ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়ক ও ব্যবসায়ী অনন্ত জলিলসহ (এম এ জলিল) ছয়জনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেছেন শাফিল নাওয়াজ চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ী। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালতে তিনি এ মামলা করেন।
বাদীর আইনজীবী ব্যারিস্টার সজিব মাহমুদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অনন্ত জলিল ছাড়াও তাঁর মালিকানাধীন পলো কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিতে বিভিন্ন পদে কর্মরত জাহানারা বেগম, মো. শরীফ হোসাইন, সাকিবুল ইসলাম, মিলন ও শহিদুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর আসামিরা পলো কম্পোজিট কোম্পানির নামে বাদীর কাছে গার্মেন্টস সম্পর্কিত কিছু কাজের জন্য অর্ডার দেয়। এরপর বাদী কাজ শুরু করে কাজের বিপরীতে প্রতিশ্রুত টাকা চাইলে আসামিরা কাজ চালিয়ে যেতে বলেন এবং এলসির মাধ্যমে টাকা দেবেন বলে জানান এবং আরও বেশ কিছু কাজের অর্ডার দেন। এ বছরের মার্চ পর্যন্ত বাদী সবগুলো কাজ আসামিদের বুঝিয়ে দেন। এরপর গত ১৫ মার্চ টাকা পরিশোধের জন্য মার্কেন্টাইল ব্যাংকে আসামিরা বাদীর একটি এলসি করেন। পরে বাদী টাকার জন্য ব্যাংকে যোগাযোগ করলে এলসির কাগজপত্রে ত্রুটির জন্য টাকা ওঠাতে ব্যর্থ হন।
মামলার অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়, বাদী চুক্তি অনুযায়ী ২৯ হাজার ২০০ ডলারের কাজ সম্পন্ন করলেও অনন্ত জলিলের মালিকানাধীন কোম্পানিটি এখন পর্যন্ত এক টাকাও পরিশোধ করেননি।

রাত ১০টার দিকে বাতেন খাঁ মোড়ে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন দুই সাংবাদিক। এ সময় হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি রাব্বির নেতৃত্বে ছয়-সাতজনের একটি দল এসে তারেক আজিজের ওপর হামলা চালায়। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তারেক রহমানকেও মারধর করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
উৎসবমুখর পরিবেশে সমিতির কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মাজিদুল ইসলাম এবং মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তারেক বিন সালাম।
৩৬ মিনিট আগে
লালমনিরহাট জেলার ১০০ কিলোমিটার রেলপথে ১২২টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এর মধ্যে অনুমোদিত ৯২টি এবং অনুমোদনহীন রয়েছে ৩০টি। কিন্তু অনুমোদিত ক্রসিংগুলোর মধ্যে মাত্র গেটম্যান রয়েছে ৩২টিতে। বাকি ৬০টিতেই কোনো গেটম্যান নেই। ফলে অরক্ষিত এসব স্থানে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
৬ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে গত চার দিন বৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ না থাকায় চা-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এতে চা-পাতার গুণাগুণ নষ্টসহ লোকসানের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত সময়ে বিদ্যুৎ-ব্যবস্থার উন্নয়ন না করা হলে চরমভাবে ব্যাহত হবে চা-পাতার প্রক্রিয়াজাত।
৬ ঘণ্টা আগে