নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে এক মাস বয়সী শিশু আবরাহাম সিহানকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর ঢাকা শিশু হাসপাতালে আসেন মা লিমা আক্তারসহ স্বজনেরা। চিকিৎসক দেখার পর টেস্ট দেন। টেস্টে নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। কিন্তু হাসপাতালে সিট নেই বলে অন্য হাসপাতালে যেতে বলেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
এটাই ছিল হাসপাতালের আনসার সদস্যদের ঘুষ-বাণিজ্যের অন্তিম মুহূর্ত। টাকা দিলে এই হাসপাতালেই সিটের ব্যবস্থা করে দেবেন এমন প্রস্তাব দেন আনসার সদস্যরা। কিন্তু ঘুষ দিতে না চাওয়ায় ও টাকার বিনিময়ে সরকারি হাসপাতালের সিট কেন নিতে হবে—এমন প্রশ্ন তোলায় শিশু আবরাহাম সিহানের মামা রবিনকে বেধড়ক মারপিট করে আনসার সদস্যরা। অসুস্থ শিশুটির মা লিমা আক্তার ও নানি শাহনাজ বেগমের গায়েও আনসার সদস্যরা হাত তোলেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর ঢাকা শিশু হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ পাওয়ার পর ৩ আনসার সদস্যকে থানায় তুলে নিয়ে যায় শেরে বাংলা নগর থানা-পুলিশ।
শিশুর খালা সিমা আক্তার জানান, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে শিশুকে নিয়ে শনিবার সকালে আগারগাঁও শিশু হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার দেখে টেস্ট দেয়। টেস্টের রিপোর্টে আসে নিউমোনিয়া। চিকিৎসকের পরামর্শ হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি করতে হবে। কিন্তু এই হাসপাতালে সিট নেই। অন্য কোনো হাসপাতালে সিট দেখার কথা বলেন তিনি।
সিমা আক্তার বলেন, ‘বাইরে এসে আমরা কি করা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা করতেছিলাম। সেই মুহূর্তে সিকিউরিটি গার্ডের দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যরা (আনসার) আসে। তাঁরা টাকা দাবি করেন। বলেন, টাকা দিলে সিটের ব্যবস্থা করে দেবেন। এ কথা শুনে আমার পরিবারের ভাই-বোন বলেন, টাকার বিনিময়ে কেন সিট দেবেন। একটা শিশু মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। অথচ আপনারা টাকা চান কীভাবে। এ রকম করে ঘুষ খেলে তো চলে না। এ কথা বলতেই ছোট ভাই রবিনকে আনসার সদস্যরা মারধর শুরু করে।’
সিমা আরও বলেন, ‘আমার বোন ও মায়ের গায়েও হাত তোলা হয়। অসুস্থ শিশুটিকে পর্যন্ত কোল থেকে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। আপুর কাছে থাকা ২০ হাজার টাকা, মোবাইল হাওয়া হয়ে গেছে মারামারি, ধাক্কাধাক্কি ধস্তাধস্তির মধ্যে। পরে শেরে বাংলা নগর থানায় খবর দেওয়া হলে সেখান থেকে পুলিশ আসে। তিনজন আনসারকে থানায় নিয়ে গেছে। আমরা লিখিত অভিযোগ করেছি। থানা থেকে বলেছে বিকেলে মামলা করার জন্য। আমরা আর ওই হাসপাতালে চিকিৎসা কিংবা ভর্তির চেষ্টাও করিনি। শিশু আবরাহামকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহাদ আলী বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ আনসার সদস্যকে ডেকে থানায় নেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী পরিবারকে থানায় আসতে বলেছি। তারা এখনো থানায় আসেননি। মারামারির বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে এক মাস বয়সী শিশু আবরাহাম সিহানকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর ঢাকা শিশু হাসপাতালে আসেন মা লিমা আক্তারসহ স্বজনেরা। চিকিৎসক দেখার পর টেস্ট দেন। টেস্টে নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। কিন্তু হাসপাতালে সিট নেই বলে অন্য হাসপাতালে যেতে বলেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
এটাই ছিল হাসপাতালের আনসার সদস্যদের ঘুষ-বাণিজ্যের অন্তিম মুহূর্ত। টাকা দিলে এই হাসপাতালেই সিটের ব্যবস্থা করে দেবেন এমন প্রস্তাব দেন আনসার সদস্যরা। কিন্তু ঘুষ দিতে না চাওয়ায় ও টাকার বিনিময়ে সরকারি হাসপাতালের সিট কেন নিতে হবে—এমন প্রশ্ন তোলায় শিশু আবরাহাম সিহানের মামা রবিনকে বেধড়ক মারপিট করে আনসার সদস্যরা। অসুস্থ শিশুটির মা লিমা আক্তার ও নানি শাহনাজ বেগমের গায়েও আনসার সদস্যরা হাত তোলেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর ঢাকা শিশু হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ পাওয়ার পর ৩ আনসার সদস্যকে থানায় তুলে নিয়ে যায় শেরে বাংলা নগর থানা-পুলিশ।
শিশুর খালা সিমা আক্তার জানান, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে শিশুকে নিয়ে শনিবার সকালে আগারগাঁও শিশু হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার দেখে টেস্ট দেয়। টেস্টের রিপোর্টে আসে নিউমোনিয়া। চিকিৎসকের পরামর্শ হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি করতে হবে। কিন্তু এই হাসপাতালে সিট নেই। অন্য কোনো হাসপাতালে সিট দেখার কথা বলেন তিনি।
সিমা আক্তার বলেন, ‘বাইরে এসে আমরা কি করা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা করতেছিলাম। সেই মুহূর্তে সিকিউরিটি গার্ডের দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যরা (আনসার) আসে। তাঁরা টাকা দাবি করেন। বলেন, টাকা দিলে সিটের ব্যবস্থা করে দেবেন। এ কথা শুনে আমার পরিবারের ভাই-বোন বলেন, টাকার বিনিময়ে কেন সিট দেবেন। একটা শিশু মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। অথচ আপনারা টাকা চান কীভাবে। এ রকম করে ঘুষ খেলে তো চলে না। এ কথা বলতেই ছোট ভাই রবিনকে আনসার সদস্যরা মারধর শুরু করে।’
সিমা আরও বলেন, ‘আমার বোন ও মায়ের গায়েও হাত তোলা হয়। অসুস্থ শিশুটিকে পর্যন্ত কোল থেকে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। আপুর কাছে থাকা ২০ হাজার টাকা, মোবাইল হাওয়া হয়ে গেছে মারামারি, ধাক্কাধাক্কি ধস্তাধস্তির মধ্যে। পরে শেরে বাংলা নগর থানায় খবর দেওয়া হলে সেখান থেকে পুলিশ আসে। তিনজন আনসারকে থানায় নিয়ে গেছে। আমরা লিখিত অভিযোগ করেছি। থানা থেকে বলেছে বিকেলে মামলা করার জন্য। আমরা আর ওই হাসপাতালে চিকিৎসা কিংবা ভর্তির চেষ্টাও করিনি। শিশু আবরাহামকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহাদ আলী বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ আনসার সদস্যকে ডেকে থানায় নেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী পরিবারকে থানায় আসতে বলেছি। তারা এখনো থানায় আসেননি। মারামারির বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে