নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক পদে ভোট গণনা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়নি এখনো। ঘোষণা হয়নি আনুষ্ঠানিক ফলও। তবে এর মধ্যেই মঙ্গলবার বিকেলে হঠাৎ করে লাগানো হয় নেমপ্লেট। বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা কার্যনির্বাহী কমিটির সবগুলো পদে নেমপ্লেট লাগানোর পর বুধবার তা খুলে ফেলে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা।
নেমপ্লেট লাগানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দুই পক্ষের আইনজীবীদের পাল্টাপাল্টি পোস্ট করতে দেখা যায়। একপক্ষ অভিনন্দন জানালেও অপরপক্ষ প্রতিবাদ জানান। বুধবার দুপুরে দুই পক্ষের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতির কক্ষের সামনে উপস্থিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগের আইনজীবীরা সম্পাদকের নেমপ্লেট খুলতে গেলে বিএনপির আইনজীবীদের সঙ্গে হাতাহাতি হয়। এ সময় কয়েকজন সামান্য আহত হয় বলে জানা গেছে।
আহত মাসুদ রানা বলেন, সম্পাদকের নেমপ্লেট খুলতে গেলে একজন হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে আমার হাতে লাগে। এ সময় তাঁর হাত থেকে রক্ত বের হয় বলেও জানান তিনি।
নেমপ্লেট লাগানোর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্ভাব্য সভাপতি (এখনো ঘোষণা হয়নি) মমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, ‘আমি পাশ করলেও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। আমি কাউকে বলিনি নেমপ্লেট লাগাতে। আমি জবর দখল করে বসতে চাই না। রাতের অন্ধকারে যারা নেমপ্লেট লাগিয়েছে তাঁরা অন্যায় করেছে। আমি বলেছি এগুলো খুলে ফেলতে।’
সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটা হয়তো হয়নি, তবে ওই দিন গণনার পর ফলাফল তো সবারই জানা। আমি শুনেছি আওয়ামীপন্থী নির্বাচিত আইনজীবীরা বলেছেন, সবার নেমপ্লেট লাগাতে। সে অনুযায়ী এসব লাগানো হয়েছিল। এখানে আমার কনসার্ন ছিল না। আর আমি তো আগে থেকেই আছি।’
রুহুল কুদ্দুস আরও বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কয়েকজন আইন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কিছু আইনজীবী এসব নেমপ্লেট খুলে ফেলেছেন, হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর করেছেন। এ সময় হট্টগোল ও হাতাহাতি পর্যন্ত হয়েছে। একজন আইনজীবী আহত হয়ে হাসপাতালেও ভর্তি হয়েছেন। এই ঘটনায় আমি বিব্রত। আমি প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ফলাফল ঘোষণায় সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে গত ৬ এপ্রিল সাবেক সভাপতি–সম্পাদকদের সঙ্গে যৌথ বৈঠক করে কার্যনির্বাহী কমিটি। এরপর একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. ওয়াই মশিউজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দুঃখ প্রকাশ করেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২২-২০২৩ সেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১৫ ও ১৬ মার্চ। ভোট গণনা শেষে ১৭ মার্চ রাতে ফল ঘোষণা করতে গেলে সম্পাদক পদে ভোট পুনরায় গণনার দাবি তোলেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অভিযোগ নাকচ করে ফলাফল ঘোষণা করতে চাইলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। ওই সময় আব্দুন নূর দুলাল লিখিতভাবে ভোট পুনরায় গণনার আবেদন করেন।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৮ হাজার ৬২৩ জন। আর দুই দিনে ভোট দিয়েছেন ৫ হাজার ৯৮২ জন। মূলত সম্পাদক পদে ভোটের হিসাব নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। ভোট গণনার সময় আওয়ামী পন্থী আইনজীবীদের সাদা প্যানেলের প্রার্থী আব্দুন নূর দুলালের সমর্থকেরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. ওয়াই মশিউজ্জামানের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে ওই সময়ই পদত্যাগপত্র দেন তিনি। আর এতেই আটকে যায় ভোটের ফল ঘোষণা।
সুপ্রিম কোর্ট বারের ইতিহাসে এই ঘটনাকে নজিরবিহীন হিসেবে উল্লেখ করেন আইনজীবীরা। জানা যায়, ১৭ মার্চ দিবাগত রাত ১টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়। তাতে দেখা যায় সভাপতিসহ ৬টি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল এগিয়ে। আর সম্পাদকসহ ৮টি পদে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল।

সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক পদে ভোট গণনা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়নি এখনো। ঘোষণা হয়নি আনুষ্ঠানিক ফলও। তবে এর মধ্যেই মঙ্গলবার বিকেলে হঠাৎ করে লাগানো হয় নেমপ্লেট। বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা কার্যনির্বাহী কমিটির সবগুলো পদে নেমপ্লেট লাগানোর পর বুধবার তা খুলে ফেলে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা।
নেমপ্লেট লাগানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দুই পক্ষের আইনজীবীদের পাল্টাপাল্টি পোস্ট করতে দেখা যায়। একপক্ষ অভিনন্দন জানালেও অপরপক্ষ প্রতিবাদ জানান। বুধবার দুপুরে দুই পক্ষের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতির কক্ষের সামনে উপস্থিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগের আইনজীবীরা সম্পাদকের নেমপ্লেট খুলতে গেলে বিএনপির আইনজীবীদের সঙ্গে হাতাহাতি হয়। এ সময় কয়েকজন সামান্য আহত হয় বলে জানা গেছে।
আহত মাসুদ রানা বলেন, সম্পাদকের নেমপ্লেট খুলতে গেলে একজন হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে আমার হাতে লাগে। এ সময় তাঁর হাত থেকে রক্ত বের হয় বলেও জানান তিনি।
নেমপ্লেট লাগানোর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্ভাব্য সভাপতি (এখনো ঘোষণা হয়নি) মমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, ‘আমি পাশ করলেও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। আমি কাউকে বলিনি নেমপ্লেট লাগাতে। আমি জবর দখল করে বসতে চাই না। রাতের অন্ধকারে যারা নেমপ্লেট লাগিয়েছে তাঁরা অন্যায় করেছে। আমি বলেছি এগুলো খুলে ফেলতে।’
সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটা হয়তো হয়নি, তবে ওই দিন গণনার পর ফলাফল তো সবারই জানা। আমি শুনেছি আওয়ামীপন্থী নির্বাচিত আইনজীবীরা বলেছেন, সবার নেমপ্লেট লাগাতে। সে অনুযায়ী এসব লাগানো হয়েছিল। এখানে আমার কনসার্ন ছিল না। আর আমি তো আগে থেকেই আছি।’
রুহুল কুদ্দুস আরও বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কয়েকজন আইন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কিছু আইনজীবী এসব নেমপ্লেট খুলে ফেলেছেন, হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর করেছেন। এ সময় হট্টগোল ও হাতাহাতি পর্যন্ত হয়েছে। একজন আইনজীবী আহত হয়ে হাসপাতালেও ভর্তি হয়েছেন। এই ঘটনায় আমি বিব্রত। আমি প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ফলাফল ঘোষণায় সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে গত ৬ এপ্রিল সাবেক সভাপতি–সম্পাদকদের সঙ্গে যৌথ বৈঠক করে কার্যনির্বাহী কমিটি। এরপর একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. ওয়াই মশিউজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দুঃখ প্রকাশ করেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২২-২০২৩ সেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১৫ ও ১৬ মার্চ। ভোট গণনা শেষে ১৭ মার্চ রাতে ফল ঘোষণা করতে গেলে সম্পাদক পদে ভোট পুনরায় গণনার দাবি তোলেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অভিযোগ নাকচ করে ফলাফল ঘোষণা করতে চাইলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। ওই সময় আব্দুন নূর দুলাল লিখিতভাবে ভোট পুনরায় গণনার আবেদন করেন।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৮ হাজার ৬২৩ জন। আর দুই দিনে ভোট দিয়েছেন ৫ হাজার ৯৮২ জন। মূলত সম্পাদক পদে ভোটের হিসাব নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। ভোট গণনার সময় আওয়ামী পন্থী আইনজীবীদের সাদা প্যানেলের প্রার্থী আব্দুন নূর দুলালের সমর্থকেরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. ওয়াই মশিউজ্জামানের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে ওই সময়ই পদত্যাগপত্র দেন তিনি। আর এতেই আটকে যায় ভোটের ফল ঘোষণা।
সুপ্রিম কোর্ট বারের ইতিহাসে এই ঘটনাকে নজিরবিহীন হিসেবে উল্লেখ করেন আইনজীবীরা। জানা যায়, ১৭ মার্চ দিবাগত রাত ১টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়। তাতে দেখা যায় সভাপতিসহ ৬টি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল এগিয়ে। আর সম্পাদকসহ ৮টি পদে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুর থেকে মাছ ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগাভাগি করার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি পুকুরের এসব মাছ গরিবদের মধ্যে বিতরণের নিয়ম থাকলেও নিজেরাই ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়েছেন।
১০ মিনিট আগে
প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে রাজবাড়ীর দুটি আসনেই বিএনপিতে কোন্দল সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াত। তবে এসবের মধ্যেও বিএনপির প্রার্থীরা জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। তাঁরা বলছেন, যেসব সমস্যা আছে, তা মিটে যাবে।
১৫ মিনিট আগে
দেশে ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে প্রিয় গন্তব্য কক্সবাজার। এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিলেট। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশিদের বিদেশ ভ্রমণও বেড়েছে। সে হিসাবে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে দেশি পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য মালয়েশিয়া।
১ ঘণ্টা আগেরাজধানীতে মেট্রোরেলের পিলার থেকে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী নিহতের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রাথমিক অনুসন্ধানে যন্ত্রাংশটিতে গুরুতর ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে। একই সঙ্গে অবকাঠামোর নকশাগত ত্রুটির কথাও বলা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। এসব বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করার কথা বলেছে কমিটি।
১ ঘণ্টা আগে