সরেজমিন বার্ন ইনস্টিটিউট
শাহরিয়ার হাসান, ঢাকা

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের করিডরে আগের দিনের মতো চিৎকার-চেঁচামেচি ছিল না গতকাল মঙ্গলবার। ছিল না রক্তের জন্য ছোটাছুটি। হাসপাতালজুড়ে কেমন যেন একটা উৎকণ্ঠা। এই উৎকণ্ঠা দগ্ধ শিশুগুলোর স্বজনদের চোখেমুখে। সবার প্রার্থনা, আর যেন কোনো দুঃসংবাদ কানে না আসে, সব শিশু যেন সুস্থ হয়ে ওঠে।
বিশেষায়িত এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় আহত শিশুরা। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা দগ্ধ শিশুগুলোর দিকে তাকানো যাচ্ছে না। হাসপাতালের বাইরে, লিফটের পাশে, আইসিইউর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা স্বজনদের চোখেমুখে শুধুই অসহায়ত্বের ছাপ।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ১৪ বছরের আয়ান। তার শরীরের বেশির ভাগই পুড়ে গেছে। কথা নেই, সাড়া নেই। নিচতলা থেকে আইসিইউতে ওঠার সময় এক মুহূর্তের জন্য কথা হয় আয়ানের বাবা আরাফাত রহমানের সঙ্গে। গলা ধরে আসা কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘কলিজায় সহ্য হয় না ভাইয়া। আমার সোনাটা তো ব্যথা পেলেই ছটফট করত। এখন পুরো শরীরটাই যখন ক্ষয়ে গেছে, তখন কীভাবে এতটা যন্ত্রণা সহ্য করে শুয়ে আছে! আল্লাহ, ওর কষ্টটা আমাকে দিয়ে দাও।’
বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে এখন পাঁচজন চিকিৎসাধীন। তাদের চারজনই শিশু। নয় বছরের নাফিস, চৌদ্দ বছরের মাহতাব ও আয়ান, পনেরো বছরের মাহিয়া; ওদের প্রতিটি মুহূর্তই সংকটময়, জানালেন চিকিৎসক।
আইসিইউ থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন কাফী আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমার ভাইয়ের শরীরটায় আগুন যা করে গেছে, সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। স্রেফ মুখ দেখেই বোঝা যায়, সে কী জ্বালায় আছে।’
অস্ত্রোপচার পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ওয়ার্ডে নিস্তব্ধ হয়ে শুয়ে আছে ১০ বছরের আলভিনা। তাকিয়ে থাকে শূন্য দৃষ্টিতে, কোনো কথা বলে না। তার এক চাচা বলেন, ‘ও শুধু তাকিয়ে থাকে। এই শরীরের জ্বালা হয়তো একদিন সেরে উঠবে, কিন্তু যে মানসিক ট্রমা ওরা পেয়েছে, তা থেকে বের হতে পারা খুব কঠিন হবে।’

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের করিডরে আগের দিনের মতো চিৎকার-চেঁচামেচি ছিল না গতকাল মঙ্গলবার। ছিল না রক্তের জন্য ছোটাছুটি। হাসপাতালজুড়ে কেমন যেন একটা উৎকণ্ঠা। এই উৎকণ্ঠা দগ্ধ শিশুগুলোর স্বজনদের চোখেমুখে। সবার প্রার্থনা, আর যেন কোনো দুঃসংবাদ কানে না আসে, সব শিশু যেন সুস্থ হয়ে ওঠে।
বিশেষায়িত এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় আহত শিশুরা। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা দগ্ধ শিশুগুলোর দিকে তাকানো যাচ্ছে না। হাসপাতালের বাইরে, লিফটের পাশে, আইসিইউর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা স্বজনদের চোখেমুখে শুধুই অসহায়ত্বের ছাপ।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ১৪ বছরের আয়ান। তার শরীরের বেশির ভাগই পুড়ে গেছে। কথা নেই, সাড়া নেই। নিচতলা থেকে আইসিইউতে ওঠার সময় এক মুহূর্তের জন্য কথা হয় আয়ানের বাবা আরাফাত রহমানের সঙ্গে। গলা ধরে আসা কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘কলিজায় সহ্য হয় না ভাইয়া। আমার সোনাটা তো ব্যথা পেলেই ছটফট করত। এখন পুরো শরীরটাই যখন ক্ষয়ে গেছে, তখন কীভাবে এতটা যন্ত্রণা সহ্য করে শুয়ে আছে! আল্লাহ, ওর কষ্টটা আমাকে দিয়ে দাও।’
বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে এখন পাঁচজন চিকিৎসাধীন। তাদের চারজনই শিশু। নয় বছরের নাফিস, চৌদ্দ বছরের মাহতাব ও আয়ান, পনেরো বছরের মাহিয়া; ওদের প্রতিটি মুহূর্তই সংকটময়, জানালেন চিকিৎসক।
আইসিইউ থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন কাফী আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমার ভাইয়ের শরীরটায় আগুন যা করে গেছে, সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। স্রেফ মুখ দেখেই বোঝা যায়, সে কী জ্বালায় আছে।’
অস্ত্রোপচার পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ওয়ার্ডে নিস্তব্ধ হয়ে শুয়ে আছে ১০ বছরের আলভিনা। তাকিয়ে থাকে শূন্য দৃষ্টিতে, কোনো কথা বলে না। তার এক চাচা বলেন, ‘ও শুধু তাকিয়ে থাকে। এই শরীরের জ্বালা হয়তো একদিন সেরে উঠবে, কিন্তু যে মানসিক ট্রমা ওরা পেয়েছে, তা থেকে বের হতে পারা খুব কঠিন হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে