জহিরুল আলম পিলু, শ্যামপুর-কদমতলী (ঢাকা)

রাজধানীতে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ওপেন মার্কেট সেলের (ওএমএস) আটা। সরকার নির্ধারিত মূল্য কেজি প্রতি ১৮ টাকা হলেও নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। জনপ্রতি ৫ কেজি আটায় নেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে একটা পলিথিনের দাম হিসেবে। অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ সর্বোচ্চ ২ টাকা মূল্যের ১টি পলিথিন ব্যাগের জন্য তারা হাতিয়ে নিচ্ছে ১০ টাকা। এ নিয়ে প্রায়ই ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে তর্কের সৃষ্টি হচ্ছে। দাম অনুযায়ী পণ্যগুলো হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতিদিন একেকটি ডিলার বিক্রি ভেদে বাড়তি দাম ধরে হাতিয়ে নিচ্ছেন ২ থেকে ৩ হাজার টাকা।
খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী রাজধানীতে ওএমএস-এর ডিলার রয়েছে মোট ২৪৬ জন। রাজধানীর এসব ডিলারদের অঞ্চলকে ৮ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যাদের ডি-১ থেকে ডি-৮ পর্যন্ত ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর শ্যামপুর, কদমতলী, ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকার ডি-১ এ রয়েছে ২৮টি ডিলার।
সরেজমিনে রাজধানীর জুরাইন, পোস্তগোলা, ধলপুর, মীরহাজীরবাগ, শনির আখড়া, ভাঙ্গাপ্রেস, কাজলা ও যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে অনিয়মের এ চিত্র দেখা যায়। জুরাইন মাজারের কাছে ট্রাকে করে বিক্রি হচ্ছে জনপ্রতি ৫ কেজি ৯০ টাকার আটা ১০০ টাকায়। এখানে আটা নিতে আসা ফারজানাসহ কয়েকজন নারী জানান, আমরা ৫ কেজি আটা ১০০ টাকা দিয়ে নিলাম। কেন বেশি দিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তারা জানান, কিছুই বলার নাই। পলিথিন ব্যাগের বিনিময়ে তারা ১০ টাকা বেশি নিচ্ছেন। তবে এ কথা মুঠোফোনে অস্বীকার করেন ডিলার সাহেদ আলী। একই চিত্র দেখা যায় যাত্রাবাড়ী কাজলার পাড়।
পোস্তগোলা শিল্প এলাকার ওএমএস-এর দোকানে আসেন সোলায়মান নামের এক বৃদ্ধ। আটা কত করে কিনলেন জিজ্ঞাসা করতেই হতাশ কণ্ঠে এই বৃদ্ধ লোক বললেন-৫ কেজি আটা ৯০ টাকার বদলে কিনলাম ১০০ টাকা দিয়া। তিনি আরও জানান, সামান্য একটা পলিথিন ব্যাগের জন্য তারা অতিরিক্ত ১০ টাকা নিচ্ছে। ২-৪ টাকা নিলেও একটা কথা ছিল।
এখানকার ডিলার শাহজাহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'সরকার আমাদের ব্যাগ দিতে বলেনি। তবুও আমরা পলিথিনের ব্যাগ দিচ্ছি। ক্রেতারা ব্যাগ নিয়ে আসে না । এর বিনিময়ে যে যা দেয় তাই নেই।'
তিনি আরও জানান, দৈনিক ৫০ কেজি বস্তার ২৫ থেকে ৩০ বস্তা আটা বিক্রি হয়। যাতে পলিথিনের খরচ বাদে অতিরিক্ত দাম আসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা।
গেন্ডারিয়া গেলে রোকেয়া নামের এক বৃদ্ধা ক্ষুব্ধ স্বরে জানালেন তার ক্ষোভের কথা। তিনি বলেন, 'এইখানে ১৮ টাকা কেজি দরের আটা ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতাছে। হের লাইগা রাগ কইরা আটা না কিনাই চইলা আইছি। গরিবের ওপর জুলুম করে সবাই।'
এদিকে জুরাইন খন্দকার রোডের ওএমএস-এর একটি দোকানে একই চিত্র চোখে পড়ে। সেখানেও ৫ কেজি আটা পলিথিন ব্যাগে ভরে ৯০ টাকার বদলে ১০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এখানে আটা নিতে আসা ফাতেমা নামের এক নারী জানান, পলিথিনসহ ৫ কেজি আটার দাম নিয়েছে ১০০ টাকা।
এই দোকানের ডিলার শাহাআলম জানান, যারা ব্যাগ আনে তাদের কাছে থেকে ৫ কেজি আটা ৯০ টাকা নেওয়া হয়। যারা ব্যাগ নিয়ে আসেন না তাদের কাছে থেকে বেশি টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আমি আমার প্রতিনিধিকে বেশি টাকা নিতে মানা করে দেব।
এ ছাড়া বেশির ভাগ ওএমএস-এর দোকান ও ট্রাকে আটা বিক্রিতে বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে জুরাইন কমিশনার রোডের ওএমএস-এর আটা বিক্রেতা হাবিব ও মেডিকেল রোডের আক্কাস জানান, সবকিছুর খরচ বেড়ে গেছে। অন্যদিকে ৫০ কেজি বস্তার আটা শুকিয়ে ওজনে কমে যায় ১ থেকে ২ কেজি।
অন্যদিকে কদমতলীর মোহম্মদবাগে একটি দোকানে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। এখানে পলিথিনে কোনো আটা বিক্রি করা হয় না।
এই দোকানের ডিলার মো. খালেক জানান, আমরা পলিথিনও দিই না দামও বেশি নিই না। এখানকার ক্রেতারা ব্যাগ নিয়ে আসেন।
বিভিন্ন ওএমএস-এর দোকানে আসা অনেক ক্রেতারা বলেন, ভাই আমাদের দরকার আটা। বাজারের থেকে ওএমএস এর দোকানে কম দামে পাচ্ছি। তাই ওদের সঙ্গে বেশি তর্ক করি না । এদিকে এসব অনিয়ম দেখার জন্য থাকা পরিদর্শকদের সামনেই চলে এই অনিয়ম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে ১০ কেজি ওজনের পণ্যের পলিথিনের বিক্রয় মূল্য কেজি প্রতি ১৮০ টাকা। এক কেজিতে পাওয়া যায় ৯০ থেকে ১০০ পিস পলিথিন ব্যাগ। অর্থাৎ প্রতিটি পলিথিন ব্যাগের গড় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ টাকা ৮০ পয়সা।
এ প্রসঙ্গে খাদ্য অধিদপ্তরের ঢাকা রেশনিং-এর প্রধান নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আমিনুল এহসান জানান, 'কোনো ডিলারের দাম বেশি নেওয়ার এখতিয়ার নাই। পলিথিন দিলেও ১০ টাকা নিতে পারবে না। এটা আইন পরিপন্থী। যদি কেউ বেশি দাম নিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ কাজ দেখার জন্য আমাদের তদারকি কর্মকর্তা রয়েছে।'
এ ব্যাপারে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, ' দাম বেশি নেওয়া চরম অপরাধ। যা ক্ষমার অযোগ্য। আমরা এদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।'

রাজধানীতে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ওপেন মার্কেট সেলের (ওএমএস) আটা। সরকার নির্ধারিত মূল্য কেজি প্রতি ১৮ টাকা হলেও নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। জনপ্রতি ৫ কেজি আটায় নেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে একটা পলিথিনের দাম হিসেবে। অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ সর্বোচ্চ ২ টাকা মূল্যের ১টি পলিথিন ব্যাগের জন্য তারা হাতিয়ে নিচ্ছে ১০ টাকা। এ নিয়ে প্রায়ই ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে তর্কের সৃষ্টি হচ্ছে। দাম অনুযায়ী পণ্যগুলো হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতিদিন একেকটি ডিলার বিক্রি ভেদে বাড়তি দাম ধরে হাতিয়ে নিচ্ছেন ২ থেকে ৩ হাজার টাকা।
খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী রাজধানীতে ওএমএস-এর ডিলার রয়েছে মোট ২৪৬ জন। রাজধানীর এসব ডিলারদের অঞ্চলকে ৮ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যাদের ডি-১ থেকে ডি-৮ পর্যন্ত ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর শ্যামপুর, কদমতলী, ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকার ডি-১ এ রয়েছে ২৮টি ডিলার।
সরেজমিনে রাজধানীর জুরাইন, পোস্তগোলা, ধলপুর, মীরহাজীরবাগ, শনির আখড়া, ভাঙ্গাপ্রেস, কাজলা ও যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে অনিয়মের এ চিত্র দেখা যায়। জুরাইন মাজারের কাছে ট্রাকে করে বিক্রি হচ্ছে জনপ্রতি ৫ কেজি ৯০ টাকার আটা ১০০ টাকায়। এখানে আটা নিতে আসা ফারজানাসহ কয়েকজন নারী জানান, আমরা ৫ কেজি আটা ১০০ টাকা দিয়ে নিলাম। কেন বেশি দিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তারা জানান, কিছুই বলার নাই। পলিথিন ব্যাগের বিনিময়ে তারা ১০ টাকা বেশি নিচ্ছেন। তবে এ কথা মুঠোফোনে অস্বীকার করেন ডিলার সাহেদ আলী। একই চিত্র দেখা যায় যাত্রাবাড়ী কাজলার পাড়।
পোস্তগোলা শিল্প এলাকার ওএমএস-এর দোকানে আসেন সোলায়মান নামের এক বৃদ্ধ। আটা কত করে কিনলেন জিজ্ঞাসা করতেই হতাশ কণ্ঠে এই বৃদ্ধ লোক বললেন-৫ কেজি আটা ৯০ টাকার বদলে কিনলাম ১০০ টাকা দিয়া। তিনি আরও জানান, সামান্য একটা পলিথিন ব্যাগের জন্য তারা অতিরিক্ত ১০ টাকা নিচ্ছে। ২-৪ টাকা নিলেও একটা কথা ছিল।
এখানকার ডিলার শাহজাহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'সরকার আমাদের ব্যাগ দিতে বলেনি। তবুও আমরা পলিথিনের ব্যাগ দিচ্ছি। ক্রেতারা ব্যাগ নিয়ে আসে না । এর বিনিময়ে যে যা দেয় তাই নেই।'
তিনি আরও জানান, দৈনিক ৫০ কেজি বস্তার ২৫ থেকে ৩০ বস্তা আটা বিক্রি হয়। যাতে পলিথিনের খরচ বাদে অতিরিক্ত দাম আসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা।
গেন্ডারিয়া গেলে রোকেয়া নামের এক বৃদ্ধা ক্ষুব্ধ স্বরে জানালেন তার ক্ষোভের কথা। তিনি বলেন, 'এইখানে ১৮ টাকা কেজি দরের আটা ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতাছে। হের লাইগা রাগ কইরা আটা না কিনাই চইলা আইছি। গরিবের ওপর জুলুম করে সবাই।'
এদিকে জুরাইন খন্দকার রোডের ওএমএস-এর একটি দোকানে একই চিত্র চোখে পড়ে। সেখানেও ৫ কেজি আটা পলিথিন ব্যাগে ভরে ৯০ টাকার বদলে ১০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এখানে আটা নিতে আসা ফাতেমা নামের এক নারী জানান, পলিথিনসহ ৫ কেজি আটার দাম নিয়েছে ১০০ টাকা।
এই দোকানের ডিলার শাহাআলম জানান, যারা ব্যাগ আনে তাদের কাছে থেকে ৫ কেজি আটা ৯০ টাকা নেওয়া হয়। যারা ব্যাগ নিয়ে আসেন না তাদের কাছে থেকে বেশি টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আমি আমার প্রতিনিধিকে বেশি টাকা নিতে মানা করে দেব।
এ ছাড়া বেশির ভাগ ওএমএস-এর দোকান ও ট্রাকে আটা বিক্রিতে বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে জুরাইন কমিশনার রোডের ওএমএস-এর আটা বিক্রেতা হাবিব ও মেডিকেল রোডের আক্কাস জানান, সবকিছুর খরচ বেড়ে গেছে। অন্যদিকে ৫০ কেজি বস্তার আটা শুকিয়ে ওজনে কমে যায় ১ থেকে ২ কেজি।
অন্যদিকে কদমতলীর মোহম্মদবাগে একটি দোকানে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। এখানে পলিথিনে কোনো আটা বিক্রি করা হয় না।
এই দোকানের ডিলার মো. খালেক জানান, আমরা পলিথিনও দিই না দামও বেশি নিই না। এখানকার ক্রেতারা ব্যাগ নিয়ে আসেন।
বিভিন্ন ওএমএস-এর দোকানে আসা অনেক ক্রেতারা বলেন, ভাই আমাদের দরকার আটা। বাজারের থেকে ওএমএস এর দোকানে কম দামে পাচ্ছি। তাই ওদের সঙ্গে বেশি তর্ক করি না । এদিকে এসব অনিয়ম দেখার জন্য থাকা পরিদর্শকদের সামনেই চলে এই অনিয়ম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে ১০ কেজি ওজনের পণ্যের পলিথিনের বিক্রয় মূল্য কেজি প্রতি ১৮০ টাকা। এক কেজিতে পাওয়া যায় ৯০ থেকে ১০০ পিস পলিথিন ব্যাগ। অর্থাৎ প্রতিটি পলিথিন ব্যাগের গড় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ টাকা ৮০ পয়সা।
এ প্রসঙ্গে খাদ্য অধিদপ্তরের ঢাকা রেশনিং-এর প্রধান নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আমিনুল এহসান জানান, 'কোনো ডিলারের দাম বেশি নেওয়ার এখতিয়ার নাই। পলিথিন দিলেও ১০ টাকা নিতে পারবে না। এটা আইন পরিপন্থী। যদি কেউ বেশি দাম নিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ কাজ দেখার জন্য আমাদের তদারকি কর্মকর্তা রয়েছে।'
এ ব্যাপারে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, ' দাম বেশি নেওয়া চরম অপরাধ। যা ক্ষমার অযোগ্য। আমরা এদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।'

যশোরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের একজন রফিকুল ইসলাম (৪৫)। তিনি যশোর সদরের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের জগহাটি গ্রামের তবজেল মল্লিকের ছেলে; অন্যজন আব্দুল আলিম পলাশ (৩৫)। তিনি একই গ্রামের হজরত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি একজন মুদিদোকানদার।
১৩ মিনিট আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সামনে তাঁরা এ ঘোষণা দেন।
৩৩ মিনিট আগে
খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা পরিচয়ে ২০ লাখ চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মইনুল হক বলেন, সন্ধ্যায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে কতজন আহত হয়েছেন, তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে