নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঈদ মানে আনন্দ, কেনাকাটার ধুম। প্রতিটি বড় উৎসবে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় থাকে রাজধানীর বড় মার্কেটের পোশাকের দোকানগুলোতে। যদিও ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুল আজহায় বেচাকেনা কম হয়; তবে এবারের কোরবানির ঈদ যেন একেবারে ভিন্নরূপে এসেছে।
কোরবানির ঈদের বাজারে ভালো ব্যবসার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন দোকানিরা, সেটি এবার দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। রাজধানীর নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া মার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট ও নিউ বেইলি রোডের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়। পাড়া-মহল্লার পোশাকের দোকানগুলোতেও তেমন বেচাকেনা নেই।
নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের কেনাকাটার অন্যতম গন্তব্য নিউমার্কেট এলাকা। গতকাল বেলা ১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত মূল্যের দোকানগুলোয় মূল্যছাড় ও নানা অফার দিয়ে ক্রেতা টানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তাতে কাজ হচ্ছে না। সাইয়ান ফ্যাব্রিকস বুটিকসের দোকানি বলেন, সকাল ১০টায় দোকান খুলেছেন। দুপুর গড়িয়ে গেলেও কিছুই বিক্রি করতে পারেননি।
শুজ ওয়ার্ল্ডের বিক্রয়কর্মী মো. সোলাইমান খান হতাশা প্রকাশ করে নিজেদের বিক্রয় খাতা দেখিয়ে বলেন, ‘এই দেখেন, একটা কিছুও বিক্রি করি নাই। ঈদের মধ্যে পার্টির অনেক চাপ রয়েছে। বিশেষ ছাড় দিচ্ছি, তা-ও বিক্রি হচ্ছে না।’ আরেক দোকানি মোহাম্মদ সজিব জানান, আগে ঈদের সময় প্রতিদিন এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি করতেন, এবার ২০ হাজার টাকাও হচ্ছে না। বিকেলে সামান্য কিছু বেচাকেনা হলেও সারা দিন অলস সময় পার করতে হয়।
একই অবস্থা দেখা গেছে চাঁদনী চক, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট ও গাউছিয়া মার্কেটে। বাহারি কালেকশন থাকা সত্ত্বেও দোকানিরা বলছেন, সে অনুযায়ী ক্রেতা মিলছে না। কাদের আর্কেড মার্কেটের দোকানি সাবের আলী গালে হাত দিয়ে বসে ছিলেন। এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘কোনো দিন বিক্রি না করে বাড়ি ফিরি নাই। এখন এমন দিন যাচ্ছে, বউনি না করেও বাড়ি ফিরছি। যা চাই, ক্রেতারা তার অর্ধেক দামও বলেন না। যাঁদের টাকা আছে, তাঁরা চলে যাচ্ছেন অনলাইন বা দামি শপিং মলে।’
আলাপন প্লাজা, মিনিতা প্লাজা ও নিউ বেইলি রোডের বিভিন্ন মার্কেটেও একই চিত্র। দোকানিরা অলস সময় পার করছিলেন মোবাইল ফোন ঘেঁটে কিংবা গল্প করে। ব্র্যান্ড বা নন-ব্র্যান্ডের বিভিন্ন দোকানে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ছাড় দিলেও বিক্রি বাড়ছে না। দুপুর পার হলেও অনেক দোকানি বউনি করেননি। আজিজ সুপার মার্কেটে ১৭ বছর ধরে ব্যবসা করছেন রাসেল। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের খবর কেউ নেয় না। সবাই আসে ভ্যাট কেন দিচ্ছি না, সেটা জানতে। কিন্তু কেন আমরা ব্যবসা করতে পারছি না, সেটা নিয়ে কেউ ভাবছে না।’
এই কঠিন সময়েও ব্যতিক্রম দেখা গেছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। নিউমার্কেট, চাঁদনী চক ও গাউছিয়া মার্কেটের আশপাশের ফুটপাতের দোকানগুলোয় তুলনামূলক ভিড় বেশি। পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটের পাশের ফুটপাতে এসেছিলেন রাজধানীর জুরাইনের রাবেয়া। তিনি বলেন, ‘এখন সবকিছুর যা দাম, কিছুই কিনতে পারছি না। বাধ্য হয়ে ফুটপাত থেকে কিনছি।’

ঈদ মানে আনন্দ, কেনাকাটার ধুম। প্রতিটি বড় উৎসবে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় থাকে রাজধানীর বড় মার্কেটের পোশাকের দোকানগুলোতে। যদিও ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুল আজহায় বেচাকেনা কম হয়; তবে এবারের কোরবানির ঈদ যেন একেবারে ভিন্নরূপে এসেছে।
কোরবানির ঈদের বাজারে ভালো ব্যবসার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন দোকানিরা, সেটি এবার দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। রাজধানীর নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া মার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট ও নিউ বেইলি রোডের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়। পাড়া-মহল্লার পোশাকের দোকানগুলোতেও তেমন বেচাকেনা নেই।
নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের কেনাকাটার অন্যতম গন্তব্য নিউমার্কেট এলাকা। গতকাল বেলা ১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত মূল্যের দোকানগুলোয় মূল্যছাড় ও নানা অফার দিয়ে ক্রেতা টানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তাতে কাজ হচ্ছে না। সাইয়ান ফ্যাব্রিকস বুটিকসের দোকানি বলেন, সকাল ১০টায় দোকান খুলেছেন। দুপুর গড়িয়ে গেলেও কিছুই বিক্রি করতে পারেননি।
শুজ ওয়ার্ল্ডের বিক্রয়কর্মী মো. সোলাইমান খান হতাশা প্রকাশ করে নিজেদের বিক্রয় খাতা দেখিয়ে বলেন, ‘এই দেখেন, একটা কিছুও বিক্রি করি নাই। ঈদের মধ্যে পার্টির অনেক চাপ রয়েছে। বিশেষ ছাড় দিচ্ছি, তা-ও বিক্রি হচ্ছে না।’ আরেক দোকানি মোহাম্মদ সজিব জানান, আগে ঈদের সময় প্রতিদিন এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি করতেন, এবার ২০ হাজার টাকাও হচ্ছে না। বিকেলে সামান্য কিছু বেচাকেনা হলেও সারা দিন অলস সময় পার করতে হয়।
একই অবস্থা দেখা গেছে চাঁদনী চক, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট ও গাউছিয়া মার্কেটে। বাহারি কালেকশন থাকা সত্ত্বেও দোকানিরা বলছেন, সে অনুযায়ী ক্রেতা মিলছে না। কাদের আর্কেড মার্কেটের দোকানি সাবের আলী গালে হাত দিয়ে বসে ছিলেন। এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘কোনো দিন বিক্রি না করে বাড়ি ফিরি নাই। এখন এমন দিন যাচ্ছে, বউনি না করেও বাড়ি ফিরছি। যা চাই, ক্রেতারা তার অর্ধেক দামও বলেন না। যাঁদের টাকা আছে, তাঁরা চলে যাচ্ছেন অনলাইন বা দামি শপিং মলে।’
আলাপন প্লাজা, মিনিতা প্লাজা ও নিউ বেইলি রোডের বিভিন্ন মার্কেটেও একই চিত্র। দোকানিরা অলস সময় পার করছিলেন মোবাইল ফোন ঘেঁটে কিংবা গল্প করে। ব্র্যান্ড বা নন-ব্র্যান্ডের বিভিন্ন দোকানে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ছাড় দিলেও বিক্রি বাড়ছে না। দুপুর পার হলেও অনেক দোকানি বউনি করেননি। আজিজ সুপার মার্কেটে ১৭ বছর ধরে ব্যবসা করছেন রাসেল। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের খবর কেউ নেয় না। সবাই আসে ভ্যাট কেন দিচ্ছি না, সেটা জানতে। কিন্তু কেন আমরা ব্যবসা করতে পারছি না, সেটা নিয়ে কেউ ভাবছে না।’
এই কঠিন সময়েও ব্যতিক্রম দেখা গেছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। নিউমার্কেট, চাঁদনী চক ও গাউছিয়া মার্কেটের আশপাশের ফুটপাতের দোকানগুলোয় তুলনামূলক ভিড় বেশি। পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটের পাশের ফুটপাতে এসেছিলেন রাজধানীর জুরাইনের রাবেয়া। তিনি বলেন, ‘এখন সবকিছুর যা দাম, কিছুই কিনতে পারছি না। বাধ্য হয়ে ফুটপাত থেকে কিনছি।’

কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিদেশে থাকা এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুছাব্বির খুন হন। এ জন্য বিদেশ থেকে খুনিদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপ
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে আয়োজিত গণভোটে ‘না’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল নেতা জুয়েল আরমান। তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে ‘সংবিধানে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর নামে শুরু করলাম—এটা পরাজিত হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনীক (৩০) নামের এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অনীক ওই এলাকার মো. রানা মোল্লার ছেলে।
৩ ঘণ্টা আগে
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টেলিগ্রামে বিনিয়োগ ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সোহেল মিয়া (৪১)।
৩ ঘণ্টা আগে