনে করি তারাও চীনের অর্থ ও সামরিক প্রভাবে উইঘুর মুসলিম নিধনের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না।’
আবু জাফর কাসেমী বলেন, ‘উইঘুর মুসলিমদের নিধন করতে চীন যে বর্বর নির্যাতন করছে, তার প্রতিবাদে বেইজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। আমরা সরকারকে অনুরোধ করব, উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতনের প্রতিবাদে চীনের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করুন।’
সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের সহসভাপতি মাওলানা আবুল কাসেম কাসেমী, নেজামে ইসলাম পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা হারিসুল হক, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব আজম খান প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে